বাসচাপায় চারজনের মৃত্যু: সেই চালকের ৪ বছরের কারাদণ্ড
jugantor
বাসচাপায় চারজনের মৃত্যু: সেই চালকের ৪ বছরের কারাদণ্ড

  যুগান্তর প্রতিবেদন, টাঙ্গাইল   

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩৮:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বাসচাপা

বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে মৃত্যু ঘটানোর দায়ে টাঙ্গাইলে এক গাড়িচালকের চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজেস্ট্রেট সাউদ হাসান মঙ্গলবার এই রায় দেন।

দণ্ডিত ব্যক্তির নাম রাশেদুল ইসলাম। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদিনের ছেলে। মামলার রায়ে তাকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে নয় মাসের কারাদণ্ডের কথা বলা হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১ আগস্ট বিকালে দণ্ডিত রাশেদুল বাস চালিয়ে জামালপুরের তারাকান্দি থেকে ঢাকা যাচ্ছিলেন। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার গুল্লা এলাকায় একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও তিনজনের মৃত্যু হয়।

পরে বাসাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সাত্তার বাদী হয়ে বাসচালক রাশেদুলের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে এসআই আব্দুস সাত্তার ২০০৯ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে চালকের বিরুদ্ধে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে মৃত্যু ঘটানো এবং গুরুতর জখম ও গাড়ির ক্ষতি সাধনের অভিযোগ আনা হয়।

বিচারক মৃত্যু ঘটানোর অভিযোগে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। এছাড়া গাড়ির ক্ষতি সাধনের অভিযোগে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ে এই সাজা পর্যাক্রমে কার্যকর করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত বাসচালক রাশেদুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বাসচাপায় চারজনের মৃত্যু: সেই চালকের ৪ বছরের কারাদণ্ড

 যুগান্তর প্রতিবেদন, টাঙ্গাইল  
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বাসচাপা
প্রতীকী ছবি

বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে মৃত্যু ঘটানোর দায়ে টাঙ্গাইলে এক গাড়িচালকের চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজেস্ট্রেট সাউদ হাসান মঙ্গলবার এই রায় দেন।

দণ্ডিত ব্যক্তির নাম রাশেদুল ইসলাম। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদিনের ছেলে। মামলার রায়ে তাকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে নয় মাসের কারাদণ্ডের কথা বলা হয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৮ সালের ১ আগস্ট বিকালে দণ্ডিত রাশেদুল বাস চালিয়ে জামালপুরের তারাকান্দি থেকে ঢাকা যাচ্ছিলেন। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার গুল্লা এলাকায় একটি যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও তিনজনের মৃত্যু হয়। 

পরে বাসাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুস সাত্তার বাদী হয়ে বাসচালক রাশেদুলের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে এসআই আব্দুস সাত্তার ২০০৯ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে চালকের বিরুদ্ধে বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে মৃত্যু ঘটানো এবং গুরুতর জখম ও গাড়ির ক্ষতি সাধনের অভিযোগ আনা হয়।

বিচারক মৃত্যু ঘটানোর অভিযোগে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। এছাড়া গাড়ির ক্ষতি সাধনের অভিযোগে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ে এই সাজা পর্যাক্রমে কার্যকর করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত বাসচালক রাশেদুল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন