সুপারি বাগানে গলাকাটা লাশ
jugantor
সুপারি বাগানে গলাকাটা লাশ

  দৌলতখান (ভোলা) প্রতিনিধি  

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৫০:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলার দৌলতখানে সুপারি বাগান থেকে আব্দুস সাত্তার নামে পঞ্চাশোর্ধ এক ব্যক্তির গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের নবীউল্লাহ হাওলাদার বাড়ির পাশের সুপারি বাগান থেকে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়।

আব্দুস সাত্তার ওই বাড়ির মৃত সোনা মিয়া হাওলাদারের ছেলে।

স্বজনরা জানান, নিহত আব্দুস সাত্তারের বাড়ির পাশে একটি বড় সুপারি বাগান রয়েছে। ওই বাগানের সুপারি চুরি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তিনি গত এক মাস যাবত বাগানের টংঘরে রাত্রিযাপন করছিলেন। মঙ্গলবার রাতেও সুপারি পাহারা দিয়ে টং ঘরেই রাত্রিযাপন করেন।

বুধবার ফজরের নামাজ পড়তে আসা পাশের বাড়ির জসিম মসজিদের চাবি তার (আব্দুস সাত্তার) কাছ থেকে আনতে গেলে তার গলাকাটা লাশ দেখে চিৎকার দিয়ে ওঠেন। এ সময় অন্য মুসল্লি ও স্থানীয়রা জসিমের চিৎকার শুনে ছুটে আসেন। পরে খবর পেয়ে দৌলতখান থানার ওসি বজলার রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। লাশের পাশ থেকে একটি দা উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, নিহত আব্দুস সাত্তার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কারণে অবিবাহিত ছিলেন। তিনি বছরের বেশির ভাগ সময়ই তাবলিগ জামাতে থাকতেন। কারও সঙ্গে তার কোনো বিরোধ বা দ্বন্দ্ব ছিল না বলে স্থানীয়রা জানান।

দৌলতখান থানার ওসি বজলার রহমান জানান, লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ এ মুহূর্তে জানা না গেলেও এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এ ঘটনায় ভোলা জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মাদ কায়সার ও দৌলতখান উপজেলা চেয়ারম্যান মনজুর আলম খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

সুপারি বাগানে গলাকাটা লাশ

 দৌলতখান (ভোলা) প্রতিনিধি 
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলার দৌলতখানে সুপারি বাগান থেকে আব্দুস সাত্তার নামে পঞ্চাশোর্ধ এক ব্যক্তির গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের নবীউল্লাহ হাওলাদার বাড়ির পাশের সুপারি বাগান থেকে ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়।

আব্দুস সাত্তার ওই বাড়ির মৃত সোনা মিয়া হাওলাদারের ছেলে।

স্বজনরা জানান, নিহত আব্দুস সাত্তারের বাড়ির পাশে একটি বড় সুপারি বাগান রয়েছে। ওই বাগানের সুপারি চুরি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তিনি গত এক মাস যাবত বাগানের টংঘরে রাত্রিযাপন করছিলেন। মঙ্গলবার রাতেও সুপারি পাহারা দিয়ে টং ঘরেই  রাত্রিযাপন করেন।

বুধবার ফজরের নামাজ পড়তে আসা পাশের বাড়ির জসিম মসজিদের চাবি তার (আব্দুস সাত্তার) কাছ থেকে আনতে গেলে তার গলাকাটা লাশ দেখে চিৎকার দিয়ে ওঠেন। এ সময় অন্য মুসল্লি ও স্থানীয়রা জসিমের চিৎকার শুনে ছুটে আসেন। পরে খবর পেয়ে দৌলতখান থানার ওসি বজলার রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। লাশের পাশ থেকে একটি দা উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, নিহত আব্দুস সাত্তার শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কারণে অবিবাহিত ছিলেন। তিনি বছরের বেশির ভাগ সময়ই তাবলিগ জামাতে থাকতেন। কারও সঙ্গে তার কোনো বিরোধ বা দ্বন্দ্ব ছিল না বলে স্থানীয়রা জানান।

দৌলতখান থানার ওসি বজলার রহমান জানান, লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ এ মুহূর্তে জানা না গেলেও এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এ ঘটনায় ভোলা জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মাদ কায়সার ও দৌলতখান উপজেলা চেয়ারম্যান মনজুর আলম খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন