এক বাগাড়ের দাম ৪৮ হাজার টাকা
jugantor
এক বাগাড়ের দাম ৪৮ হাজার টাকা

  গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:৪৯:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বাগাড় মাছ

গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে ৩৭ কেজি ওজনের একটি বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি এক হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে মোট ৪৮ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

রোববার ভোরে গোয়ালন্দের পদ্মা নদীর চর কর্নেশনা এলাকা থেকে বিশালাকৃতির ওই মাছটি ধরেন মানিকগঞ্জের জেলে গোবিন্দ হালদার।

মাছটি তিনি দৌলতদিয়াঘাটের এক ব্যবসায়ীর কাছে এক হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে মোট ৪৮ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি করেছেন।

জেলে গোবিন্দ হালদার জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার দিনগত রাতে পদ্মায় জাল ফেলে মাছ ধরতে যাই। মধ্যরাতে জালটি টেনে তুলতেই দেখি বিশাল একটি বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। সকালে মাছটি বিক্রি করার জন্য দৌলতদিয়াঘাটে রেজাউল ইসলামের আড়তে নিয়ে ভালো দামে বিক্রি করি।

মাছটির ভালো দাম পেয়ে আমার ভালো লাগছে। দীর্ঘদিন ভালো মাছ না পেয়ে বেশ কিছু ধারদেনা হয়ে গিয়েছিল। মাছটা পেয়ে আমার বিরাট উপকার হলো। এখন দেনাগুলো পরিশোধ করেও সংসারের জন্য কিছু করতে পারব।

আড়ৎদার রেজাউল ইসলাম জানান, মাছটি সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা এক হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে কিনে নেন।

মৎস্য ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা বলেন, পদ্মার বড় মাছের চাহিদা অনেক।
মাছটি কিছু লাভে বিক্রির জন্য ফেরিঘাটের পন্টুনে বেঁধে রেখেছি। মাছটি বিক্রির জন্য আমার পরিচিত কিছু বড় ব্যবসায়ীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করছি।

এক বাগাড়ের দাম ৪৮ হাজার টাকা

 গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাগাড় মাছ
ছবি: যুগান্তর

গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে ৩৭ কেজি ওজনের একটি বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। মাছটি এক হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে মোট ৪৮ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

রোববার ভোরে গোয়ালন্দের পদ্মা নদীর চর কর্নেশনা এলাকা থেকে বিশালাকৃতির ওই মাছটি ধরেন মানিকগঞ্জের জেলে গোবিন্দ হালদার।

মাছটি তিনি দৌলতদিয়াঘাটের এক ব্যবসায়ীর কাছে এক হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে মোট ৪৮ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি করেছেন।

জেলে গোবিন্দ হালদার জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার দিনগত রাতে পদ্মায় জাল ফেলে মাছ ধরতে যাই। মধ্যরাতে জালটি টেনে তুলতেই দেখি বিশাল একটি বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। সকালে মাছটি বিক্রি করার জন্য দৌলতদিয়াঘাটে রেজাউল ইসলামের আড়তে নিয়ে ভালো দামে বিক্রি করি।

মাছটির ভালো দাম পেয়ে আমার ভালো লাগছে। দীর্ঘদিন ভালো মাছ না পেয়ে বেশ কিছু ধারদেনা হয়ে গিয়েছিল। মাছটা পেয়ে আমার বিরাট উপকার হলো। এখন দেনাগুলো পরিশোধ করেও সংসারের জন্য কিছু করতে পারব।

আড়ৎদার রেজাউল ইসলাম জানান, মাছটি সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা এক হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে কিনে নেন।

মৎস্য ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা বলেন, পদ্মার বড় মাছের চাহিদা অনেক।
মাছটি কিছু লাভে বিক্রির জন্য ফেরিঘাটের পন্টুনে বেঁধে রেখেছি। মাছটি বিক্রির জন্য আমার পরিচিত কিছু বড় ব্যবসায়ীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন