মুক্তিযোদ্ধার পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অন্যের টিকা গ্রহণের অভিযোগ
jugantor
মুক্তিযোদ্ধার পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অন্যের টিকা গ্রহণের অভিযোগ

  বগুড়া ব্যুরো  

২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩৯:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

জাফর উদ্দিন মন্ডল

বগুড়ায় জাফর উদ্দিন মন্ডল (৭৪) নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার করে অন্যএকজনকরোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণ করেছে বলেঅভিযোগ উঠেছে। পরে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সামির হোসেন মিশুর হস্তক্ষেপে তিনি টিকা নিতে পেরেছেন।

ডা. সামির হোসেন মিশু জানান, গত ৭ আগস্ট প্রথম দফার গণটিকা কর্মসূচির সময় এমন কয়েকটি ঘটনা ঘটে। তারা মুক্তিযোদ্ধা বা অন্যদের এনআইডি চুরি বা কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করে টিকা নিয়েছেন। তবে তারা সনদপত্র থেকে বঞ্চিত হবেন।

বগুড়া পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কৈগাড়ি এলাকায় বসবাসকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা জাফর উদ্দিন মন্ডল জানান, গত ৮ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে তার মোবাইল ফোনে এসএমএস আসে।ওই এসএমএসে তাকে পরদিন মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল কেন্দ্রে দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণের জন্য বলা হয়। এতে তিনি বিস্মিত হন এবং পরদিন ৯ সেপ্টেম্বর টিকা নিতেহাসপাতালে যান।

সেখানে কর্তব্যরতরা জানান, জাফর উদ্দিন মন্ডলের নামে করোনার প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা চ্যালেঞ্জ করলে তাকে অনলাইন থেকে প্রিন্ট করে টিকা গ্রহণের প্রমাণ দেখান। মুক্তিযোদ্ধা টিকা দেওয়ার দাবি জানালে তাকে জানিয়ে দেওয়া হয়, নতুন করে রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ নেই। তাকে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়।

মুক্তিযোদ্ধা আরো জানান, তিনি ওই কার্যালয়ে দু’দিন কথা বললেও তার বিষয়ে সুরাহা হয়নি। বাধ্য হয়ে ২০ সেপ্টেম্বর সরাসরি সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সামির হোসেন মিশুরসাথেযোগাযোগ করেন। তিনি ঘটনাটি শোনার পর তাকে সিনোফার্মার প্রথম ডোজের টিকার ব্যবস্থা করে দেন। এতে মুক্তিযোদ্ধা স্বস্তি পান।

এ প্রসঙ্গে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সামির হোসেন মিশু জানান, গত ৭ আগস্ট গণটিকা প্রদানের দিন একে অপরের এনআইডি দিয়ে টিকা গ্রহণের ঘটনা ঘটে। এমন বেশ কয়েকটি অভিযোগ তিনি পেয়ে সমাধান করে দিয়েছেন।

তিনি বলেন, করোনা থেকে বাঁচতে টিকা নিতে কেউ মুক্তিযোদ্ধার পরিচয়পত্র চুরি করে বা অন্য কোথাও থেকে সংগ্রহ করে। পরে ওই এনআইডি দিয়ে তারা টিকা গ্রহণ করেছেন। প্রচুর ভিড় থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে এনআইডি পরীক্ষা করাও সম্ভব হয়নি। তবে অন্যের এনআইডি চুরি করে তা দিয়ে টিকা গ্রহণকারীরা নিজ নামে সনদপত্র থেকে বঞ্চিত হবেন।

মুক্তিযোদ্ধার পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অন্যের টিকা গ্রহণের অভিযোগ

 বগুড়া ব্যুরো 
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
জাফর উদ্দিন মন্ডল
বীর মুক্তিযোদ্ধা জাফর উদ্দিন মন্ডল। ছবি: যুগান্তর

বগুড়ায় জাফর উদ্দিন মন্ডল (৭৪) নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার করে অন্য একজন করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সামির হোসেন মিশুর হস্তক্ষেপে তিনি টিকা নিতে পেরেছেন।

ডা. সামির হোসেন মিশু জানান, গত ৭ আগস্ট প্রথম দফার গণটিকা কর্মসূচির সময় এমন কয়েকটি ঘটনা ঘটে। তারা মুক্তিযোদ্ধা বা অন্যদের এনআইডি চুরি বা কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করে টিকা নিয়েছেন। তবে তারা সনদপত্র থেকে বঞ্চিত হবেন।

বগুড়া পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কৈগাড়ি এলাকায় বসবাসকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা জাফর উদ্দিন মন্ডল জানান, গত ৮ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে তার মোবাইল ফোনে এসএমএস আসে। ওই এসএমএসে তাকে পরদিন মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল কেন্দ্রে দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণের জন্য বলা হয়। এতে তিনি বিস্মিত হন এবং পরদিন ৯ সেপ্টেম্বর টিকা নিতে হাসপাতালে যান। 

সেখানে কর্তব্যরতরা জানান, জাফর উদ্দিন মন্ডলের নামে করোনার প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা চ্যালেঞ্জ করলে তাকে অনলাইন থেকে প্রিন্ট করে টিকা গ্রহণের প্রমাণ দেখান। মুক্তিযোদ্ধা টিকা দেওয়ার দাবি জানালে তাকে জানিয়ে দেওয়া হয়, নতুন করে রেজিস্ট্রেশনের সুযোগ নেই। তাকে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়।

মুক্তিযোদ্ধা আরো জানান, তিনি ওই কার্যালয়ে দু’দিন কথা বললেও তার বিষয়ে সুরাহা হয়নি। বাধ্য হয়ে ২০ সেপ্টেম্বর সরাসরি সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সামির হোসেন মিশুর সাথে যোগাযোগ করেন। তিনি ঘটনাটি শোনার পর তাকে সিনোফার্মার প্রথম ডোজের টিকার ব্যবস্থা করে দেন। এতে মুক্তিযোদ্ধা স্বস্তি পান।

এ প্রসঙ্গে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সামির হোসেন মিশু জানান, গত ৭ আগস্ট গণটিকা প্রদানের দিন একে অপরের এনআইডি দিয়ে টিকা গ্রহণের ঘটনা ঘটে। এমন বেশ কয়েকটি অভিযোগ তিনি পেয়ে সমাধান করে দিয়েছেন।

 তিনি বলেন, করোনা থেকে বাঁচতে টিকা নিতে কেউ মুক্তিযোদ্ধার পরিচয়পত্র চুরি করে বা অন্য কোথাও থেকে সংগ্রহ করে। পরে ওই এনআইডি দিয়ে তারা টিকা গ্রহণ করেছেন। প্রচুর ভিড় থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে এনআইডি পরীক্ষা করাও সম্ভব হয়নি। তবে অন্যের এনআইডি চুরি করে তা দিয়ে টিকা গ্রহণকারীরা নিজ নামে সনদপত্র থেকে বঞ্চিত হবেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন