ঘুরে আসুন চিনামাটির পাহাড়ে সবুজে ঘেরা হ্রদ
jugantor
ঘুরে আসুন চিনামাটির পাহাড়ে সবুজে ঘেরা হ্রদ

  ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:০০:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ঘুরে আসুন চিনামাটির পাহাড়ে সবুজে ঘেরা হ্রদ

কর্মজীবনের সব ব্যস্ততা থেকে একটুখানি ছুটি নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন চিনামাটির পাহাড়ে সবুজে ঘেরা হৃদ। ভারতের মেঘালয় রাজ্যঘেঁষা ময়মনসিংহের ধোবাউড়া সীমান্ত এলাকা পুটিমারীতে এর অবস্থান।

প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে অথবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই লীলাভূমি। এখানকার মূল আকর্ষণ হচ্ছে চিনামাটির পাহাড়। আর শুনতে অবাক লাগলেও এখানে দেখা মিলবে সবুজে ঘেরা হ্রদেরও।

চিনামাটির পাহাড়ে এলে আপনাকে কিছুক্ষণের জন্য সব ক্লান্তি-অবসাদ ভুলিয়ে দেবে। এখানে রয়েছে চিনামাটির সাদা ও লাল রঙের পাহাড়। যার বুকচিরে জেগে উঠেছে নীলচে সবুজ রঙের হ্রদ। সাদামাটি পানির রঙকে যেন আরও গাঢ় করে দিয়েছে। বিচিত্র আবহাওয়া, কাশবন আর দূরের আকাশে হেলান দিয়ে গারো পাহাড়ের ধ্যানমগ্ন প্রকৃতি সৌন্দর্যপিপাসুদের মন কেড়ে নেয়।

পুটিমারী এলাকায় পাহাড়জুড়ে রয়েছে সাদামাটি। কিছু কিছু জায়গায় লালচে মাটিও দেখা যায়। পাহাড় থেকে মাটি কাটায় সেখানে হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। যার পানি কোথাও নীল আবার কোথাও লাল। এই হ্রদের নীল পানি যেন আপনার সব অবসাদ ও ক্লান্তি দূর করে দেবে।

আর পাশেই চিনামাটির পাহাড়ের পাদদেশ দিয়ে বয়ে গেছে সোমেশ্বরী নদী। এই নদীর নীল জলে সাদা চিনামাটির পাহাড়ের প্রতিবিম্ব যেন এক অলৌকিক সৌন্দর্যের প্রতীক। নিরিবিলি পরিবেশ আপনার মনে প্রশান্তি এনে দিতে পারে এ স্থানটি। এমন পরিবেশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকলেও যেন ক্লান্তি আসতে চাইবে না।

স্থানটি ভ্রমণের সবচেয়ে ভালো সময় হচ্ছে শীতকাল। তবে এখানে ভারতের এখনও প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে ভ্রমণে আসছেন সৌন্দর্যপিপাসুরা।

এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান ডেভিড রানা চিসিম ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাফিকুজ্জামান জানান, স্থানটি পর্যটননগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ সদর থেকে বাসযোগে ধোবাউড়া হয়ে সরাসরি পুটিমারী যাওয়া যাবে। এ ছাড়া ময়মনসিংহ থেকে সিএনজিযোগে ধোবাউড়া এসে ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল দিয়ে পুটিমারী যাওয়া যায়।

ঘুরে আসুন চিনামাটির পাহাড়ে সবুজে ঘেরা হ্রদ

 ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ঘুরে আসুন চিনামাটির পাহাড়ে সবুজে ঘেরা হ্রদ
ছবি: যুগান্তর

কর্মজীবনের সব ব্যস্ততা থেকে একটুখানি ছুটি নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন চিনামাটির পাহাড়ে সবুজে ঘেরা হৃদ।  ভারতের মেঘালয় রাজ্যঘেঁষা ময়মনসিংহের ধোবাউড়া সীমান্ত এলাকা পুটিমারীতে এর অবস্থান।

প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে অথবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই লীলাভূমি। এখানকার  মূল আকর্ষণ হচ্ছে চিনামাটির পাহাড়।  আর শুনতে অবাক লাগলেও এখানে দেখা মিলবে সবুজে ঘেরা হ্রদেরও।

চিনামাটির পাহাড়ে এলে আপনাকে কিছুক্ষণের জন্য সব ক্লান্তি-অবসাদ ভুলিয়ে দেবে।  এখানে রয়েছে চিনামাটির সাদা ও লাল রঙের পাহাড়। যার বুকচিরে জেগে উঠেছে নীলচে সবুজ রঙের হ্রদ।  সাদামাটি পানির রঙকে যেন আরও গাঢ় করে দিয়েছে। বিচিত্র আবহাওয়া, কাশবন আর দূরের আকাশে হেলান দিয়ে গারো পাহাড়ের ধ্যানমগ্ন প্রকৃতি সৌন্দর্যপিপাসুদের মন কেড়ে নেয়।

পুটিমারী এলাকায় পাহাড়জুড়ে রয়েছে সাদামাটি। কিছু কিছু জায়গায় লালচে মাটিও দেখা যায়। পাহাড় থেকে মাটি কাটায় সেখানে হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। যার পানি কোথাও নীল আবার কোথাও লাল। এই হ্রদের নীল পানি যেন আপনার সব অবসাদ ও ক্লান্তি দূর করে দেবে।

আর পাশেই চিনামাটির পাহাড়ের পাদদেশ দিয়ে বয়ে গেছে সোমেশ্বরী নদী। এই নদীর নীল জলে সাদা চিনামাটির পাহাড়ের প্রতিবিম্ব যেন এক অলৌকিক সৌন্দর্যের প্রতীক। নিরিবিলি পরিবেশ আপনার মনে প্রশান্তি এনে দিতে পারে এ স্থানটি। এমন পরিবেশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকলেও যেন ক্লান্তি আসতে চাইবে না।

স্থানটি ভ্রমণের সবচেয়ে ভালো সময় হচ্ছে শীতকাল। তবে এখানে ভারতের এখনও প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে ভ্রমণে আসছেন সৌন্দর্যপিপাসুরা।

এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান ডেভিড রানা চিসিম ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাফিকুজ্জামান জানান, স্থানটি পর্যটননগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

ময়মনসিংহ সদর থেকে বাসযোগে ধোবাউড়া হয়ে সরাসরি পুটিমারী যাওয়া যাবে। এ ছাড়া ময়মনসিংহ থেকে সিএনজিযোগে ধোবাউড়া এসে ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল দিয়ে পুটিমারী যাওয়া যায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন