ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড়বোন নিহত
jugantor
ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড়বোন নিহত

  বগুড়া ব্যুরো  

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:১০:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার নন্দীগ্রামে ছোটভাই মোকছেদ আলীর (২৩) বাঁশের লাঠির আঘাতে আজমী আরা (৪২) নামে বড়বোন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকালে উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের বীরপলি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত আজমী আরা ও মোকছেদ আলী নন্দীগ্রাম উপজেলার বীরপলি গ্রামের মৃত কোরবান আলীর সন্তান। আমজী আরার একই গ্রামের সুমন মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয়। মোকছেদ আলী গত পাঁচ বছর ধরে মানসিক রোগে আক্রান্ত। গত পাঁচ বছর ধরে তাকে বড়বোন আজমী আরার বাড়িতে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো। মাঝে মধ্যে সুস্থ হলে তাকে শিকল খুলে দেওয়া হয়।

কয়েক দিন সুস্থ থাকায় শুক্রবার সকালে তাকে গোসল করার জন্য শিকল খুলে দেওয়া হয়। এ সময় আজমী আরা সংসারের কাজ করছিলেন। মোকছেদ আলী সাবমারসিবল পাম্পের সুইচ দেন। আমজী দুইবার এসে তাকে সুইচ বন্ধ করতে বলেন। এতে মোকছেদ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। একপর্যায়ে তিনি বাঁশের লাঠি দিয়ে বড়বোন আজমী আরার মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। স্বজনরা অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে নিলে কিছুক্ষণ পর তিনি মারা যান।

নন্দীগ্রাম থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, মোকছেদ আলী মানসিক প্রতিবন্ধী। দীর্ঘ পাঁচ বছর তাকে বোনের বাড়িতে শিকলে বেঁধে রেখে চিকিৎসা চলছিল। ঘটনার পরপরই গ্রামবাসী আবারো প্রতিবন্ধী মোকছেদকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখেন। নিহতের মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিম পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড়বোন নিহত

 বগুড়া ব্যুরো 
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার নন্দীগ্রামে ছোটভাই মোকছেদ আলীর (২৩) বাঁশের লাঠির আঘাতে আজমী আরা (৪২) নামে বড়বোন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সকালে উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের বীরপলি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নিহত আজমী আরা ও মোকছেদ আলী নন্দীগ্রাম উপজেলার বীরপলি গ্রামের মৃত কোরবান আলীর সন্তান। আমজী আরার একই গ্রামের সুমন মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয়। মোকছেদ আলী গত পাঁচ বছর ধরে মানসিক রোগে আক্রান্ত। গত পাঁচ বছর ধরে তাকে বড়বোন আজমী আরার বাড়িতে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো। মাঝে মধ্যে সুস্থ হলে তাকে শিকল খুলে দেওয়া হয়। 

কয়েক দিন সুস্থ থাকায় শুক্রবার সকালে তাকে গোসল করার জন্য শিকল খুলে দেওয়া হয়। এ সময় আজমী আরা সংসারের কাজ করছিলেন। মোকছেদ আলী সাবমারসিবল পাম্পের সুইচ দেন। আমজী দুইবার এসে তাকে সুইচ বন্ধ করতে বলেন। এতে মোকছেদ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। একপর্যায়ে তিনি বাঁশের লাঠি দিয়ে বড়বোন আজমী আরার মাথায় আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। স্বজনরা অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে নিলে কিছুক্ষণ পর তিনি মারা যান।

নন্দীগ্রাম থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, মোকছেদ আলী মানসিক প্রতিবন্ধী। দীর্ঘ পাঁচ বছর তাকে বোনের বাড়িতে শিকলে বেঁধে রেখে চিকিৎসা চলছিল। ঘটনার পরপরই গ্রামবাসী আবারো প্রতিবন্ধী মোকছেদকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখেন। নিহতের মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিম পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন