অভিনব কৌশলে গরীবের ভাতা হাতিয়ে নেন জাহিদুল ইসলাম 
jugantor
অভিনব কৌশলে গরীবের ভাতা হাতিয়ে নেন জাহিদুল ইসলাম 

  গলাচিপা ও দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:৪৪:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা সমাজসেবা দফতরের ইউনিয়ন সমাজকর্মী জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরিবদের নামে দেওয়া সরকারের বিভিন্ন ভাতার অর্থ সুকৌশলে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এক্ষেত্রে জাহিদুল ইসলাম ভাতাভোগীর পরিবর্তে নিজের আত্মীয়স্বজনদের মোবাইল ফোন নম্বর ব্যবহার করেছেন।

এ ধরণের একটি জালিয়াতির ঘটনায় একজন ভুক্তভোগীগলাচিপা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। তবে জাহিদুলের একই ধরণের প্রতারণার আরও বেশ কিছু ঘটনা বেরিয়ে এসেছে। যদিওজাহিদুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

গলাচিপা সদর ইউনিয়নের ৩নংওয়ার্ডের মালেকা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, তার বিধবা ভাতার কার্ডে নিজস্ব মোবাইল ফোন নম্বরের পরিবর্তে জাহিদুল ইসলাম আমখোলা ইউনিয়নের মুসুরিকাঠি গ্রামের ইয়াকুব সিকদারের মোবাইল নম্বর বসিয়ে দেন। ফলে তার ভাতার ৬ হাজার ৭৫০ টাকা ইয়াকুব সিকদারের মোবাইলে চলে যায়। ইয়াকুব সিকদার জাহিদুল ইসলামের আত্মীয়। সমাজ সেবা দফতরের কর্মচারী জাহিদুল সুযোগ করে ওই অর্থ তার আত্মীয়েরমোবাইল ফোন থেকে উঠিয়ে নিয়েছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মালেকা খাতুনের নাতি আমিনুল ইসলাম বাপ্পি থানায় সাধারণ ডায়েরি (নম্বর-৪০০) করলে জাহিদুলের এ ধরণের প্রতারণার আরও ঘটনা বেরিয়ে আসতে থাকে।

আমখোলা ইউনিয়নের প্রতিবন্ধী আ. করিম বিশ্বাস অভিযোগ করেন, তিনি নতুন সিম কিনে জাহিদুল ইসলামের কাছে বিকাশ নম্বর দেন। কিন্তু ভাতার টাকা পাননি। কয়েকদিন তার অফিসে গিয়েছিলেন। জাহিদুল তাকে জানিয়েছে, তার ভাতা অন্য নম্বরে চলে গেছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমার মতো গরিবের টাকা আত্মসাৎ করলে আল্লাহ ক্ষমা করবেন না।

জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী একইভাবে ভাতার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ সমাজসেবা দফতরে জমা দিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীরা কোনো প্রতিকার পাননি।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে জাহিদুল ইসলাম অস্বীকার করে বলেন, ভুক্তভোগীদের অর্থ অন্য মোবাইল ফোন নম্বরে কি ভাবে যায়, তা আমার জানা নেই।

গলাচিপা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. অলিউল্লাহ বলেন, জাহিদুল ইসলামের এক আত্মীয়ের মোবাইল নম্বরে ভাতাভোগীর টাকা চলে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে তার সম্পৃক্ততা পেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।

অভিনব কৌশলে গরীবের ভাতা হাতিয়ে নেন জাহিদুল ইসলাম 

 গলাচিপা ও দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  
২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৪৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা সমাজসেবা দফতরের ইউনিয়ন সমাজকর্মী জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরিবদের নামে দেওয়া সরকারের বিভিন্ন ভাতার অর্থ সুকৌশলে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এক্ষেত্রে জাহিদুল ইসলাম ভাতাভোগীর পরিবর্তে নিজের আত্মীয়স্বজনদের মোবাইল ফোন নম্বর ব্যবহার করেছেন। 

এ ধরণের একটি জালিয়াতির ঘটনায় একজন ভুক্তভোগী গলাচিপা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। তবে জাহিদুলের একই ধরণের প্রতারণার আরও বেশ কিছু ঘটনা বেরিয়ে এসেছে। যদিও জাহিদুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

গলাচিপা সদর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মালেকা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, তার বিধবা ভাতার কার্ডে নিজস্ব মোবাইল ফোন নম্বরের পরিবর্তে জাহিদুল ইসলাম আমখোলা ইউনিয়নের মুসুরিকাঠি গ্রামের ইয়াকুব সিকদারের মোবাইল নম্বর বসিয়ে দেন। ফলে তার ভাতার ৬ হাজার ৭৫০ টাকা ইয়াকুব সিকদারের মোবাইলে চলে যায়। ইয়াকুব সিকদার জাহিদুল ইসলামের আত্মীয়। সমাজ সেবা দফতরের কর্মচারী জাহিদুল সুযোগ করে ওই অর্থ তার আত্মীয়ের মোবাইল ফোন থেকে উঠিয়ে নিয়েছেন। 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মালেকা খাতুনের নাতি আমিনুল ইসলাম বাপ্পি থানায় সাধারণ ডায়েরি (নম্বর-৪০০) করলে জাহিদুলের এ ধরণের প্রতারণার আরও ঘটনা বেরিয়ে আসতে থাকে। 

আমখোলা ইউনিয়নের প্রতিবন্ধী আ. করিম বিশ্বাস অভিযোগ করেন, তিনি নতুন সিম কিনে জাহিদুল ইসলামের কাছে বিকাশ নম্বর দেন। কিন্তু ভাতার টাকা পাননি। কয়েকদিন তার অফিসে গিয়েছিলেন। জাহিদুল তাকে জানিয়েছে, তার ভাতা অন্য নম্বরে চলে গেছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমার মতো গরিবের টাকা আত্মসাৎ করলে আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। 

জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী একইভাবে ভাতার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ সমাজসেবা দফতরে জমা দিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীরা কোনো প্রতিকার পাননি। 

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে জাহিদুল ইসলাম অস্বীকার করে বলেন, ভুক্তভোগীদের অর্থ অন্য মোবাইল ফোন নম্বরে কি ভাবে যায়, তা আমার জানা নেই।

গলাচিপা উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. অলিউল্লাহ বলেন, জাহিদুল ইসলামের এক আত্মীয়ের মোবাইল নম্বরে ভাতাভোগীর টাকা চলে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে তার সম্পৃক্ততা পেলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন