মাধবপুরে চা বাগানে সমন্বিত বালাইনাশক ব্যবস্থাপনা সেমিনার
jugantor
মাধবপুরে চা বাগানে সমন্বিত বালাইনাশক ব্যবস্থাপনা সেমিনার

  মাধবপুর (হবিগঞ্জ ) প্রতিনিধি  

০৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:২৪:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের মাধবপুরে চা বাগানে সমন্বিত বালাইনাশক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দিনব্যাপী সুরমা বাগান কোম্পানির বাংলোতে সুরমা চা বাগান ও ইস্পাহানি এগ্রো লিমিটেড আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ চা গবেষণা পরিচালক ড. মোহাম্মদ আলী।

এতে বক্তব্য রাখেন— ফিনলে চা কোম্পানির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) তাহসিন আহমেদ চৌধুরী, ইস্পাহানি অ্যাগ্রো লিমিটেড উপদেষ্টা ড. সৈয়দ নূরুল আলম, সুরমা চা বাগানের ব্যবস্থাপক আবুল কাশেম দেওন্দি, জিএম রিয়াজ আহম্মেদ, তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম, চণ্ডিছড়া চা বাগান ব্যবস্থাপক মুরাদ চৌধুরী প্রমুখ।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সারাবিশ্ব এখন সোচ্চার। এ অবস্থায় বাংলাদেশের চা শিল্পকে আন্তর্জাতিক বাজারে তুলে ধরতে দেশে সমন্বিত বালাইনাশক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

বক্তারা বলেন, এ পদ্ধতি ব্যবহার করলে চায়ের উৎপাদন ব্যয় কমার পাশাপাশি বাড়বে চা উৎপাদনের পরিমাণ ও গুণগত মান। পরে তারা সুরমা চা বাগানের যেসব সেকশনে সমন্বিত বালাইনাশক ব্যবস্থাপনা প্রয়োগ করা হচ্ছে, সেগুলো ঘুরে দেখেন।

সুরমা চা বাগানের ব্যবস্থাপক আবুল কাসেম বলেন, ২০১৯ সালে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক খাতে এক কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল। কিন্তু ২০২১ সালে সমন্বিত বালাইনাশক ব্যবস্থাপনায় ব্যয় কমে দাড়িয়েছে ৪৭ লাখ টাকায়।

এতে চা উৎপাদন খরচ অনেক সাশ্রয় হয়েছে। এ পদ্ধতিতে চা উৎপাদন করায় চা বাগানে পোকামাকড়ের উপদ্রব কমে গেছে। সেমিনারে মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন চা বাগানের ব্যবস্থাপক ও চা বিশেষজ্ঞ অংশগ্রহণ করেন।

মাধবপুরে চা বাগানে সমন্বিত বালাইনাশক ব্যবস্থাপনা সেমিনার

 মাধবপুর (হবিগঞ্জ ) প্রতিনিধি 
০৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের মাধবপুরে চা বাগানে সমন্বিত বালাইনাশক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার দিনব্যাপী সুরমা বাগান কোম্পানির বাংলোতে সুরমা চা বাগান ও ইস্পাহানি এগ্রো লিমিটেড আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ চা গবেষণা পরিচালক ড. মোহাম্মদ আলী।

এতে বক্তব্য রাখেন— ফিনলে চা কোম্পানির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) তাহসিন আহমেদ চৌধুরী, ইস্পাহানি অ্যাগ্রো লিমিটেড উপদেষ্টা ড. সৈয়দ নূরুল আলম, সুরমা চা বাগানের ব্যবস্থাপক আবুল কাশেম দেওন্দি, জিএম  রিয়াজ আহম্মেদ, তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম, চণ্ডিছড়া চা বাগান ব্যবস্থাপক মুরাদ চৌধুরী প্রমুখ।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে সারাবিশ্ব এখন সোচ্চার। এ অবস্থায় বাংলাদেশের চা শিল্পকে আন্তর্জাতিক বাজারে তুলে ধরতে দেশে সমন্বিত বালাইনাশক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।

বক্তারা বলেন, এ পদ্ধতি ব্যবহার করলে চায়ের উৎপাদন ব্যয় কমার পাশাপাশি বাড়বে চা উৎপাদনের পরিমাণ ও গুণগত মান। পরে তারা সুরমা চা বাগানের যেসব সেকশনে সমন্বিত বালাইনাশক ব্যবস্থাপনা প্রয়োগ করা হচ্ছে, সেগুলো ঘুরে দেখেন।

সুরমা চা বাগানের ব্যবস্থাপক আবুল কাসেম বলেন, ২০১৯ সালে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক খাতে এক কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছিল। কিন্তু ২০২১ সালে সমন্বিত বালাইনাশক ব্যবস্থাপনায় ব্যয় কমে দাড়িয়েছে ৪৭ লাখ টাকায়।

এতে চা উৎপাদন খরচ অনেক সাশ্রয় হয়েছে। এ পদ্ধতিতে চা উৎপাদন করায় চা বাগানে পোকামাকড়ের উপদ্রব কমে গেছে। সেমিনারে মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন চা বাগানের ব্যবস্থাপক ও চা বিশেষজ্ঞ অংশগ্রহণ করেন।   

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন