মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ ও হত্যায় ১ জনের ফাঁসি
jugantor
মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ ও হত্যায় ১ জনের ফাঁসি

  ফরিদপুর ব্যুরো  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:২৩:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্রী রুপালী খানম (২০) ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় জিন্দার আলী শেখকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক প্রদীপ কুমার রায় এ দণ্ডাদেশ ঘোষণা করেন। এছাড়া আসামিকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

রায় ঘোষণার সময় আসামি জিন্দার আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, জেলার বোয়ালমারী উপজেলার মো. মোসলেম মোল্যার কন্যা স্থানীয় আবু জাফর সিদ্দিকীয়া সিনিয়র মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্রী রুপালী বেগমকে বিভিন্ন সময় উত্ত্যক্ত করতো একই এলাকার জিন্দার আলী শেখ ওরফে পলাশ। পরে রুপালীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়া হলে তার পরিবার সে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। এরপর থেকেই রুপালী খানমকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

২০১০ সালের ২০ মে রুপালী বেগম বাড়ি থেকে বের হয়ে কাশিয়ানী উপজেলার নড়াইল ইসলামিক ফাউন্ডেশন হাসপাতালে যাওবার পথে নিখোঁজ হয়। রুপালী খানমের পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খুঁজেও কোথাও তাকে পায়নি। পরদিন ২১ মে টোংরাইল-বনমালিপুর রাস্তার পাশের একটি খাদে রুপালী বেগমের গলাকাটা ও নগ্ন অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সুরতহাল রিপোর্টে ধর্ষণ শেষে হত্যার প্রমাণ মেলে।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা মোসলেম মোল্যা বাদী হয়ে ২২ মে জিন্দার আলীসহ তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার আর্জিতে তিনি উল্লেখ করেন, তার মেয়েকে বিভিন্ন সময় উত্ত্যক্ত করত জিন্দার আলী ওরফে পলাশ। পরে বিয়ের প্রস্তাব দিলে জিন্দার আলী অশিক্ষিত বলে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর জিন্দার আলী ক্ষিপ্ত হয়ে রুপালীকে হত্যার হুমকি দেয়। জিন্দার আলী তার দুই সহযোগী সবুজ ও আকলিমাকে দিয়ে রুপালী খানমকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ শেষে গলা কেটে হত্যা করে।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী স্বপন কুমার পাল বলেন, বাদীপক্ষ ন্যায়বিচার পেয়েছে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ধনঞ্জয় বল বলেন, আসামি ন্যায়বিচার পাননি। উচ্চ আদালতে তারা আপিল করবেন।

মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ ও হত্যায় ১ জনের ফাঁসি

 ফরিদপুর ব্যুরো 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফরিদপুরে মাদ্রাসাছাত্রী রুপালী খানম (২০) ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় জিন্দার আলী শেখকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক প্রদীপ কুমার রায় এ দণ্ডাদেশ ঘোষণা করেন। এছাড়া আসামিকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

রায় ঘোষণার সময় আসামি জিন্দার আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, জেলার বোয়ালমারী উপজেলার মো. মোসলেম মোল্যার কন্যা স্থানীয় আবু জাফর সিদ্দিকীয়া সিনিয়র মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্রী রুপালী বেগমকে বিভিন্ন সময় উত্ত্যক্ত করতো একই এলাকার জিন্দার আলী শেখ ওরফে পলাশ। পরে রুপালীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়া হলে তার পরিবার সে প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। এরপর থেকেই রুপালী খানমকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

২০১০ সালের ২০ মে রুপালী বেগম বাড়ি থেকে বের হয়ে কাশিয়ানী উপজেলার নড়াইল ইসলামিক ফাউন্ডেশন হাসপাতালে যাওবার পথে নিখোঁজ হয়। রুপালী খানমের পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খুঁজেও কোথাও তাকে পায়নি। পরদিন ২১ মে টোংরাইল-বনমালিপুর রাস্তার পাশের একটি খাদে রুপালী বেগমের গলাকাটা ও নগ্ন অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সুরতহাল রিপোর্টে ধর্ষণ শেষে হত্যার প্রমাণ মেলে।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা মোসলেম মোল্যা বাদী হয়ে ২২ মে জিন্দার আলীসহ তিনজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার আর্জিতে তিনি উল্লেখ করেন, তার মেয়েকে বিভিন্ন সময় উত্ত্যক্ত করত জিন্দার আলী ওরফে পলাশ। পরে বিয়ের প্রস্তাব দিলে জিন্দার আলী অশিক্ষিত বলে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর জিন্দার আলী ক্ষিপ্ত হয়ে রুপালীকে হত্যার হুমকি দেয়। জিন্দার আলী তার দুই সহযোগী সবুজ ও আকলিমাকে দিয়ে রুপালী খানমকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ শেষে গলা কেটে হত্যা করে।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী স্বপন কুমার পাল বলেন, বাদীপক্ষ ন্যায়বিচার পেয়েছে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ধনঞ্জয় বল বলেন, আসামি ন্যায়বিচার পাননি। উচ্চ আদালতে তারা আপিল করবেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন