কমলনগরে ভাঙাচোরা সলিং সড়কে হাজারো গ্রামবাসীর দুর্ভোগ
jugantor
কমলনগরে ভাঙাচোরা সলিং সড়কে হাজারো গ্রামবাসীর দুর্ভোগ

  সাজ্জাদুর রহমান, রামগতি (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি  

০১ অক্টোবর ২০২১, ১৬:০৬:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের আমানিয়া সড়কটি গত ২৭ বছরেও মেরামত হয়নি। ইটের সলিং উঠে খানাখন্দে এক কিলোমিটার সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এমন ভাঙাচোরা সড়ক দিয়ে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন তিন ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ।

উপজেলা সদর হাজিরহাটের উত্তর পাশে চাইল্ড কেয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনের সড়কটি আমানিয়াসড়ক নামে পরিচিত। হাজিরহাট ইউনিয়নে সড়কটির অবস্থান হলেও চর ফলকন ইউনিয়ন ও সাহেবেরহাট ইউনিয়নের হাজার হাজার লোক চলাচল করে এ পথে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, চাইল্ড কেয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনের সড়ক থেকে ভুলাগো বাড়ি পর্যন্ত এক কিলোমিটার রাস্তার বিভিন্ন স্থানে ইটের সলিং উঠে গেছে। ভেঙে গেছে ইট। ফাঁকা হয়ে গেছে ইটের সলিং। বছরের পর বছর কোনো মেরামত না হওয়ায় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

সলিংয়ের ইট সরে গিয়ে রাস্তার দুই পাশ ভেঙে পড়ছে। এখন দুর্ঘটনা এড়াতে এই সড়ক দিয়ে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান-টলি চলাচল করছে না।

স্থানীয়রা জানান, ১৯৯৪ সালে কাঁচা রাস্তায় ইটের সলিং করা হয়। এর পর ২৭ বছর পার হয়ে গেলেও রাস্তার উন্নয়নের আর কোনো কাজ করা হয়নি। নির্মাণের পর থেকে এ রাস্তায় কোনো সংস্কার হয়নি। এভাবেই বছরের পর বছর চলছে, মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. মঞ্জুর হোসেন বলেন, বেহাল দশার কারণে রাস্তাটিতে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। বাজার থেকে এক বস্তা চাল আনতেও রাজি করাতে পারি না রিকশাচালককে। এলাকার কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়াও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

কলেজ ছাত্র শাওন ও শুভ বলেন, এই সড়ক দিয়ে বাইসাইকেলও চালিয়ে যাওয়া যায় না। সলিং রাস্তার ইট সরে যাওয়ায় এখন পায়ে হাঁটাও কষ্টকর। এতে সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।

কমলনগর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সোহেল আনোয়ার বলেন, সড়কটির উত্তর অংশ পাকা করা হয়েছে। রাস্তাটির বাকি অংশের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কমলনগরে ভাঙাচোরা সলিং সড়কে হাজারো গ্রামবাসীর দুর্ভোগ

 সাজ্জাদুর রহমান, রামগতি (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি 
০১ অক্টোবর ২০২১, ০৪:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের আমানিয়া সড়কটি গত ২৭ বছরেও মেরামত হয়নি। ইটের সলিং উঠে খানাখন্দে এক কিলোমিটার সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এমন ভাঙাচোরা সড়ক দিয়ে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন তিন ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ।

উপজেলা সদর হাজিরহাটের উত্তর পাশে চাইল্ড কেয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনের সড়কটি আমানিয়া সড়ক নামে পরিচিত। হাজিরহাট ইউনিয়নে সড়কটির অবস্থান হলেও চর ফলকন ইউনিয়ন ও সাহেবেরহাট ইউনিয়নের হাজার হাজার লোক চলাচল করে এ পথে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, চাইল্ড কেয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনের সড়ক থেকে ভুলাগো বাড়ি পর্যন্ত এক কিলোমিটার রাস্তার বিভিন্ন স্থানে ইটের সলিং উঠে গেছে। ভেঙে গেছে ইট। ফাঁকা হয়ে গেছে ইটের সলিং। বছরের পর বছর কোনো মেরামত না হওয়ায় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। 

সলিংয়ের ইট সরে গিয়ে রাস্তার দুই পাশ ভেঙে পড়ছে। এখন দুর্ঘটনা এড়াতে এই সড়ক দিয়ে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান-টলি চলাচল করছে না। 

স্থানীয়রা জানান, ১৯৯৪ সালে কাঁচা রাস্তায় ইটের সলিং করা হয়। এর পর ২৭ বছর পার হয়ে গেলেও রাস্তার উন্নয়নের আর কোনো কাজ করা হয়নি। নির্মাণের পর থেকে এ রাস্তায় কোনো সংস্কার হয়নি। এভাবেই বছরের পর বছর চলছে, মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেই।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. মঞ্জুর হোসেন বলেন, বেহাল দশার কারণে রাস্তাটিতে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। বাজার থেকে এক বস্তা চাল আনতেও রাজি করাতে পারি না রিকশাচালককে। এলাকার কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে  হাসপাতালে নেওয়াও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। 

কলেজ ছাত্র শাওন ও শুভ বলেন, এই সড়ক দিয়ে বাইসাইকেলও চালিয়ে যাওয়া যায় না। সলিং রাস্তার ইট সরে যাওয়ায় এখন পায়ে হাঁটাও কষ্টকর। এতে সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে।

কমলনগর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সোহেল আনোয়ার বলেন, সড়কটির উত্তর অংশ পাকা করা হয়েছে। রাস্তাটির বাকি অংশের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন