চোখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে ভাই-ভাবিকে কুপিয়ে জখম
jugantor
চোখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে ভাই-ভাবিকে কুপিয়ে জখম

  চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:০৮:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

জখম

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার গল্লাই ইউনিয়নের কংগাই গ্রামে ভাই-ভাবির চোখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, কংগাই গ্রামের দুই সহোদর দুলাল চন্দ্র দাস ও তার ভাই নারায়ণ চন্দ্র দাসের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে আদালতে মামলাও চলমান রয়েছে।

রোববার সকালে উপজেলার গল্লাই ইউনিয়নের কংগাই গ্রামে বড় ভাইয়ের বসত ঘরে হামলা চালায় নারায়ণ চন্দ্র দাস, তার স্ত্রী ও তাদের দুই ছেলে। নারায়ণ চন্দ্রআপন বড় ভাই দুলাল চন্দ্র দাস (৫০), ভাবি মলিনা রানী দাসের (৪০) চোখে মরিচের গুড়া ছুড়ে মারে। এরপর হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দুলাল চন্দ্র দাস ও মলিনা রানী দাসকে গুরুতর আহত করে। মলিনা রানী দাসের ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি কেটে মাটিতে পড়ে যায়। অপর হাতের ২টি আঙ্গুলও বিচ্ছিন্ন হওয়ার উপক্রম। দুলাল চন্দ্র দাসও হাতে মারাত্মক আঘাত পান।

জরুরি সেবা ৯৯৯ নাম্বারে কল পেয়ে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে কুমিল্লা মেডিকেলে, সেখান থেকেঢাকা মেডিকেল এবং অবস্থার অবনতি হলে রাজধানীর শ্যামলী পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহত দুলাল চন্দ্র দাস বলেন, দীর্ঘ দিন আমাদের জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছে,পাশাপাশি মামলাও চলমান। রোববার সকালে পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে নারায়ণ চন্দ্র দাস ও তার স্ত্রী সন্তানমিলে অতর্কিতে আমাদের চোখে মরিচের গুড়া দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে।

ঘটনার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নারায়ণ চন্দ্র দাসের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে চান্দিনা থানার উপ-পরিদর্শক মো. নোমান হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। স্থানীয়রা জানিয়েছে, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, হামলার ঘটনা সঠিক। এ বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

চোখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে ভাই-ভাবিকে কুপিয়ে জখম

 চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
জখম
আহত দুলাল চন্দ্র দাস ও তার স্ত্রী মলিনা রানী দাস। ছবি: যুগান্তর

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার গল্লাই ইউনিয়নের কংগাই গ্রামে ভাই-ভাবির চোখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। 

পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, কংগাই গ্রামের দুই সহোদর দুলাল চন্দ্র দাস ও তার ভাই নারায়ণ চন্দ্র দাসের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে আদালতে মামলাও চলমান রয়েছে। 

রোববার সকালে উপজেলার গল্লাই ইউনিয়নের কংগাই গ্রামে বড় ভাইয়ের বসত ঘরে হামলা চালায় নারায়ণ চন্দ্র দাস, তার স্ত্রী ও তাদের দুই ছেলে। নারায়ণ চন্দ্র আপন বড় ভাই দুলাল চন্দ্র দাস (৫০), ভাবি মলিনা রানী দাসের (৪০) চোখে মরিচের গুড়া ছুড়ে মারে। এরপর হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে দুলাল চন্দ্র দাস ও মলিনা রানী দাসকে গুরুতর আহত করে। মলিনা রানী দাসের ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি কেটে মাটিতে পড়ে যায়। অপর হাতের ২টি আঙ্গুলও বিচ্ছিন্ন হওয়ার উপক্রম। দুলাল চন্দ্র দাসও হাতে মারাত্মক আঘাত পান। 

জরুরি সেবা ৯৯৯ নাম্বারে কল পেয়ে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে কুমিল্লা মেডিকেলে, সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল এবং অবস্থার অবনতি হলে রাজধানীর শ্যামলী পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহত দুলাল চন্দ্র দাস বলেন, দীর্ঘ দিন আমাদের জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছে, পাশাপাশি মামলাও চলমান। রোববার সকালে পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে নারায়ণ চন্দ্র দাস ও তার স্ত্রী সন্তানমিলে অতর্কিতে আমাদের চোখে মরিচের গুড়া দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে।

ঘটনার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত নারায়ণ চন্দ্র দাসের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে চান্দিনা থানার উপ-পরিদর্শক মো. নোমান হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। স্থানীয়রা জানিয়েছে, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। 

চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, হামলার ঘটনা সঠিক। এ বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন