বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ি এসে লাশ হলেন প্রেমিকা
jugantor
বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ি এসে লাশ হলেন প্রেমিকা

  গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

০৪ অক্টোবর ২০২১, ২২:৩৭:২১  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার খোদাবক্সপুর গ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ি এসে লাশ হলেন ফাতেমা খাতুন (২১) নামে এক কলেজছাত্রী। রোববার বিকালে যশরা ইউনিয়নের খোদাবক্সপুর গ্রামের বুরহান উদ্দিনের পরিত্যক্ত ঘরের পাশে ফাতেমাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।

খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে। তিনি গফরগাঁও আলতাফ গোলন্দাজ ডিগ্রি কলেজের রসায়ন বিভাগের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্রী। তার বাড়ি উপজেলার পাগলা থানাধীন নিগুয়ারী ইউনিয়নের মাখল কালদাইড় গ্রামে। তার বাবার নাম হাফিজ উদ্দিন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে ফাতেমা পরিবারের লোকজনের সঙ্গে বাড়ি থেকে গফরগাঁও আসেন। পরে কলেজে যাওয়ার কথা বলে আর বাড়ি ফিরে যাননি। বিকালে ফাতেমাকে খোদাবক্সপুর গ্রামের বুরহান উদ্দিনের পরিত্যক্ত ঘরের পাশে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। স্থানীয় লোকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় গফরগাঁও হাসপাতালে নিয়ে আসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে গফরগাঁও থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে রাতেই গফরগাঁও থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

নিহতের বড়ভাই আব্দুল্লাহ বলেন, খোদাবক্সপুর গ্রামের বুরহান উদ্দিনের ছেলে সেনাসদস্য মিরাজ আহাম্মেদের সঙ্গে তার বোন ফাতেমার দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মিরাজ ফোনে বিয়ে করার কথা বলে ফাতেমাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। আমরা বোনের হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

গফরগাঁও থানার ওসি অনুকূল সরকার বলেন, নিহত কলেজছাত্রীর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সোমবার সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হযেছে। রিপোর্টের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ি এসে লাশ হলেন প্রেমিকা

 গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
০৪ অক্টোবর ২০২১, ১০:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার খোদাবক্সপুর গ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ি এসে লাশ হলেন ফাতেমা খাতুন (২১) নামে এক কলেজছাত্রী। রোববার বিকালে যশরা ইউনিয়নের খোদাবক্সপুর গ্রামের বুরহান উদ্দিনের পরিত্যক্ত ঘরের পাশে ফাতেমাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।

খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে। তিনি গফরগাঁও আলতাফ গোলন্দাজ ডিগ্রি কলেজের রসায়ন বিভাগের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্রী। তার বাড়ি উপজেলার পাগলা থানাধীন নিগুয়ারী ইউনিয়নের মাখল কালদাইড় গ্রামে। তার বাবার নাম হাফিজ উদ্দিন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে ফাতেমা পরিবারের লোকজনের সঙ্গে বাড়ি থেকে গফরগাঁও আসেন। পরে কলেজে যাওয়ার কথা বলে আর বাড়ি ফিরে যাননি। বিকালে ফাতেমাকে খোদাবক্সপুর গ্রামের বুরহান উদ্দিনের পরিত্যক্ত ঘরের পাশে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। স্থানীয় লোকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় গফরগাঁও হাসপাতালে নিয়ে আসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে গফরগাঁও থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে রাতেই গফরগাঁও থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

নিহতের বড়ভাই আব্দুল্লাহ বলেন, খোদাবক্সপুর গ্রামের বুরহান উদ্দিনের ছেলে সেনাসদস্য মিরাজ আহাম্মেদের সঙ্গে তার বোন ফাতেমার দুই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মিরাজ ফোনে বিয়ে করার কথা বলে ফাতেমাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। আমরা বোনের হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

গফরগাঁও থানার ওসি অনুকূল সরকার বলেন, নিহত কলেজছাত্রীর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সোমবার সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হযেছে। রিপোর্টের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন