গলায় ফাঁস দিয়ে রাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা
jugantor
গলায় ফাঁস দিয়ে রাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

  রাজশাহী ও যশোর ব্যুরো  

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:২৩:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইমরুল কায়েস নামের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। দীর্ঘদিন যাবত তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন বলে জানিয়েছেন তার সহপাঠীরা।

ইমরুল কায়েস গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরেবাংলা হলে থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গঙ্গানন্দপুর গ্রামে। তার বাবা ও মা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তিন ভাইবোনের মধ্যে তিনিই বড়।

ইমরুলের সহপাঠীরা জানান, তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। তিনি পরিবার ও নিজের জীবন নিয়ে ‘সন্তুষ্ট’ ছিলেন না। তার অস্বাভাবিক চলাচল ও আচরণের জন্য পরিবার থেকে এর আগে তাকে রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারেও রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে ফিরে মায়ের কাছে মোটরসাইকেল কিনে দিতে বলেন। মোটরসাইকেল কিনেও দেওয়া হয়েছিল তাকে।

এরপর মায়ের কাছে ডিএসএলআর ক্যামেরা চান। ক্যামেরা কিনে না দেওয়ায় বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে রুমের দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেন ইমরুল। পরে রুমের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শেরেবাংলা হলে ইমরুলের সঙ্গে একই রুমে থাকতেন সুকান্ত রায়। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে ইমরুল ডিপ্রেশনে (হতাশা) ছিল। হয়তো এ ডিপ্রেশন থেকেই সে আত্মহত্যা করেছে।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মুসতাক আহমেদ বলেন, ইমরুলের মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। তার পরিবারের প্রতি আমরা সমবেদনা জানাই।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দীর্ঘদিন ধরেই ইমরুল হতাশার পোস্ট করে আসছিলেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর তিনি ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লেখেন- বিদায়, হাসিমাখা মুখ নিয়ে আর বুকে কষ্ট নিয়ে? আমি কখনো হারিনি হেরে গেছে ব্যর্থতা, ব্যর্থতা আত্মহত্যার মূল।

একই দিন তিনি মাগুরায় মোটরসাইকেল নিয়ে ঘোরাঘুরির কয়েকটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশন দেন ‘প্রথম ও শেষ ভ্রমণ’। এরপর তার ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে ক্যাপশন দেন ‘শেষ মুহূর্ত (লাস্ট মোমেন্ট)’।

গলায় ফাঁস দিয়ে রাবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

 রাজশাহী ও যশোর ব্যুরো 
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ইমরুল কায়েস নামের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। দীর্ঘদিন যাবত তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন বলে জানিয়েছেন তার সহপাঠীরা। 

ইমরুল কায়েস গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরেবাংলা হলে থাকতেন। তার গ্রামের বাড়ি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গঙ্গানন্দপুর গ্রামে। তার বাবা ও মা একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তিন ভাইবোনের মধ্যে তিনিই বড়।

ইমরুলের সহপাঠীরা জানান, তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। তিনি পরিবার ও নিজের জীবন নিয়ে ‘সন্তুষ্ট’ ছিলেন না। তার অস্বাভাবিক চলাচল ও আচরণের জন্য পরিবার থেকে এর আগে তাকে রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারেও রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে ফিরে মায়ের কাছে মোটরসাইকেল কিনে দিতে বলেন। মোটরসাইকেল কিনেও দেওয়া হয়েছিল তাকে। 

এরপর মায়ের কাছে ডিএসএলআর ক্যামেরা চান। ক্যামেরা কিনে না দেওয়ায় বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে রুমের দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেন ইমরুল। পরে রুমের দরজা ভেঙে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শেরেবাংলা হলে ইমরুলের সঙ্গে একই রুমে থাকতেন সুকান্ত রায়। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে ইমরুল ডিপ্রেশনে (হতাশা) ছিল। হয়তো এ ডিপ্রেশন থেকেই সে আত্মহত্যা করেছে।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মুসতাক আহমেদ বলেন, ইমরুলের মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। তার পরিবারের প্রতি আমরা সমবেদনা জানাই।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দীর্ঘদিন ধরেই ইমরুল হতাশার পোস্ট করে আসছিলেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর তিনি ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লেখেন- বিদায়, হাসিমাখা মুখ নিয়ে আর বুকে কষ্ট নিয়ে? আমি কখনো হারিনি হেরে গেছে ব্যর্থতা, ব্যর্থতা আত্মহত্যার মূল।

একই দিন তিনি মাগুরায় মোটরসাইকেল নিয়ে ঘোরাঘুরির কয়েকটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশন দেন ‘প্রথম ও শেষ ভ্রমণ’। এরপর তার ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে ফেসবুকে ছবি পোস্ট করে ক্যাপশন দেন ‘শেষ মুহূর্ত (লাস্ট মোমেন্ট)’।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন