ময়মনসিংহে পাচারের সময় ভিজিডির ৮৪ বস্তা চাল জব্দ
jugantor
ময়মনসিংহে পাচারের সময় ভিজিডির ৮৪ বস্তা চাল জব্দ

  ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৫৩:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

চাল

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় ভিজিডির ৮৪ বস্তা সরকারি চাল পাচার করার প্রস্তুতিকালে জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার রাতে উপজেলায় সোহাগী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ওই ৮৪ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ২১ বস্তা খোলা ছিল।

জানা যায়, ওই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইউপি সদস্য ফজলুল হকের সহায়তায় ভিজিডির চাল পাচার করা হচ্ছে বলে ইউএনওর কাছে অভিযোগ আসে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই ইউএনও সহকারী কমিশনার ভূমিকে ব্যবস্থাগ্রহণের নির্দেশ দেন।

প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা অফিস তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়। পরে ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে সহকারী কমিশনার ভূমি ও মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা ইউনিয়ন পরিষদে স্টোররুমে চালের বস্তা খোলা দেখতে পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। এ সময় ৮৪ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ২১ বস্তা খোলা ছিল।

এ বিষয়ে ইউএনও হাফিজা জেসমিন অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলে সহকারী কমিশনার ভূমি ও মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে।

এ সম্পর্কে সহকারী কমিশনার ভূমি অনামিকা নজরুল জানান, অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ফজলুল হক গা ঢাকা দিয়েছে। ৮৪ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান অভিযোগের সত্যতা শিকার করেন।

সরকারি নির্দেশনায় ভিজিডির চাল বিতরণ করার আগেই মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে অবহিত করে বিতরণকারী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে চাল বিতরণ করার নিয়ম। কিন্তু মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা রিক্তা বেগম ও বিতরণকারী কর্মকর্তা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন চাল বিতরণের বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ফজলুল হকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ময়মনসিংহে পাচারের সময় ভিজিডির ৮৪ বস্তা চাল জব্দ

 ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৫৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চাল
ছবি: যুগান্তর

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় ভিজিডির ৮৪ বস্তা সরকারি চাল পাচার করার প্রস্তুতিকালে জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার রাতে উপজেলায় সোহাগী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ওই ৮৪ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ২১ বস্তা খোলা ছিল।

জানা যায়, ওই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইউপি সদস্য ফজলুল হকের সহায়তায় ভিজিডির চাল পাচার করা হচ্ছে বলে ইউএনওর কাছে অভিযোগ আসে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই ইউএনও সহকারী কমিশনার ভূমিকে ব্যবস্থাগ্রহণের নির্দেশ দেন। 

প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা অফিস তালাবদ্ধ করে পালিয়ে যায়। পরে ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে সহকারী কমিশনার ভূমি ও মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা ইউনিয়ন পরিষদে স্টোররুমে চালের বস্তা খোলা দেখতে পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। এ সময় ৮৪ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ২১ বস্তা খোলা ছিল।

এ বিষয়ে ইউএনও হাফিজা জেসমিন অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাস্থলে সহকারী কমিশনার ভূমি ও মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে।

এ সম্পর্কে সহকারী কমিশনার ভূমি অনামিকা নজরুল জানান, অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ফজলুল হক গা ঢাকা দিয়েছে। ৮৪ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। 

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান অভিযোগের সত্যতা শিকার করেন।

সরকারি নির্দেশনায় ভিজিডির চাল বিতরণ করার আগেই মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে অবহিত করে বিতরণকারী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে চাল বিতরণ করার নিয়ম। কিন্তু মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা রিক্তা বেগম ও বিতরণকারী কর্মকর্তা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন চাল বিতরণের বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন। 

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য ফজলুল হকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন