মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হলো বিয়েবাড়ি
jugantor
মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হলো বিয়েবাড়ি

  হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:১২:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

জুমার নামাজ আদায় শেষে ঘরে ফেরার পথে দেয়াল (সীমানা প্রাচীর) চাপা পড়ে লাশ হয়ে ফিরল মো. শাকিল সবুজ (২০) নামে এক কিশোর। এ সময় মো. নজরুল (২৭) নামে আরেক যুবকের বাম পা ভেঙে গেছে।

শনিবার আহত যুবক নজরুল তার নববধূকে ঘরে তোলার কথা ছিল। অথচ সেই বিয়েবাড়ির আনন্দ পরিণত হয়েছে বিষাদে। নিহতের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। হতাহতরা সম্পর্কে চাচাতো-জ্যাঠাতো ভাই।

শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে চট্টগ্রামের হাটহাজারী পৌরসভা এলাকার ফটিকা ৬নং ওয়ার্ড কড়িয়ার দীঘিরপাড় এলাকার লাল মোহাম্মদ চৌধুরী বাড়িতে এ মর্মান্তিক দুঘর্টনা ঘটে। নিহত সবুজ ওই বাড়ির মো. রমজান আলীর একমাত্র পুত্র। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয় থেকে ২০২০ সালে এসএসসি পাস করেছে। সে একজন ভালো ফুটবলার ছিল বলে জানিয়েছে তার পরিবার।

আহত নজরুলের পিতা মো. আনোয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রতিবেশী আবদুল হাই অপরিকল্পিতভাবে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে দেয়ালটি তৈরি করার সময় বাধা দিলেও তারা কর্ণপাত করেনি। এর মধ্যে দেয়াল ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারণে বেশ কিছুদিন আগে তাদের এ বিষয়ে জানানো হলে তারা দুঘর্টনা এড়াতে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। সে কারণে আমার ভাইপোকে অসময়ে হারাতে হলো। পাশাপাশি আমার ছেলেটিও সারাজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে গেল। অথচ শনিবার আমার ছেলে নজরুলের নববধূকে ঘরে তোলার দিনক্ষণ ঠিক ছিল।

মুহূর্তেই বিষাদে পরিণত হলো বিয়েবাড়ি

 হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জুমার নামাজ আদায় শেষে ঘরে ফেরার পথে দেয়াল (সীমানা প্রাচীর) চাপা পড়ে লাশ হয়ে ফিরল মো. শাকিল সবুজ (২০) নামে এক কিশোর। এ সময় মো. নজরুল (২৭) নামে আরেক যুবকের বাম পা ভেঙে গেছে। 

শনিবার আহত যুবক নজরুল তার নববধূকে ঘরে তোলার কথা ছিল। অথচ সেই বিয়েবাড়ির আনন্দ পরিণত হয়েছে বিষাদে। নিহতের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। হতাহতরা সম্পর্কে চাচাতো-জ্যাঠাতো ভাই।

শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে চট্টগ্রামের হাটহাজারী পৌরসভা এলাকার ফটিকা ৬নং ওয়ার্ড কড়িয়ার দীঘিরপাড় এলাকার লাল মোহাম্মদ চৌধুরী বাড়িতে এ মর্মান্তিক দুঘর্টনা ঘটে। নিহত সবুজ ওই বাড়ির মো. রমজান আলীর একমাত্র পুত্র। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয় থেকে ২০২০ সালে এসএসসি পাস করেছে। সে একজন ভালো ফুটবলার ছিল বলে জানিয়েছে তার পরিবার। 

আহত নজরুলের পিতা মো. আনোয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রতিবেশী আবদুল হাই অপরিকল্পিতভাবে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে দেয়ালটি তৈরি করার সময় বাধা দিলেও তারা কর্ণপাত করেনি। এর মধ্যে দেয়াল ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারণে বেশ কিছুদিন আগে তাদের এ বিষয়ে জানানো হলে তারা দুঘর্টনা এড়াতে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। সে কারণে আমার ভাইপোকে অসময়ে হারাতে হলো। পাশাপাশি আমার ছেলেটিও সারাজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে গেল। অথচ শনিবার আমার ছেলে নজরুলের নববধূকে ঘরে তোলার দিনক্ষণ ঠিক ছিল। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন