নতুন ঘর পেলেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সেই মোস্তফা
jugantor
নতুন ঘর পেলেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সেই মোস্তফা

  মোহাম্মদ নান্নু মৃধা, ডামুড্যা (শরীয়তপুর)প্রতিনিধি  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:১২:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

নতুন ঘর পেলেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সেই মোস্তফা

অন্যের বাড়িতে থাকাসেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মোস্তফা করাতি পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর।

জেলা প্রশাসক নিজে উপস্থিত থেকে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দেওয়া ঘর নিজ হাতে তার কাছে হস্তান্তর করেন।

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মোস্তফা করাতি থাকতেন জরাজীর্ণ ঘরে। বৃষ্টি হলে চাল দিয়ে তার ঘরে পড়ত পানি।আবেদন করেও পাননি সরকারি ঘর এভাবেই মানবেতর জীবনযাপনকরেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মোস্তফা করাতি।

এ বিষয়টি নিয়ে গত ৬ আগস্ট দৈনিক যুগান্তরের অনলাইন সংস্করণে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ‘অন্যের বাড়িতে থাকেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, আবেদন করেও পাননি সরকারি ঘর’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়। সংবাদটি নজরে আশে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক মো. পারভেজ হাসান। মানবিক জেলা প্রশাসক এর পর ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান সবুজ ৬ আগস্ট দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী (রাতকানা) মোস্তফা করাতির জন্য প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে নতুন গৃহ নির্মাণের আশ্বাস দেন।

পরে আজ বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দেওয়া ঘর নিজ হাতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মোস্তফা করাতির কাছে হস্তান্তর করেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডামুড্যা উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন মাঝি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান সবুজ, সহকারী কমিশনার ভূমি সবিতা সরকার, পৌরসভার মেয়র রেজাউল করিম রাজা ছৈয়াল, দারুল আমান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোক্তার হোসেন খান, যুগান্তর প্রতিনিধি মোহাম্মদ নান্নু মৃধা, ডামুড্যা প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিকুল ইসলাম সোহেল, ৯নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. সবুজ করাতিসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ মানুষ।

এ সময় নতুন ঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মোস্তফা করাতি। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও যুগান্তর পত্রিকা এবং প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, সারাজীবন কষ্টই করে গেলাম। সুখ কী জিনিস আমি জীবনে সেটি বুঝিনি। এখন পাকা ঘরে থাকব; জীবন কাটাব, এটা ভাবতেই ভালো লাগছে। আমাদের মতো গরিবের শেষ আশ্রয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাজার বছর বেঁচে থাকুন আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জেলা প্রশাসক মো পারভেজ হাসান যুগান্তরকে বলেন, মুজিববর্ষে কোনো পরিবার গৃহহীন থাকবে না। প্রধানমন্ত্রীর এমন দিকনির্দেশনায় প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। মোস্তফা করাতি কে নিয়ে সংবাদটি খুব হৃদয়স্পর্শী ছিল।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প ২-এর প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মাহবুব হোসেন ও পরিচালক প্রশাসন ওচমান গনির নজরে সংবাদটি আসার পর ঘরের জন্য দ্রুত বরাদ্দ দেন। সে ঘর ই আজ এ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মোস্তফা করাতির কাছে হস্তান্তর করা হলো। এ ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ, বসবাস করার জন্য খাট, লেপ তোশক ও এক মাসের কাঁচাবাজারসহ অন্যান্য সামগ্রী দেওয়া হয়েছে।

নতুন ঘর পেলেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সেই মোস্তফা

 মোহাম্মদ নান্নু মৃধা, ডামুড্যা (শরীয়তপুর)প্রতিনিধি 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নতুন ঘর পেলেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সেই মোস্তফা
ছবি: যুগান্তর

অন্যের বাড়িতে থাকা সেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মোস্তফা করাতি পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর।

জেলা প্রশাসক নিজে উপস্থিত থেকে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দেওয়া ঘর নিজ হাতে তার কাছে হস্তান্তর করেন। 

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মোস্তফা করাতি থাকতেন জরাজীর্ণ ঘরে। বৃষ্টি হলে চাল দিয়ে তার ঘরে পড়ত পানি। আবেদন করেও পাননি সরকারি ঘর এভাবেই মানবেতর জীবনযাপন করেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মোস্তফা করাতি। 

এ বিষয়টি নিয়ে গত ৬ আগস্ট দৈনিক যুগান্তরের অনলাইন সংস্করণে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। ‘অন্যের বাড়িতে থাকেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, আবেদন করেও পাননি সরকারি ঘর’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়। সংবাদটি নজরে আশে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক মো. পারভেজ হাসান। মানবিক জেলা প্রশাসক এর পর ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান সবুজ ৬ আগস্ট দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী (রাতকানা) মোস্তফা করাতির জন্য প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে নতুন গৃহ নির্মাণের আশ্বাস দেন। 

পরে আজ বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দেওয়া ঘর নিজ হাতে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মোস্তফা করাতির কাছে হস্তান্তর করেন তিনি। 
 
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডামুড্যা উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন মাঝি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান সবুজ, সহকারী কমিশনার ভূমি সবিতা সরকার, পৌরসভার মেয়র রেজাউল করিম রাজা ছৈয়াল, দারুল আমান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোক্তার হোসেন খান, যুগান্তর প্রতিনিধি মোহাম্মদ নান্নু মৃধা, ডামুড্যা প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিকুল ইসলাম সোহেল, ৯নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. সবুজ করাতিসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ মানুষ।

এ সময় নতুন ঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মোস্তফা করাতি। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও যুগান্তর পত্রিকা এবং প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, সারাজীবন কষ্টই করে গেলাম। সুখ কী জিনিস আমি জীবনে সেটি বুঝিনি। এখন পাকা ঘরে থাকব; জীবন কাটাব, এটা ভাবতেই ভালো লাগছে। আমাদের মতো গরিবের শেষ আশ্রয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাজার বছর বেঁচে থাকুন আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জেলা প্রশাসক মো পারভেজ হাসান যুগান্তরকে বলেন, মুজিববর্ষে কোনো পরিবার গৃহহীন থাকবে না। প্রধানমন্ত্রীর এমন দিকনির্দেশনায় প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। মোস্তফা করাতি কে নিয়ে সংবাদটি খুব হৃদয়স্পর্শী ছিল। 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প ২-এর প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মাহবুব হোসেন ও পরিচালক প্রশাসন ওচমান গনির নজরে সংবাদটি আসার পর ঘরের জন্য দ্রুত বরাদ্দ দেন। সে ঘর ই আজ এ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মোস্তফা করাতির কাছে হস্তান্তর করা হলো। এ ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ, বসবাস করার জন্য খাট, লেপ তোশক ও এক মাসের কাঁচাবাজারসহ অন্যান্য সামগ্রী দেওয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর