উৎসবের আমেজে ইলিশের মেলা
jugantor
উৎসবের আমেজে ইলিশের মেলা

  গলাচিপা ও দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

০৪ অক্টোবর ২০২১, ২২:২৬:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা কেন্দ্র করে রোববার দুপুর থেকে পটুয়াখালীর গলাচিপার সাগরপাড়ের হাটবাজার ও মাছঘাটগুলোতে রীতিমতো উৎসবের আমেজে বসেছিল ‘ইলিশ মেলা’; যা কোথাও কোথাও চলেছে রাতভর।

ইলিশ কিনতে নেমেছিল মানুষের ঢল। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকেও দলবেঁধে মানুষ এসেছে শহরের হাটবাজারে। অন্য বছরের তুলনায় এবার দাম বেশ কিছুটা বেশি হলেও কমবেশি ইলিশ অনেকেই কিনেছেন। বিক্রেতারাও ছিলেন খুশির আমেজে।

অনেক হাটবাজারে মাইক বাজিয়ে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে ইলিশ মেলার। বেচাকেনার শেষ দিনে ব্যাপক আগ্রহ প্রমাণ করে ইলিশ প্রকৃতই বাঙালির প্রাণের মাছ এবং মাছের রাজা।

রোববার মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে এই নিষেধাজ্ঞা। ব্যাপক প্রচারণা ও সরকারি প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের তৎপরতায় নিষেধাজ্ঞার ক্ষণ শুরুর অনেক আগেই গভীর সাগরসহ নদ-নদী থেকে জেলেরা ফিরে এসেছে ঘাটে।

সোমবার বেশ কয়েকটি বাজারসহ মাছঘাটগুলো ঘুরে দেখা গেছে, সর্বত্রই সুনসান নীরবতা। একদিন আগের মানুষের সরগরম উধাও হয়ে গেছে। আড়তসহ বরফমিলগুলোতে ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে তালা। কোথাও ইলিশের নামগন্ধ নেই। চারদিকে ছুটির আমেজ।

অথচ এর একদিন আগে রোববার দুপুর থেকে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপকূলীয় হাটবাজারগুলোতে ছিল ভিন্নচিত্র। দশমিনা, রাঙ্গাবালী, বাউফল ও গলাচিপার কয়েকটি ছোট-বড় মাছের বাজার ও মৎস্যঘাট ঘুরে সর্বত্র মানুষের ঢল দেখা গেছে। বেলা যত কমে এসেছে, মানুষের ঢল তত বেড়েছে। কোথাও কোথাও প্রায় সারা রাত মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে।

একদিকে আগামী ২২ দিন ইলিশ মিলবে না। আরেকদিকে জেলেসহ আড়তদাররা তাদের জমানো সব ইলিশ নিষেধাজ্ঞার ক্ষণ শুরুর আগেই বাজারে ছাড়বে। তাই কমবে ইলিশের দাম। এমনকি ইলিশ পানির দরে বিক্রি হতে পারে, এমন আশায় মূলত মানুষের ঢল নেমেছিল।

গলাচিপা পূর্ব মৎস্য বাজারের আড়তদার কুদ্দুস ও খালেক জানান, মধ্যরাত পর্যন্ত ইলিশ কিনতে নেমেছিল মানুষের ঢল। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকেও দল বেঁধে মানুষ শহরের হাটবাজারে আসে।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, রোববার মধ্যরাত পর্যন্ত বাজারে ইলিশ বেচাকেনা হয়েছে। এর পর মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসনের নজরদারিতে ইলিশ বেচাকেনা বন্ধ হয়ে যায়। ইলিশ মাছ ধরা ও বেচাকেনা ঠেকাতে মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসন তৎপর রয়েছে।

উৎসবের আমেজে ইলিশের মেলা

 গলাচিপা ও দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  
০৪ অক্টোবর ২০২১, ১০:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা কেন্দ্র করে রোববার দুপুর থেকে পটুয়াখালীর গলাচিপার সাগরপাড়ের হাটবাজার ও মাছঘাটগুলোতে রীতিমতো উৎসবের আমেজে বসেছিল ‘ইলিশ মেলা’; যা কোথাও কোথাও চলেছে রাতভর।

ইলিশ কিনতে নেমেছিল মানুষের ঢল। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকেও দলবেঁধে মানুষ এসেছে শহরের হাটবাজারে। অন্য বছরের তুলনায় এবার দাম বেশ কিছুটা বেশি হলেও কমবেশি ইলিশ অনেকেই কিনেছেন। বিক্রেতারাও ছিলেন খুশির আমেজে।

অনেক হাটবাজারে মাইক বাজিয়ে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে ইলিশ মেলার। বেচাকেনার শেষ দিনে ব্যাপক আগ্রহ প্রমাণ করে ইলিশ প্রকৃতই বাঙালির প্রাণের মাছ এবং মাছের রাজা।

রোববার মধ্যরাত থেকে ইলিশ ধরায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে এই নিষেধাজ্ঞা। ব্যাপক প্রচারণা ও সরকারি প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের তৎপরতায় নিষেধাজ্ঞার ক্ষণ শুরুর অনেক আগেই গভীর সাগরসহ নদ-নদী থেকে জেলেরা ফিরে এসেছে ঘাটে।

সোমবার বেশ কয়েকটি বাজারসহ মাছঘাটগুলো ঘুরে দেখা গেছে, সর্বত্রই সুনসান নীরবতা। একদিন আগের মানুষের সরগরম উধাও হয়ে গেছে। আড়তসহ বরফমিলগুলোতে ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে তালা। কোথাও ইলিশের নামগন্ধ নেই। চারদিকে ছুটির আমেজ।

অথচ এর একদিন আগে রোববার দুপুর থেকে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপকূলীয় হাটবাজারগুলোতে ছিল ভিন্নচিত্র। দশমিনা, রাঙ্গাবালী, বাউফল ও গলাচিপার কয়েকটি ছোট-বড় মাছের বাজার ও মৎস্যঘাট ঘুরে সর্বত্র মানুষের ঢল দেখা গেছে। বেলা যত কমে এসেছে, মানুষের ঢল তত বেড়েছে। কোথাও কোথাও প্রায় সারা রাত মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে।

একদিকে আগামী ২২ দিন ইলিশ মিলবে না। আরেকদিকে জেলেসহ আড়তদাররা তাদের জমানো সব ইলিশ নিষেধাজ্ঞার ক্ষণ শুরুর আগেই বাজারে ছাড়বে। তাই কমবে ইলিশের দাম। এমনকি ইলিশ পানির দরে বিক্রি হতে পারে, এমন আশায় মূলত মানুষের ঢল নেমেছিল।

গলাচিপা পূর্ব মৎস্য বাজারের আড়তদার কুদ্দুস ও খালেক জানান, মধ্যরাত পর্যন্ত ইলিশ কিনতে নেমেছিল মানুষের ঢল। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকেও দল বেঁধে মানুষ শহরের হাটবাজারে আসে।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, রোববার মধ্যরাত পর্যন্ত বাজারে ইলিশ বেচাকেনা হয়েছে। এর পর মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসনের নজরদারিতে ইলিশ বেচাকেনা বন্ধ হয়ে যায়। ইলিশ মাছ ধরা ও বেচাকেনা ঠেকাতে মৎস্য বিভাগ ও প্রশাসন তৎপর রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন