ইউএনও ও নির্বাচন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে পাল্টে গেল বিধবার জীবন
jugantor
ইউএনও ও নির্বাচন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে পাল্টে গেল বিধবার জীবন

  যুগান্তর প্রতিবেদন, নারায়ণগঞ্জ  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:৪৫:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে জাতীয় পরিচয় পত্রে ভুলের কারণে স্বামীর পেনশনের টাকা তুলতে না পেরে ভিক্ষা করে মানবেতর জীবন যাপন করছিলেন এক শিক্ষকের স্ত্রী।

সাংবাদিকদের মাধ্যমে তা জানতে পেরে মায়া বেগম নামে ওই নারীর জাতীয় পরিচয়পত্রটি এক সপ্তাহের মধ্যে সংশোধন করে মানবতার উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন বন্দরের ইউএনও শুক্লা সরকার ও নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল কাদির।

বৃহস্পতিবার ইউএনও কার্যালয়ে মায়া বেগমের হাতে সংশোধিত আইডি কার্ডটি তুলে দেন ইউএনও শুক্লা সরকার ও নির্বাচন কর্মকর্তা । এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন বন্দরের এসিল্যান্ড ফাতেমাতুজ জোহরা ও স্থানীয় সাংবাদিক হাজী সফিকুল ইসলামসহ উপজেলার অন্য কর্মকর্তারা।

ভুক্তভোগী মায়া বেগম বলেন, ইউএনও ম্যাডাম ও নির্বাচন কর্মকর্তার ঋণ আমি জীবনেও ভুলতে পারবো না। মূলত তাদের মানবিক হস্তক্ষেপের জন্য আমি আমার জীবনের গতি ফিরে পেয়েছি।

আমি ভিক্ষা করে চলছিলাম শুনে ইউএনও ম্যাডাম সঙ্গে সঙ্গে আমাকে চাল, ডাল, তেল ও আলুসহ নিত্যপণ্য কিনে দেন ও বিধবা ভাতার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে দেন।

উল্লেখ্য, মায়া বেগম নামে ওই গৃহবধূর শিক্ষক স্বামী দ্বীন মোহাম্মদ খান ১৯৯২ সালে পেনশনে যান। এ অবস্থায় তিনি ১৯৯৩ সালে মারা যান। এরপর থেকে তার স্ত্রী মায়া বেগম স্বামীর পেনশন-ভাতা উত্তোলন করে আসছিলেন।

২০১৫ সালে জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল নাম উঠার কারণে গত ৬ বছর ধরে তিনি স্বামীর পেনশনের টাকা তুলতে পারছিলেন না।
সন্তানহীন এই বৃদ্ধা দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপন করে আসছেন।

এ ব্যাপারে বন্দর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শুল্কা সরকার জানান, বিষয়টি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পেরে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে এক সপ্তাহের মধ্যে তার আইডি কার্ড সংশোধন করে পেনশন পাওয়ার পথ সুগম করে দিয়েছি। এখন তার আর ভিক্ষা করে চলতে হবে না।

ইউএনও ও নির্বাচন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে পাল্টে গেল বিধবার জীবন

 যুগান্তর প্রতিবেদন, নারায়ণগঞ্জ 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে জাতীয় পরিচয় পত্রে ভুলের কারণে স্বামীর পেনশনের টাকা তুলতে না পেরে ভিক্ষা করে মানবেতর জীবন যাপন করছিলেন এক শিক্ষকের স্ত্রী।

সাংবাদিকদের মাধ্যমে তা জানতে পেরে মায়া বেগম নামে ওই নারীর জাতীয় পরিচয়পত্রটি এক সপ্তাহের মধ্যে সংশোধন করে মানবতার উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন বন্দরের ইউএনও শুক্লা সরকার ও নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল কাদির।

বৃহস্পতিবার ইউএনও কার্যালয়ে মায়া বেগমের হাতে সংশোধিত আইডি কার্ডটি তুলে দেন ইউএনও শুক্লা সরকার ও নির্বাচন কর্মকর্তা । এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন বন্দরের এসিল্যান্ড ফাতেমাতুজ জোহরা ও স্থানীয় সাংবাদিক হাজী সফিকুল ইসলামসহ উপজেলার অন্য কর্মকর্তারা।

ভুক্তভোগী মায়া বেগম বলেন, ইউএনও ম্যাডাম ও নির্বাচন কর্মকর্তার ঋণ আমি জীবনেও ভুলতে পারবো না। মূলত তাদের মানবিক হস্তক্ষেপের জন্য আমি আমার জীবনের গতি ফিরে পেয়েছি।

আমি ভিক্ষা করে চলছিলাম শুনে ইউএনও ম্যাডাম সঙ্গে সঙ্গে আমাকে চাল, ডাল, তেল ও আলুসহ নিত্যপণ্য কিনে দেন ও বিধবা ভাতার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে দেন।

উল্লেখ্য, মায়া বেগম নামে ওই গৃহবধূর শিক্ষক স্বামী দ্বীন মোহাম্মদ খান ১৯৯২ সালে পেনশনে যান। এ অবস্থায় তিনি ১৯৯৩ সালে মারা যান। এরপর থেকে তার স্ত্রী মায়া বেগম স্বামীর পেনশন-ভাতা উত্তোলন করে আসছিলেন।

২০১৫ সালে জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল নাম উঠার কারণে গত ৬ বছর ধরে তিনি স্বামীর পেনশনের টাকা তুলতে পারছিলেন না।
সন্তানহীন এই বৃদ্ধা দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপন করে আসছেন।

এ ব্যাপারে বন্দর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শুল্কা সরকার জানান, বিষয়টি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পেরে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে এক সপ্তাহের মধ্যে তার আইডি কার্ড সংশোধন করে পেনশন পাওয়ার পথ সুগম করে দিয়েছি। এখন তার আর ভিক্ষা করে চলতে হবে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন