জমির আইল কাটা নিয়ে বিরোধ, ছোটভাইয়ের মৃত্যু
jugantor
জমির আইল কাটা নিয়ে বিরোধ, ছোটভাইয়ের মৃত্যু

  শেরপুর প্রতিনিধি  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:৫৭:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরপুর সদর উপজেলায় জমির আইল কাটার ঘটনা নিয়ে দুই ভাইয়ের ঝগড়া এবং বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ছোটভাই লাল মামুদ (৫৬) মারা গেছেন। রোববার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার চরমোচারিয়া ইউনিয়নের হরিণধরা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ওই গ্রামের মৃত হাফেজ উদ্দিনের দুই ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য লাল মামুদ (৫৬) ও তার বড়ভাই মো. ছানোয়ার হোসেনের (৬০) সঙ্গে জমির আইল কাটার ঘটনা নিয়ে ঝগড়া এবং বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ছোটভাই লাল মামুদ মারা গেছেন।

এ মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ওই দুই পরিবারের মধ্যে চলছে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য। এ ঘটনায় শেরপুর সদর থানা পুলিশ লাল মামুদের মৃতদেহ উদ্ধার করে মৃত্যুরহস্য উদঘাটন ও ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।

শেরপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বন্দে আলী জানান, শেরপুর সদর উপজেলার হরিণধরা গ্রামের মৃত হাফেজ উদ্দিনের বড়ছেলে ছানোয়ার হোসেন (৬০) ও ছোট ছেলে লাল মামুদের (৫৬) জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। রোববার দুপুর ১২টার দিকে লাল মামুদ মেম্বার বাড়ির পাশের জমিতে কোদাল দিয়ে কাজ করার সময় তার বড়ভাই ছানোয়ার হোসেনের ক্ষেতের আইল বেশি কেটে ফেলে।

এ সময় ছানোয়ার হোসেন আইল কাটার প্রতিবাদ করে এবং বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে লাল মামুদকে মারতে গেলে সে তাৎক্ষণিক সেখানে জ্ঞান হারায়। পরে তাকে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যায়।

খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ হান্নান মিয়া ও সদর থানার ওসি (তদন্ত) বন্দে আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল গিয়ে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

পরিদর্শক (তদন্ত) আরও জানান, সুরতহাল রিপোর্টে মৃতদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে লাল মামুদ মেম্বারের মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।

জমির আইল কাটা নিয়ে বিরোধ, ছোটভাইয়ের মৃত্যু

 শেরপুর প্রতিনিধি 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শেরপুর সদর উপজেলায় জমির আইল কাটার ঘটনা নিয়ে দুই ভাইয়ের ঝগড়া এবং বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ছোটভাই লাল মামুদ (৫৬) মারা গেছেন। রোববার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার চরমোচারিয়া ইউনিয়নের হরিণধরা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ওই গ্রামের মৃত হাফেজ উদ্দিনের দুই ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য লাল মামুদ  (৫৬) ও তার বড়ভাই মো. ছানোয়ার হোসেনের (৬০) সঙ্গে জমির আইল কাটার ঘটনা নিয়ে ঝগড়া এবং বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ছোটভাই লাল মামুদ মারা গেছেন।

এ মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে ওই দুই পরিবারের মধ্যে চলছে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য। এ ঘটনায় শেরপুর সদর থানা পুলিশ লাল মামুদের মৃতদেহ উদ্ধার করে মৃত্যুরহস্য উদঘাটন ও ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।

শেরপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বন্দে আলী জানান, শেরপুর সদর উপজেলার হরিণধরা গ্রামের মৃত হাফেজ উদ্দিনের বড়ছেলে ছানোয়ার হোসেন (৬০) ও ছোট ছেলে লাল মামুদের (৫৬) জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। রোববার দুপুর ১২টার দিকে লাল মামুদ মেম্বার বাড়ির পাশের জমিতে কোদাল দিয়ে কাজ করার সময় তার বড়ভাই ছানোয়ার হোসেনের ক্ষেতের আইল বেশি কেটে ফেলে।

এ সময় ছানোয়ার হোসেন আইল কাটার প্রতিবাদ করে এবং বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে লাল মামুদকে মারতে গেলে সে তাৎক্ষণিক সেখানে জ্ঞান হারায়। পরে তাকে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মারা যায়।

খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ হান্নান মিয়া ও সদর থানার ওসি (তদন্ত) বন্দে আলী সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল গিয়ে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে।

পরিদর্শক (তদন্ত) আরও জানান, সুরতহাল রিপোর্টে মৃতদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে লাল মামুদ মেম্বারের মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন