তার নেশা নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা, অতঃপর…
jugantor
তার নেশা নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা, অতঃপর…

  ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি  

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:২১:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

হাবিব খান বাবুর

পেশায় অটোচালক হাবিব খান বাবুর নেশা ছিল মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নারীদের সুকৌশলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলা। এরপর নিজেরঅসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করা।

এমন একাধিক ঘটনায় অভিযুক্ত হাবিব খান বাবু (৩০) অবশেষে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন। থানা সূত্রে জানা গেছে, এক গৃহবধূকে অপহরণের পর আটকে রেখে ধর্ষণের মামলায় ফরিদগঞ্জ পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, হাবিব খান বাবু উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের পূর্ব ধানুয়া গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে। পেশায়অটোরিকশা চালক। কিন্তু বিভিন্ন সময় তিনি বিভিন্ন পরিচয়ে নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। এক্ষেত্রে নিজের সুঠাম দেহকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতেন তিনি।

হাবিব খান বাবুর স্ত্রী শামছুন্নাহার বেগম জানান, তার স্বামী একাধিক বিয়ে করেছে। তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। স্বামীর অত্যাচারে গত ৫ মাস পূর্বে তিনি বাবার বাড়িতে চলে যান। এখনও বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।

শামসুন্নাহার আরও জানান, স্বামীকে এই পথ থেকে সরানোর জন্য তিনি বহু চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কোনো ফল হয়নি। তিনি নিজে গৃদকালিন্দিয়া, রূপসা, প্রত্যাশী, শরিয়তপুর এলাকা থেকে অবৈধকাজে লিপ্ত অবস্থায় আটকের পর তাকে অর্থ দিয়ে ছাড়িয়ে এনেছেন।

হাবিব খান বাবু সর্বশেষ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক গৃহবধূকে টার্গেট করেন। মোবাইল ফোনে ওই গৃহবধুকে উত্যক্ত করা শুরু করেন।সম্প্রতি ওই গৃহবধূ গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের শোভান গ্রামে বাবার বাড়িতে গেলে হাবিব খান তার এক সহযোগীকে নিয়ে গত ১২ সেপ্টেম্বর কৌশলে তাকে অপহরণ করেন। গৃহবধূকে তিনি পাশ্ববর্তী হাইমচর উপজেলার আলগী এলাকায় একটি বাসায় আটকে রেখে ভয়-ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন।

৯ দিন পর ভুক্তভোগী গৃহবধূ কৌশলে পালিয়ে তার বাবার বাড়িতে এসে ঘটনা জানান। এরপর তার পিতা বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফরিদগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। এরপর পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত হাবিব খানকে পাশ্ববর্তী হাইমচর উপজেলার আলগী এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহিদ হোসেন বলেন, গৃহবধূর পিতা বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করলে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত হাবিব খানকে আটক করা হয়। শুক্রবার দুপুরে গৃহবধূর মেডিকেল টেস্ট ও ২২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের জন্য চাঁদপুর প্রেরণ করা হয়। হাবিবকে চাঁদপুর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তার নেশা নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা, অতঃপর…

 ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি 
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হাবিব খান বাবুর
হাবিব খান বাবু। ছবি: যুগান্তর

পেশায় অটোচালক হাবিব খান বাবুর নেশা ছিল মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নারীদের সুকৌশলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলা। এরপর নিজের অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করা। 

এমন একাধিক ঘটনায় অভিযুক্ত হাবিব খান বাবু (৩০) অবশেষে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন। থানা সূত্রে জানা গেছে, এক গৃহবধূকে অপহরণের পর আটকে রেখে ধর্ষণের মামলায় ফরিদগঞ্জ পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, হাবিব খান বাবু উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের পূর্ব ধানুয়া গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে। পেশায় অটোরিকশা চালক। কিন্তু বিভিন্ন সময় তিনি বিভিন্ন পরিচয়ে নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। এক্ষেত্রে নিজের সুঠাম দেহকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতেন তিনি। 

হাবিব খান বাবুর স্ত্রী শামছুন্নাহার বেগম জানান, তার স্বামী একাধিক বিয়ে করেছে। তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। স্বামীর অত্যাচারে গত ৫ মাস পূর্বে তিনি বাবার বাড়িতে চলে যান। এখনও বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন। 

শামসুন্নাহার আরও জানান, স্বামীকে এই পথ থেকে সরানোর জন্য তিনি বহু চেষ্টা করেছেন। কিন্তু কোনো ফল হয়নি। তিনি নিজে গৃদকালিন্দিয়া, রূপসা, প্রত্যাশী, শরিয়তপুর এলাকা থেকে অবৈধকাজে লিপ্ত অবস্থায় আটকের পর তাকে অর্থ দিয়ে ছাড়িয়ে এনেছেন। 

হাবিব খান বাবু সর্বশেষ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক গৃহবধূকে টার্গেট করেন। মোবাইল ফোনে ওই গৃহবধুকে উত্যক্ত করা শুরু করেন। সম্প্রতি ওই গৃহবধূ গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের শোভান গ্রামে বাবার বাড়িতে গেলে হাবিব খান তার এক সহযোগীকে নিয়ে গত ১২ সেপ্টেম্বর কৌশলে তাকে অপহরণ করেন। গৃহবধূকে তিনি পাশ্ববর্তী হাইমচর উপজেলার আলগী এলাকায় একটি বাসায় আটকে রেখে ভয়-ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। 

৯ দিন পর ভুক্তভোগী গৃহবধূ কৌশলে পালিয়ে তার বাবার বাড়িতে এসে ঘটনা জানান। এরপর তার পিতা বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফরিদগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। এরপর পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত হাবিব খানকে পাশ্ববর্তী হাইমচর উপজেলার আলগী এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। 

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহিদ হোসেন বলেন, গৃহবধূর পিতা বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করলে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত হাবিব খানকে আটক করা হয়। শুক্রবার দুপুরে গৃহবধূর মেডিকেল টেস্ট ও ২২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের জন্য চাঁদপুর প্রেরণ করা হয়। হাবিবকে চাঁদপুর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন