স্কুলপড়ুয়া শিশুটি বিরল রোগে আক্রান্ত
jugantor
স্কুলপড়ুয়া শিশুটি বিরল রোগে আক্রান্ত

  কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:০৩:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের চিথোলিয়া গ্রামের সোহেল মিয়ার শিশুসন্তান সায়েম (১২) জন্ম থেকেই বিরল রোগে আক্রান্ত। সায়েম বিরল রোগে আক্রান্ত হয়েও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ালেখা চালিয়ে গেছে।

সায়েম অসুস্থতা নিয়ে পঞ্চম শ্রেণি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। দিন দিন সায়েমের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় অদম্য ইচ্ছাশক্তি থাকা সত্ত্বেও আর হাইস্কুলে ভর্তি হতে পারেনি।

এ রোগে তার দুই পা ফুলে অস্বাভাবিক মোটা হয়েছে। যার ফলে সে হাঁটতে পারছে না। দুই পা দিয়ে রক্ত বের হয় ও ব্যথার যন্ত্রণায় ভুগছে।

সন্তানের সুস্থতার জন্য চিকিৎসা করেও কোনো সুফল পায়নি তার পরিবার। দিন দিন শিশুটির শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় মা-বাবা দুশ্চিন্তায় ভুগছেন। বাঁচার আকুতি জানিয়ে সায়েম অপলক দৃষ্টিতে সবার প্রতি চেয়ে থাকে।

এ রোগটির আমাদের দেশে ট্রিটমেন্টের ব্যবস্থা আছে কিনা তা পরিবারের জানা নেই। তবে অনেক বিশেষজ্ঞের মতে এ ধরনের বিরল রোগের চিকিৎসা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতি বছর বিনা খরচে ট্রিটমেট/অপারেশনের জন্য বিদেশি ডাক্তারদের সমন্বয়ে টিম আসে।

এই শিশুটির সুচিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক সহায়তা কামনা করেছে শিশুটির পরিবার।

বাংলাদেশ আইন সহায়তা কেন্দ্র (বাসক) কেন্দুয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক মামুনুল কবীর খান হলি অজানা রোগে আক্রান্ত শিশুটির সুস্থতার জন্য দেশে কোনো চিকিৎসা থাকলে ডাক্তারদের সহযোগিতা চেয়েছেন। অন্যথায় বিনা খরচে বিদেশি ডাক্তার নিয়ে সমন্বয় টিম গঠন করে শিশুটির চিকিৎসা করার জন্য সরকারের সদয় দৃষ্টি কামনা করেন।

স্কুলপড়ুয়া শিশুটি বিরল রোগে আক্রান্ত

 কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার চিরাং ইউনিয়নের চিথোলিয়া গ্রামের সোহেল মিয়ার শিশুসন্তান সায়েম (১২) জন্ম থেকেই বিরল রোগে আক্রান্ত। সায়েম বিরল রোগে আক্রান্ত হয়েও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ালেখা চালিয়ে গেছে।

সায়েম অসুস্থতা নিয়ে পঞ্চম শ্রেণি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। দিন দিন সায়েমের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় অদম্য ইচ্ছাশক্তি থাকা সত্ত্বেও আর হাইস্কুলে ভর্তি হতে পারেনি।

এ রোগে তার দুই পা ফুলে অস্বাভাবিক মোটা হয়েছে। যার ফলে সে হাঁটতে পারছে না। দুই পা দিয়ে রক্ত বের হয় ও ব্যথার যন্ত্রণায় ভুগছে।

সন্তানের সুস্থতার জন্য চিকিৎসা করেও কোনো সুফল পায়নি তার পরিবার। দিন দিন শিশুটির শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায় মা-বাবা দুশ্চিন্তায় ভুগছেন। বাঁচার আকুতি জানিয়ে সায়েম অপলক দৃষ্টিতে সবার প্রতি চেয়ে থাকে।  

এ রোগটির আমাদের দেশে ট্রিটমেন্টের ব্যবস্থা আছে কিনা তা পরিবারের জানা নেই। তবে অনেক বিশেষজ্ঞের মতে এ ধরনের বিরল রোগের চিকিৎসা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং 
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতি বছর বিনা খরচে ট্রিটমেট/অপারেশনের জন্য বিদেশি ডাক্তারদের সমন্বয়ে টিম আসে।

এই শিশুটির সুচিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক সহায়তা কামনা করেছে শিশুটির পরিবার।

বাংলাদেশ আইন সহায়তা কেন্দ্র (বাসক) কেন্দুয়া শাখার  সাধারণ সম্পাদক মামুনুল কবীর খান হলি অজানা রোগে আক্রান্ত শিশুটির সুস্থতার জন্য দেশে কোনো চিকিৎসা থাকলে ডাক্তারদের সহযোগিতা চেয়েছেন। অন্যথায় বিনা খরচে বিদেশি ডাক্তার নিয়ে সমন্বয় টিম গঠন করে শিশুটির চিকিৎসা করার জন্য সরকারের সদয় দৃষ্টি কামনা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন