বজ্রপাতে গরুসহ পুড়ল পাঁচ বসতঘর
jugantor
বজ্রপাতে গরুসহ পুড়ল পাঁচ বসতঘর

  লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি   

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:৩৩:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

লাকসাম

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায় বজ্রপাতের আগুনে ৫টি বসতঘর ছাই ও দুটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার মধ্যরাতে কান্দিরপাড়া ইউনিয়নের অশ্বতলা ও ভাকড্ডা গ্রামে বজ্রপাতের অগ্নিকাণ্ডে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার মধ্যরাতে মুষলধারে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। বজ্রপাতে এ সময় বিদ্যুতের লাইনে আগুন ধরে যায়। একপর্যায়ে অশ্বতলা গ্রামের হাজেরা বেগমের বসতঘরে আগুন ধরে যায়। পরে আগুন সখিনা বেগম, লতিফা বেগম ও আবদুল মজিদের বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। বসতঘরে ঘুমিয়ে থাকা স্বজনরা আগুন দেখে পাশের বাড়িতে আশ্রয় নেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ না করায় এলাকাবাসী এগিয়ে এলেও আগুন নেভাতে পারেননি।

পরে লাকসাম ফায়ার সার্ভিসে ফোন করলে দমকল বাহিনীর সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এর মধ্যেই দুটি পরিবারের ৫টি ঘর আগুনে পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, অগ্নিকাণ্ডে আবদুল মজিদের ছেলে আরিফ হোসেনকে বিদেশে পাঠানোর জন্য শনিবার তার শশুরের কাছ থেকে ধার করে আনা ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও দুইটি পাসপোর্টসহ ১৫ লাখ টাকার সম্পদ আগুনে পুড়ে গেছে। এছাড়াও লতিফা বেগমের ৫ লাখ, সখিনা বেগমের নগদ টাকাসহ ৪ লাখ ও হাজেরা বেগমের ঘরে থাকা নগদ টাকা, ধান, চাল ও আসবাপত্র পুড়ে গিয়ে ৪টি ঘরের আগুনে প্রায় ২৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

অপরদিকে রাত ৩টায় বজ্রপাতে একই ইউনিয়নের ভাকড্ডা গ্রামের কৃষক মমতাজ মিয়ার ২টি গরু মারা যায়।

লাকসাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহাদাত হোসেন যুগান্তরকে বলেন, আমরা রাত ৪টা ৫ মিনিটে খবর পাই। স্টেশন অফিসার ফয়েজ আহমদের নেতৃত্বে অগ্নিনির্বাপক দল ৪টা ১১ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অল্প সময়েই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একেএম সাইফুল আলম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) দেবেশ চন্দ্র দাস ও কান্দিরপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. ওমর ফারুক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেন।

বজ্রপাতে গরুসহ পুড়ল পাঁচ বসতঘর

 লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
লাকসাম
ক্ষতিগ্রস্তদের পুড়ে যাওয়া বাড়ি। ছবি: যুগান্তর

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায় বজ্রপাতের আগুনে ৫টি বসতঘর ছাই ও দুটি গরুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার মধ্যরাতে কান্দিরপাড়া ইউনিয়নের অশ্বতলা ও ভাকড্ডা গ্রামে বজ্রপাতের অগ্নিকাণ্ডে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার মধ্যরাতে মুষলধারে বৃষ্টিপাত শুরু হয়। বজ্রপাতে এ সময় বিদ্যুতের লাইনে আগুন ধরে যায়। একপর্যায়ে অশ্বতলা গ্রামের হাজেরা বেগমের বসতঘরে আগুন ধরে যায়। পরে আগুন সখিনা বেগম, লতিফা বেগম ও আবদুল মজিদের বসতঘরে ছড়িয়ে পড়ে। বসতঘরে ঘুমিয়ে থাকা স্বজনরা আগুন দেখে পাশের বাড়িতে আশ্রয় নেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ না করায় এলাকাবাসী এগিয়ে এলেও আগুন নেভাতে পারেননি।

পরে লাকসাম ফায়ার সার্ভিসে ফোন করলে দমকল বাহিনীর সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এর মধ্যেই দুটি পরিবারের ৫টি ঘর আগুনে পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, অগ্নিকাণ্ডে আবদুল মজিদের ছেলে আরিফ হোসেনকে বিদেশে পাঠানোর জন্য শনিবার তার শশুরের কাছ থেকে ধার করে আনা ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও দুইটি পাসপোর্টসহ ১৫ লাখ টাকার সম্পদ আগুনে পুড়ে গেছে। এছাড়াও লতিফা বেগমের ৫ লাখ, সখিনা বেগমের নগদ টাকাসহ ৪ লাখ ও হাজেরা বেগমের ঘরে থাকা নগদ টাকা, ধান, চাল ও আসবাপত্র পুড়ে গিয়ে ৪টি ঘরের আগুনে প্রায় ২৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

অপরদিকে রাত ৩টায় বজ্রপাতে একই ইউনিয়নের ভাকড্ডা গ্রামের কৃষক মমতাজ মিয়ার ২টি গরু মারা যায়। 

লাকসাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহাদাত হোসেন যুগান্তরকে বলেন, আমরা রাত ৪টা ৫ মিনিটে খবর পাই। স্টেশন অফিসার ফয়েজ আহমদের নেতৃত্বে অগ্নিনির্বাপক দল ৪টা ১১ মিনিটে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অল্প সময়েই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে। 

মঙ্গলবার সকালে লাকসাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একেএম সাইফুল আলম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) দেবেশ চন্দ্র দাস ও কান্দিরপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. ওমর ফারুক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন