যুবলীগ নেতা হত্যায় মেয়রসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা
jugantor
যুবলীগ নেতা হত্যায় মেয়রসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

  পটুয়াখালী ও দক্ষিণ প্রতিনিধি  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:০৯:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর বাউফলের আলোচিত যুবলীগকর্মী তাপস হত্যার মামলায় পটুয়াখালীর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাউফল পৌর মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

রোববার পটুয়াখালীর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. আল আমিনের আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে পিবিআই পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন কর্তৃক আদালতে দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদন নামঞ্জুর হয়। মামলায় অনুপস্থিত আসামিদের বিরুদ্ধেও সমন জারি করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি অ্যাডভোকেট মো. রিপন খান বলেন, যুবলীগকর্মী তাপস কুমার দাস (২৯) হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলসহ ১৬ জন আসামিকে অব্যাহতি দিয়ে পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনের ওপর অনাস্থা আবেদন করলে আদালত পিবিআইয়ের প্রতিবেদন নামঞ্জুর করে, মূল এজাহারে ধারায় মামলা আমলে নেন।

এ সময় অনুপস্থিত প্রধান আসামি বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

এ বিষয়ে মামলার বাদী ও নিহত তাপসের বড়ভাই পঙ্কজ দাস বলেন, পিবিআইর তদন্ত চলাকালীন কর্মকর্তা আব্দুল মতিনের কর্মকাণ্ড সন্দেহ হওয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন করি। টাকার বিনিময়ে তদন্ত কর্মকর্তা মতিন প্রধান আসামি মেয়র জুয়েলসহ ১৬ জন আসামিকে অব্যাহিত দিয়েছে। আদালত পিবিআইর তদন্ত প্রতিবেদন নামঞ্জুর করে, আমার এজাহার আমলে নিয়েছেন। মেয়রসহ ১৪ জন অনুপস্থিত আসামির গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

গত বছর ২৪ মে বাউফল থানার সামনে পৌর মেয়র অনুসারীর ছুরিকাঘাতে নিহত হয় কালাইয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সদস্য তাপস কুমার দাস (২৯)। এ ঘটনায় নিহত তাপসের বড়ভাই পঙ্কজ দাস বাউফল পৌর মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলকে প্রধান আসামি করে ৩৫ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন।

যুবলীগ নেতা হত্যায় মেয়রসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

 পটুয়াখালী ও দক্ষিণ প্রতিনিধি 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পটুয়াখালীর বাউফলের আলোচিত যুবলীগকর্মী তাপস হত্যার মামলায় পটুয়াখালীর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাউফল পৌর মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

রোববার পটুয়াখালীর অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. আল আমিনের আদালত এ আদেশ দেন।

এর আগে পিবিআই পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন কর্তৃক আদালতে দাখিলকৃত তদন্ত প্রতিবেদন নামঞ্জুর হয়। মামলায় অনুপস্থিত আসামিদের বিরুদ্ধেও সমন জারি করা হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি অ্যাডভোকেট মো. রিপন খান বলেন, যুবলীগকর্মী তাপস কুমার দাস (২৯) হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলসহ ১৬ জন আসামিকে অব্যাহতি দিয়ে পিবিআই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনের ওপর অনাস্থা আবেদন করলে আদালত পিবিআইয়ের প্রতিবেদন নামঞ্জুর করে, মূল এজাহারে ধারায় মামলা আমলে নেন।

এ সময় অনুপস্থিত প্রধান আসামি বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

এ বিষয়ে মামলার বাদী ও নিহত তাপসের বড়ভাই পঙ্কজ দাস বলেন, পিবিআইর তদন্ত চলাকালীন কর্মকর্তা আব্দুল মতিনের কর্মকাণ্ড সন্দেহ হওয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে আদালতে আবেদন করি। টাকার বিনিময়ে তদন্ত কর্মকর্তা মতিন প্রধান আসামি মেয়র জুয়েলসহ ১৬ জন আসামিকে অব্যাহিত দিয়েছে। আদালত পিবিআইর তদন্ত প্রতিবেদন নামঞ্জুর করে, আমার এজাহার আমলে নিয়েছেন। মেয়রসহ ১৪ জন অনুপস্থিত আসামির গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

গত বছর ২৪ মে বাউফল থানার সামনে পৌর মেয়র অনুসারীর ছুরিকাঘাতে নিহত হয় কালাইয়া ইউনিয়ন যুবলীগ সদস্য তাপস কুমার দাস (২৯)। এ ঘটনায় নিহত তাপসের বড়ভাই পঙ্কজ দাস বাউফল পৌর মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলকে প্রধান আসামি করে ৩৫ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন