ধর্ষণের পর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে শেকলবন্দি, অবশেষে মামলা
jugantor
ধর্ষণের পর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে শেকলবন্দি, অবশেষে মামলা

  কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি   

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:১৭:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

ধর্ষণ

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ধর্ষণের শিকার হয়ে বিচার না পেয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে শেকলবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছিলেন এক তরুণী। কিন্তু ভুক্তভোগী পরিবারটি প্রভাবশালীদের ভয়ে থানায় মামলা করতে পারছিলেন না।

এ নিয়ে যুগান্তরেকেন্দুয়ায় ধর্ষণের পর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে শেকলবন্দি শিরোনামেএকটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এইপ্রতিবেদনের পর ভুক্তভোগী তরুণীর মা সখিনা বেগম বাদী হয়ে শুক্রবার থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মামলায় আসামী করা হয়েছে উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার হানিফকে। এছাড়া ধর্ষণের সহায়তাকারী হিসেবে মাইজকান্দি গ্রামের ললিতাকেও আসামি করা হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ যুগান্তরকে বলেন, মেয়েটির মা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

উল্লেখ্য, প্রায় দুই বছর আগে এক নারীর যোগসাজশে এক যুবক মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে গ্রাম্য সালিশে মাতবররা ৮ হাজার টাকার বিনিময়ে মীমাংসা করেন।

এ ঘটনার পর থেকেই মেয়েটি ধীরে ধীরে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। তাই পরিবারের লোকজন বাধ্য হয়ে তাকে এখন শেকলবন্দি করে রেখেছেন।

মেয়েটির মা জানান, তিনি পাড়ায় পাড়ায় ভিক্ষে করেন আর মাঝেমধ্যে মানুষের বাড়িতে কাজ করেন। তার বাড়িতে না থাকার সুযোগে ললিতা নামে এক নারী মেয়েকে প্রায়ই তাদের বাড়িতে নিয়ে যেত। ঘটনার দিন তার মেয়ে ওই নারীর বাড়িতে ছিল। ললিতার সহায়তায় ওই রাতে স্থানীয় হানিফ নামে একজন তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। পরদিন সকালে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে বাড়িতে এলে তিনি নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।থানায় অভিযোগের কথা জেনে স্থানীয় মাতবররা সালিশের মাধ্যমে মেয়ের চিকিৎসার জন্য ৮ হাজার টাকার বিনিময়ে মীমাংসা করে দেন। পরে অভিযোগ তুলে নিতে বাধ্য করা হয়। তবে ভুক্তভোগী এই মা এখন তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার যথার্থ বিচারের দাবি জানান।

ধর্ষণের পর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে শেকলবন্দি, অবশেষে মামলা

 কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ধর্ষণ
প্রতীকী ছবি

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ধর্ষণের শিকার হয়ে বিচার না পেয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে শেকলবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছিলেন এক তরুণী। কিন্তু ভুক্তভোগী পরিবারটি প্রভাবশালীদের ভয়ে থানায় মামলা করতে পারছিলেন না। 

এ নিয়ে যুগান্তরে কেন্দুয়ায় ধর্ষণের পর মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে শেকলবন্দি শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এই প্রতিবেদনের পর ভুক্তভোগী তরুণীর মা সখিনা বেগম বাদী হয়ে শুক্রবার থানায় মামলা দায়ের করেছেন। 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মামলায় আসামী করা হয়েছে উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার হানিফকে। এছাড়া ধর্ষণের সহায়তাকারী হিসেবে মাইজকান্দি গ্রামের ললিতাকেও আসামি করা হয়েছে। 

শুক্রবার সন্ধ্যায় কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ যুগান্তরকে বলেন, মেয়েটির মা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। 

উল্লেখ্য, প্রায় দুই বছর আগে এক নারীর যোগসাজশে এক যুবক মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে গ্রাম্য সালিশে মাতবররা ৮ হাজার টাকার বিনিময়ে মীমাংসা করেন।

এ ঘটনার পর থেকেই মেয়েটি ধীরে ধীরে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। তাই পরিবারের লোকজন বাধ্য হয়ে তাকে এখন শেকলবন্দি করে রেখেছেন।

মেয়েটির মা জানান, তিনি পাড়ায় পাড়ায় ভিক্ষে করেন আর মাঝেমধ্যে মানুষের বাড়িতে কাজ করেন। তার বাড়িতে না থাকার সুযোগে ললিতা নামে এক নারী মেয়েকে প্রায়ই তাদের বাড়িতে নিয়ে যেত। ঘটনার দিন তার মেয়ে ওই নারীর বাড়িতে ছিল। ললিতার সহায়তায় ওই রাতে স্থানীয় হানিফ নামে একজন তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। পরদিন সকালে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে বাড়িতে এলে তিনি নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। থানায় অভিযোগের কথা জেনে স্থানীয় মাতবররা সালিশের মাধ্যমে মেয়ের চিকিৎসার জন্য ৮ হাজার টাকার বিনিময়ে মীমাংসা করে দেন। পরে অভিযোগ তুলে নিতে বাধ্য করা হয়। তবে ভুক্তভোগী এই মা এখন তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার যথার্থ বিচারের দাবি জানান। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন