এনামুল এখন পুলিশের খাঁচায়
jugantor
এনামুল এখন পুলিশের খাঁচায়

  গোলাপগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:২৫:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্যবসার কথা বলে কয়েক লাখ টাকা আত্মসাৎ করে এলাকা থেকে পালিয়ে গিয়েছিল সিলেটের গোলাপগঞ্জের নিশ্চিন্ত গ্রামের এনামুল হক। অল্পপুঁজিতে বেশি লাভের প্রলোভন দেখিয়ে এক চাকরিজীবীর কাছ থেকে সে টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়।

এ ঘটনায় থানায় মামলা হওয়ার পর সে হয়ে যায় লাপাত্তা। গোলাপগঞ্জ ছেড়ে প্রথমে সিলেট শহরে এরপর হবিগঞ্জে; সর্বশেষ সে আস্তানা গাড়ে নরসিংদীতে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি তার। থানার চৌকস পুলিশের এসআই ফয়জুল করিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিশ্চিত করেন।

শনিবার রাতে তাকে নরসিংদীর পলাশ থানার ঘোড়াশাল এলাকা থেকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এখন এনামুল রয়েছে শ্রীঘরে।

মামলা ও থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ফাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের নিশ্চিত গ্রামের মো. এনামুল হক ফার্মেসির ব্যবসার কথা বলে তার পার্শ্ববর্তী গ্রামের আল আদাদ লস্কর রুকনের কাছ থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা নেন। ব্যবসার অংশীদার করার কথা বলে টাকা নেওয়ার পর সে হয়ে যায় নিরুদ্দেশ। এরপর তাকে হন্যে হয়ে খুঁজতে থাকে সরকারি ওই চাকরিজীবী।

কিন্তু কোনো উপায়ন্তর না পেয়ে তিনি প্রতারণার অভিযোগ এনে দুইটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই সে সিলেট শহর ছেড়ে চলে যায় হবিগঞ্জে। কিছুদিন সেখানে অবস্থান করার পর আবারো স্থান বদল করে চলে যায় নরসিংদীর পলাশ থানার ঘোড়াশাল এলাকায়।

এনামুলকে ধরতে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত থাকলে সে তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবস্থান করে নরসিংদীতে। সেখানে সে ছদ্মবেশ ধারণ করে বসবাস করছিল। সেখানেও অনেক লোকের সঙ্গে সে প্রতারণা করেছে বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।

থানার এসআই ফয়জুল করিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শনিবার রাতে তাকে নরসিংদীর পলাশ থানার ঘোড়াশাল এলাকা থেকে গ্রেফতার করে শ্রীঘরে পাঠিয়েছে। অভিযানে অংশ নেন এসআই জাহাঙ্গীর আলম ও এএসআই মনিরুল ইসলাম।

দুইটি মামলার বাদী আল আদাদ লস্কর রুকন যুগান্তরকে জানান, এনামুলের প্রতারণার কারণে আজ আমি পথে বসার উপক্রম হয়েছি। আমার চাকরি জীবনে লোন নিয়েছিলাম কিছু একটা করব। সে আমার কাছ থেকে প্রতারণা করে সাড়ে ৯ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

থানার এসআই ফয়জুল করিম রোববার যুগান্তরকে বলেন, গ্রেফতারকৃত এনামুল হকের বিরুদ্ধে ৫টি মামলা আছে। এসব মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি সে। এর মধ্যে ৩টি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ছিল।

এনামুল এখন পুলিশের খাঁচায়

 গোলাপগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:২৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্যবসার কথা বলে কয়েক লাখ টাকা আত্মসাৎ করে এলাকা থেকে পালিয়ে গিয়েছিল সিলেটের গোলাপগঞ্জের নিশ্চিন্ত গ্রামের এনামুল হক। অল্পপুঁজিতে বেশি লাভের প্রলোভন দেখিয়ে এক চাকরিজীবীর কাছ থেকে সে টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়।

এ ঘটনায় থানায় মামলা হওয়ার পর সে হয়ে যায় লাপাত্তা। গোলাপগঞ্জ ছেড়ে প্রথমে সিলেট শহরে এরপর হবিগঞ্জে; সর্বশেষ সে আস্তানা গাড়ে নরসিংদীতে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি তার। থানার চৌকস পুলিশের এসআই ফয়জুল করিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান নিশ্চিত করেন।

শনিবার রাতে তাকে নরসিংদীর পলাশ থানার ঘোড়াশাল এলাকা থেকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। এখন এনামুল রয়েছে শ্রীঘরে।

মামলা ও থানা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ফাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের নিশ্চিত গ্রামের মো. এনামুল হক ফার্মেসির ব্যবসার কথা বলে তার পার্শ্ববর্তী গ্রামের আল আদাদ লস্কর রুকনের কাছ থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা নেন। ব্যবসার অংশীদার করার কথা বলে টাকা নেওয়ার পর সে হয়ে যায় নিরুদ্দেশ। এরপর তাকে হন্যে হয়ে খুঁজতে থাকে সরকারি ওই চাকরিজীবী।

কিন্তু কোনো উপায়ন্তর না পেয়ে তিনি প্রতারণার অভিযোগ এনে দুইটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পরপরই সে সিলেট শহর ছেড়ে চলে যায় হবিগঞ্জে। কিছুদিন সেখানে অবস্থান করার পর আবারো স্থান বদল করে চলে যায় নরসিংদীর পলাশ থানার ঘোড়াশাল এলাকায়।

এনামুলকে ধরতে পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত থাকলে সে তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে অবস্থান করে নরসিংদীতে। সেখানে সে ছদ্মবেশ ধারণ করে বসবাস করছিল। সেখানেও অনেক লোকের সঙ্গে সে প্রতারণা করেছে বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।

থানার এসআই ফয়জুল করিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শনিবার রাতে তাকে নরসিংদীর পলাশ থানার ঘোড়াশাল এলাকা থেকে গ্রেফতার করে শ্রীঘরে পাঠিয়েছে। অভিযানে অংশ নেন এসআই জাহাঙ্গীর আলম ও এএসআই মনিরুল ইসলাম।

দুইটি মামলার বাদী আল আদাদ লস্কর রুকন যুগান্তরকে জানান, এনামুলের প্রতারণার কারণে আজ আমি পথে বসার উপক্রম হয়েছি। আমার চাকরি জীবনে লোন নিয়েছিলাম কিছু একটা করব। সে আমার কাছ থেকে প্রতারণা করে সাড়ে ৯ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

থানার এসআই ফয়জুল করিম রোববার যুগান্তরকে বলেন, গ্রেফতারকৃত এনামুল হকের বিরুদ্ধে ৫টি মামলা আছে। এসব মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি সে। এর মধ্যে ৩টি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন