পুড়ে যাওয়া মাদ্রাসাছাত্রীকে ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ, মামলা
jugantor
পুড়ে যাওয়া মাদ্রাসাছাত্রীকে ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ, মামলা

  নাটোর প্রতিনিধি   

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৪৯:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোর সদরের উলুপুরে মাদ্রাসায় রান্নার পর গরম ভাত ও ভাতের মাড়ে পুড়ে যাওয়া ছাত্রী ইয়াসমিন খাতুনকে (১১) ঘরে আটকে রাখার অভিযোগে বুধবার রাতে মাদ্রাসার শিক্ষক, তার স্ত্রী এবং শিক্ষকের বাবার নামে নাটোর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার বাদী সদরের চরলক্ষীকোল গ্রামের ইমরান আলী। তিনি অভিযোগ করেন, সদরের উলুপুর গ্রামের সোহবার হোসেন, তার স্ত্রী সালমা বেগম ও তার বাবা মো. বাবুলতাদের বাড়িতেই তালেমুন নেছা হাফিজিয়া মহিলা মাদ্রাসা নামে একটি মাদ্রাসা পরিচালনা করেন। তিন বছর আগে তিনি তার মেয়ে ইয়াসমিন খাতুনকে ওই মাদ্রাসায় ভর্তি করেন।

মাদ্রাসায় নিয়মিত বাচ্চা মেয়েদের দিয়ে ভাত রান্নাসহ শিক্ষক তার পরিবারের সব কাজ করান। গত শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার আগে ইয়াসমিন ভাত রান্না করে পাতিল নিয়ে ঘরে ঢোকার সময় পড়ে যায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সোহবার হোসেন ও তার স্ত্রী সালমা বেগম তার মেয়েকে ধাক্কা দিয়ে গরম ভাত ও ভাতের মাড়ের উপর ফেলে দেন। এতে ইয়াসমিনের শরীরের বিভিন্ন স্থানঝলসে যায়।

এ ঘটনার পর সোহবার হোসেন ও তার স্ত্রী সালমা বেগম আহত ছাত্রীকে হাসপাতালে না নিয়ে বাড়িতে আটকে রাখেন। চারদিন পর লোকমুখে খবর পেয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবালোকজন নিয়ে এসে মেয়েকে উদ্ধার করে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

তালেমুন নেছা হাফিজিয়া মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা সোহবার হোসেন গরম ভাত ও ভাতের মাড়ের উপর ফেলে দেওয়া ও আটকে রাখার অভিযোগ অস্বীকার বলেন, হঠাৎ পড়ে গিয়ে এমন ঘটনা ঘটেছে। মাদ্রাসার ছোট ছোট বাচ্চাদের দিয়ে কেন রান্না করানো হয়, এমন প্রশ্নের জবাব দেননি তিনি।

নাটোর থানার ওসি মুনসুর রহমান বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুড়ে যাওয়া মাদ্রাসাছাত্রীকে ঘরে আটকে রাখার অভিযোগ, মামলা

 নাটোর প্রতিনিধি  
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নাটোর সদরের উলুপুরে মাদ্রাসায় রান্নার পর গরম ভাত ও ভাতের মাড়ে পুড়ে যাওয়া ছাত্রী ইয়াসমিন খাতুনকে (১১) ঘরে আটকে রাখার অভিযোগে বুধবার রাতে মাদ্রাসার শিক্ষক, তার স্ত্রী এবং শিক্ষকের বাবার নামে নাটোর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

মামলার বাদী সদরের চরলক্ষীকোল গ্রামের ইমরান আলী। তিনি অভিযোগ করেন, সদরের উলুপুর গ্রামের সোহবার হোসেন, তার স্ত্রী সালমা বেগম ও তার বাবা মো. বাবুল তাদের বাড়িতেই তালেমুন নেছা হাফিজিয়া মহিলা মাদ্রাসা নামে একটি মাদ্রাসা পরিচালনা করেন। তিন বছর আগে তিনি তার মেয়ে ইয়াসমিন খাতুনকে ওই মাদ্রাসায় ভর্তি করেন।

মাদ্রাসায় নিয়মিত বাচ্চা মেয়েদের দিয়ে ভাত রান্নাসহ শিক্ষক তার পরিবারের সব কাজ করান। গত শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার আগে ইয়াসমিন ভাত রান্না করে পাতিল নিয়ে ঘরে ঢোকার সময় পড়ে যায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সোহবার হোসেন ও তার স্ত্রী সালমা বেগম তার মেয়েকে ধাক্কা দিয়ে গরম ভাত ও ভাতের মাড়ের উপর ফেলে দেন। এতে ইয়াসমিনের শরীরের বিভিন্ন স্থান ঝলসে যায়।

এ ঘটনার পর সোহবার হোসেন ও তার স্ত্রী সালমা বেগম আহত ছাত্রীকে হাসপাতালে না নিয়ে বাড়িতে আটকে রাখেন। চারদিন পর লোকমুখে খবর পেয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা লোকজন নিয়ে এসে মেয়েকে উদ্ধার করে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। 

তালেমুন নেছা হাফিজিয়া মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা সোহবার হোসেন গরম ভাত ও ভাতের মাড়ের উপর ফেলে দেওয়া ও আটকে রাখার অভিযোগ অস্বীকার বলেন, হঠাৎ পড়ে গিয়ে এমন ঘটনা ঘটেছে। মাদ্রাসার ছোট ছোট বাচ্চাদের দিয়ে কেন রান্না করানো হয়, এমন প্রশ্নের জবাব দেননি তিনি। 

নাটোর থানার ওসি মুনসুর রহমান বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন