কুকুরে কবুতরের বাচ্চা খেয়ে ফেলায় স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা!
jugantor
কুকুরে কবুতরের বাচ্চা খেয়ে ফেলায় স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা!

  জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি  

০২ অক্টোবর ২০২১, ১৭:৪৮:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

আত্মহত্যা

নীলফামারীর জলঢাকায় আব্দুল্লাহ আল মামুন (১০) নামে চতুর্থ শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রেরগলায় ওড়না পেঁচানো লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সে শিমুলবাড়ি এলাকায় একটি কিন্ডার গার্টেন স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ছিল।

মৃত স্কুলছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন দিনাজপুরের বিরল উপজেলার তেঘরা মহেশপুর এলাকার সুজ্জাত আলীর ছেলে। তার বাবা ব্র্যাকের ক্ষুদ্রঋণ শাখায় মাঠকর্মী হিসেবে কর্মরত। বাবার সঙ্গে সে উপজেলার শিমুলবাড়ি ইউনিয়নের দিয়াবাড়ি বাজারপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকত।

এলাকাবাসী জানান, বোনের কবুতরের বাচ্চাকুকুর খেয়ে ফেলায় মামুন খুব ভয়ে ছিল। এই ভয় থেকেই শুক্রবার বিকালের কোনো এক সময় ভাড়া বাসায় সে বোনের ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

সূত্র জানায়, মামুনের জন্মের ১ বছর পর তার মা মারা যায়। তখন থেকে দুই ভাই এক বোনসহ বাবার কাছেই থাকেন তারা। বড় ভাই সাকিব ও বড় বোন কয়েকদিন আগে দিনাজপুরে গিয়েছিলেন। ঘটনার দিন বাসায় মামুন ও তার বাবাই ছিলেন।

এ বিষয়ে মীরগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুর রহিম বলেন, শিশু মামুন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে তার গলায় কোনো দাগ না পাওয়ায় লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুকুরে কবুতরের বাচ্চা খেয়ে ফেলায় স্কুলছাত্রের আত্মহত্যা!

 জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি 
০২ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আত্মহত্যা
প্রতীকী ছবি

নীলফামারীর জলঢাকায় আব্দুল্লাহ আল মামুন (১০) নামে চতুর্থ শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রের গলায় ওড়না পেঁচানো লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সে শিমুলবাড়ি এলাকায় একটি কিন্ডার গার্টেন স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ছিল।

মৃত স্কুলছাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন দিনাজপুরের বিরল উপজেলার তেঘরা মহেশপুর এলাকার সুজ্জাত আলীর ছেলে। তার বাবা ব্র্যাকের ক্ষুদ্রঋণ শাখায় মাঠকর্মী হিসেবে কর্মরত। বাবার সঙ্গে সে উপজেলার শিমুলবাড়ি ইউনিয়নের দিয়াবাড়ি বাজারপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকত।

এলাকাবাসী জানান, বোনের কবুতরের বাচ্চা কুকুর খেয়ে ফেলায় মামুন খুব ভয়ে ছিল। এই ভয় থেকেই শুক্রবার বিকালের কোনো এক সময় ভাড়া বাসায় সে বোনের ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

সূত্র জানায়, মামুনের জন্মের ১ বছর পর তার মা মারা যায়। তখন থেকে দুই ভাই এক বোনসহ বাবার কাছেই থাকেন তারা। বড় ভাই সাকিব ও বড় বোন কয়েকদিন আগে দিনাজপুরে গিয়েছিলেন। ঘটনার দিন বাসায় মামুন ও তার বাবাই ছিলেন।

এ বিষয়ে মীরগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুর রহিম বলেন, শিশু মামুন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। তবে তার গলায় কোনো দাগ না পাওয়ায় লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন