প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য 
jugantor
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য 

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:০৯:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

গত ২৫ সেপ্টেম্বর দৈনিক যুগান্তরের অনলাইন সংস্করণে ‘অফিস কক্ষে ঢুকে রাজশাহী বোর্ডের সচিব ও উপপরিচালককে হেনস্তা’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটির প্রতিবাদ করেছেন রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের পক্ষে তার বোর্ডের গণসংযোগ কর্মকর্তা সুলতানা শামীমা আক্তার।

প্রতিবাদে দাবি করা হয়েছে, ‘বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহা. মোকবুল হোসেনের সঙ্গে প্রেষণে দায়িত্বরত পাঁচ কর্মকর্তার দ্বন্দ্ব ওপেন সিক্রেট’ বিষয়ে যা বলা হয়েছে তা অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বোর্ডের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সমস্যা সমাধানে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং সংবাদে বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সংক্ষুব্ধ, মর্মাহত ও বিব্রত হয়েছেন বলেও প্রতিবাদে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদকের বক্তব্য:
সংবাদটি ধারণা প্রসূত ভিত্তিহীন ও অসত্য নয়। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যকার দ্বন্দ্ব রয়েছে; যা যুগান্তরের কাছে আসা শিক্ষা বোর্ডের প্রাসঙ্গিক নথিপত্রে স্পষ্ট হয়েছে।

সংবাদটির সঙ্গে সংযুক্ত সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, একজন জুনিয়র কর্মকর্তা বোর্ডের দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও প্রশাসনিক প্রধান, বোর্ড সচিব প্রফেসর ড. মোয়াজ্জেম হোসেনকে হাত তুলে চড় মারতে উদ্যত হয়েছেন। একই জুনিয়র কর্মকর্তা হিসাব বিভাগের উপপরিচালককে সচিবের কক্ষ থেকে টেনে বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। আলোচিত ওই কর্মকর্তা দরজার সামনে বোর্ড সচিবকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার ঘটনাটিও ফুটেজে আছে।

প্রেষণে দায়িত্বরত পাঁচ কর্মকর্তার অন্যতম বোর্ড সচিবের সঙ্গে চেয়ারম্যানের দ্বন্দ্ব অনেক দিন ধরে চলছে; যা যুগান্তরের হাতে আসা কিছু নথিপত্রেও স্পষ্ট হয়েছে। ঘটনার ১২ দিন পরও রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার জন্য দায়ী কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি- সংবাদে এ বিষয়টিও উল্লেখ রয়েছে।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে অভ্যন্তরীণ সমস্যা রয়েছে, যে বিষয়টি বোর্ড চেয়ারম্যানের প্রতিবাদপত্রেও স্বীকার করা হয়েছে। সংবাদে বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোকবুল হোসেনের বক্তব্য রয়েছে। সংবাদটি সঠিক তথ্যের ভিত্তিতেই করা হয়েছে; যা ধারণা প্রসূত ও অসত্য নয়।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য 

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:০৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গত ২৫ সেপ্টেম্বর দৈনিক যুগান্তরের অনলাইন সংস্করণে ‘অফিস কক্ষে ঢুকে রাজশাহী বোর্ডের সচিব ও উপপরিচালককে হেনস্তা’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটির প্রতিবাদ করেছেন রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের পক্ষে তার বোর্ডের গণসংযোগ কর্মকর্তা সুলতানা  শামীমা আক্তার। 

প্রতিবাদে দাবি করা হয়েছে, ‘বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহা. মোকবুল হোসেনের সঙ্গে প্রেষণে দায়িত্বরত পাঁচ কর্মকর্তার দ্বন্দ্ব ওপেন সিক্রেট’ বিষয়ে যা বলা হয়েছে তা অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বোর্ডের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সমস্যা সমাধানে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং সংবাদে বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সংক্ষুব্ধ, মর্মাহত ও বিব্রত হয়েছেন বলেও প্রতিবাদে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদকের বক্তব্য:
সংবাদটি ধারণা প্রসূত ভিত্তিহীন ও অসত্য নয়। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যকার দ্বন্দ্ব রয়েছে; যা যুগান্তরের কাছে আসা শিক্ষা বোর্ডের প্রাসঙ্গিক নথিপত্রে স্পষ্ট হয়েছে।

সংবাদটির সঙ্গে সংযুক্ত সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, একজন জুনিয়র কর্মকর্তা বোর্ডের দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও প্রশাসনিক প্রধান, বোর্ড সচিব প্রফেসর ড. মোয়াজ্জেম হোসেনকে হাত তুলে চড় মারতে উদ্যত হয়েছেন। একই জুনিয়র কর্মকর্তা হিসাব বিভাগের উপপরিচালককে সচিবের কক্ষ থেকে টেনে বাইরে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। আলোচিত ওই কর্মকর্তা দরজার সামনে বোর্ড সচিবকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার ঘটনাটিও ফুটেজে আছে। 

প্রেষণে দায়িত্বরত পাঁচ কর্মকর্তার অন্যতম বোর্ড সচিবের সঙ্গে চেয়ারম্যানের দ্বন্দ্ব অনেক দিন ধরে চলছে; যা যুগান্তরের হাতে আসা কিছু নথিপত্রেও স্পষ্ট হয়েছে। ঘটনার ১২ দিন পরও রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ঘটে যাওয়া এ ঘটনার জন্য দায়ী কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি- সংবাদে এ বিষয়টিও উল্লেখ রয়েছে।  

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে অভ্যন্তরীণ সমস্যা রয়েছে, যে বিষয়টি বোর্ড চেয়ারম্যানের প্রতিবাদপত্রেও স্বীকার করা হয়েছে। সংবাদে বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোকবুল হোসেনের বক্তব্য রয়েছে। সংবাদটি সঠিক তথ্যের ভিত্তিতেই করা হয়েছে; যা ধারণা প্রসূত ও অসত্য নয়। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন