চকরিয়ায় বন বিভাগের নামে পানচাষিদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় 
jugantor
চকরিয়ায় বন বিভাগের নামে পানচাষিদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় 

  চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:০২:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের উত্তর মছনিয়া কাটা ও হারবাং ইউনিয়নের ডাবল কাটা গ্রামের পানচাষিদের কাছ থেকে বন বিভাগের নামে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বারবাকিয়া রেঞ্জের অধীনে পহরচাঁদা বন বিটের আওতায় বরইতলী ও হারবাং ইউনিয়নের পশ্চিম দিকের বনভূমিতে রয়েছে শতাধিক পানের বরজ। এসব পান বরজের মালিকরা স্থানীয় চাষি ও গরিব শ্রেণির কৃষক। সারাবছর পান উত্তোলন করে কোনো রকম সংসার চলে তাদের।

সরেজমিন জানা যায়, বছরে দুটি পানের মৌসুম। প্রতি মৌসুমে স্থানীয় আব্দুল্লার পুত্র মহি উদ্দিন ও পহরচাঁদা বন বিটের হেডম্যান মোক্তার মাঝির যোগসাজশে প্রত্যেকটি পানের বরজ থেকে বিট বন কর্মকর্তার নামে একহাজার টাকা ও নিজেদেরকে জায়গার মালিক দাবি করে তাদের জন্য দেড় থেকে তিন হাজার টাকা ক্ষেত্রবিশেষে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন পান চাষিরা।

বরইতলী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড উত্তর মছনিয়া কাটার করিম উদ্দিন নামের এক কৃষক যুগান্তরকে বলেন, মছনিয়া কাটার মহিউদ্দিন ও মোক্তার মাঝি বছরে দুবার তাদের কাছ থেকে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।

হারবাং ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের পান চাষি আব্দুল কাদের বলেন, ফরেস্ট অফিসারসহ এসে আমাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করেন। ওনাদের চাহিদা মতো টাকা দিতে না পারলে আমাদের পানের বরজ ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেন। আবার অনেকের পানের বরজ ভেঙে দেওয়ারও অভিযোগ তুলে এই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের থেকে টাকা আদায়ের প্রতিবাদ জানান।

সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।

পহরচান্দা বিট বন কর্মকর্তা শামসুল হক বলেন, বন বিভাগের জমিতে পানের বরজগুলো করা হয়েছে। তাই তাদের উচ্ছেদ করা আমাদের সরকারি দায়িত্ব। হেডম্যানের মাধ্যমে টাকা আদায়ের কথা তিনি অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বারবাকিয়া রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল গফুর মোল্লা বলেন, আমাদের লোকবলের অভাবে সরকারি বনভূমি সঠিকভাবে রক্ষা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। পানের বরজ থেকে টাকা আদায়ের বিষয়ে তিনি অবগত নন। তবে তাদের নাম ভাঙিয়ে কেউ টাকা আদায় করলে তাদের ছাড় দেবেন না বলে জানান।

চকরিয়ায় বন বিভাগের নামে পানচাষিদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় 

 চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের উত্তর মছনিয়া কাটা ও হারবাং ইউনিয়নের ডাবল কাটা গ্রামের পানচাষিদের কাছ থেকে বন বিভাগের নামে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বারবাকিয়া রেঞ্জের অধীনে পহরচাঁদা বন বিটের আওতায় বরইতলী ও হারবাং ইউনিয়নের পশ্চিম দিকের বনভূমিতে রয়েছে শতাধিক পানের বরজ। এসব পান বরজের মালিকরা স্থানীয় চাষি ও গরিব শ্রেণির কৃষক। সারাবছর পান উত্তোলন করে কোনো রকম সংসার চলে তাদের।

সরেজমিন জানা যায়, বছরে দুটি পানের মৌসুম। প্রতি মৌসুমে স্থানীয় আব্দুল্লার পুত্র মহি উদ্দিন ও পহরচাঁদা বন বিটের হেডম্যান মোক্তার মাঝির যোগসাজশে প্রত্যেকটি পানের বরজ থেকে বিট বন কর্মকর্তার নামে একহাজার টাকা ও নিজেদেরকে জায়গার মালিক দাবি করে তাদের জন্য দেড় থেকে তিন হাজার টাকা ক্ষেত্রবিশেষে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন পান চাষিরা।

বরইতলী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড উত্তর মছনিয়া কাটার করিম উদ্দিন নামের এক কৃষক যুগান্তরকে বলেন, মছনিয়া কাটার মহিউদ্দিন ও মোক্তার মাঝি বছরে দুবার তাদের কাছ থেকে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।

হারবাং ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের পান চাষি আব্দুল কাদের বলেন, ফরেস্ট অফিসারসহ এসে আমাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করেন। ওনাদের চাহিদা মতো টাকা দিতে না পারলে আমাদের পানের বরজ ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেন। আবার অনেকের পানের বরজ ভেঙে দেওয়ারও অভিযোগ তুলে এই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের থেকে টাকা আদায়ের প্রতিবাদ জানান।

সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।

পহরচান্দা বিট বন কর্মকর্তা শামসুল হক বলেন, বন বিভাগের জমিতে পানের বরজগুলো করা হয়েছে। তাই তাদের উচ্ছেদ করা আমাদের সরকারি দায়িত্ব। হেডম্যানের মাধ্যমে টাকা আদায়ের কথা তিনি অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বারবাকিয়া রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল গফুর মোল্লা বলেন, আমাদের লোকবলের অভাবে সরকারি বনভূমি সঠিকভাবে রক্ষা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। পানের বরজ থেকে টাকা আদায়ের বিষয়ে তিনি অবগত নন। তবে তাদের নাম ভাঙিয়ে কেউ টাকা আদায় করলে তাদের ছাড় দেবেন না বলে জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন