রাজশাহীতে ৫৭ ধারার মামলায় একজনের ১০ বছর কারাদণ্ড
jugantor
রাজশাহীতে ৫৭ ধারার মামলায় একজনের ১০ বছর কারাদণ্ড

  রাজশাহী ব্যুরো  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:১৫:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীতে তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার মামলায় এক ব্যক্তিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার সকালে রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

আসামির নাম গোলাম রসুল (৩৫)। তিনি বগুড়ার কাহালু উপজেলার পাঁচগ্রাম গ্রামের বাসিন্দা। কারাদণ্ডের পাশাপাশি গোলাম রসুলকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও ছয় মাস কারাভোগ করতে হবে আসামিকে।

আসামি পলাতক আছেন। তার অনুপস্থিতিতেই এ রায় ঘোষণা করেন আদালত। আসামিকে গ্রেফতারের পর রায় কার্যকর হবে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা জানান, স্ত্রী-সন্তানের কথা গোপন রেখে গোলাম রসুল এক তরুণীকে মোবাইল ফোনে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর ওই তরুণী গোলাম রসুলের স্ত্রী-সন্তানের কথা জানতে পারেন। এরপর ২০১৬ সালের ২১ আগস্ট তিনি রসুলকে তালাক দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন গোলাম রসুল।

তালাক দেওয়ার তিন দিন পর ২৪ আগস্ট ভোরে ওই তরুণীর বাবা বাড়ির সামনে একটি খাম পান। খামের ভেতরে ছিল ওই তরুণীর কিছু নগ্ন ছবি। এসব ছবি রসুল তুলে রেখেছিলেন। এ ঘটনায় সেদিনই ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা থানায় অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ রসুলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার কম্পিউটারে রাখা ওই তরুণীর ৩৯টি নগ্ন ছবি পায়। এ সময় জব্দ করা হয় কম্পিউটার।

এ ঘটনায় রসুলের বিরুদ্ধে কাহালু থানায় তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় একটি মামলা করেন ওই তরুণীর বাবা। পুলিশ আসামি গোলাম রসুলকে গ্রেফতারও করে। পরে জামিন পেয়ে তিনি লাপাত্তা হয়ে যান। তাই বিচার শেষে আসামির অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করলেন আদালত।

রাজশাহীতে ৫৭ ধারার মামলায় একজনের ১০ বছর কারাদণ্ড

 রাজশাহী ব্যুরো 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীতে তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার মামলায় এক ব্যক্তিকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার সকালে রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

আসামির নাম গোলাম রসুল (৩৫)। তিনি বগুড়ার কাহালু উপজেলার পাঁচগ্রাম গ্রামের বাসিন্দা। কারাদণ্ডের পাশাপাশি গোলাম রসুলকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও ছয় মাস কারাভোগ করতে হবে আসামিকে।

আসামি পলাতক আছেন। তার অনুপস্থিতিতেই এ রায় ঘোষণা করেন আদালত। আসামিকে গ্রেফতারের পর রায় কার্যকর হবে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা জানান, স্ত্রী-সন্তানের কথা গোপন রেখে গোলাম রসুল এক তরুণীকে মোবাইল ফোনে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর ওই তরুণী গোলাম রসুলের স্ত্রী-সন্তানের কথা জানতে পারেন। এরপর ২০১৬ সালের ২১ আগস্ট তিনি রসুলকে তালাক দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন গোলাম রসুল।

তালাক দেওয়ার তিন দিন পর ২৪ আগস্ট ভোরে ওই তরুণীর বাবা বাড়ির সামনে একটি খাম পান। খামের ভেতরে ছিল ওই তরুণীর কিছু নগ্ন ছবি। এসব ছবি রসুল তুলে রেখেছিলেন। এ ঘটনায় সেদিনই ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা থানায় অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ রসুলের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার কম্পিউটারে রাখা ওই তরুণীর ৩৯টি নগ্ন ছবি পায়। এ সময় জব্দ করা হয় কম্পিউটার।

এ ঘটনায় রসুলের বিরুদ্ধে কাহালু থানায় তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় একটি মামলা করেন ওই তরুণীর বাবা। পুলিশ আসামি গোলাম রসুলকে গ্রেফতারও করে। পরে জামিন পেয়ে তিনি লাপাত্তা হয়ে যান। তাই বিচার শেষে আসামির অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করলেন আদালত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন