কলেজ ছাত্রাবাসে ৪টি বিষধর সাপ
jugantor
কলেজ ছাত্রাবাসে ৪টি বিষধর সাপ

  আশুগঞ্জ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি  

০৫ অক্টোবর ২০২১, ০০:৪০:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রাবাস থেকে আরও ৪টি ভিন্ন প্রজাতির বিষধর সাপ উদ্ধার করেছে সাপুড়িয়া দল। সোমবার বিকালে কলেজের ছাত্রাবাস থেকে কুমিল্লা থেকে আগত একটি সাপুড়িয়া দল ৪টি ভিন্ন প্রজাতির সাপ উদ্ধার করে।

সাপুড়িয়া দলের সরদার কামালের ভাষ্যমতে সাপগুলো হলো- কালি ফানুস, ঢ্যাড়াস, ভিঙ্গরাজ ও কোবরা।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে কলেজ ছাত্রাবাসে একটি বিষধর গোখরা সাপের চলাচল করতে দেখেন ছাত্রাবাসে থাকা শিক্ষার্থীরা। পরে কলেজ অধ্যক্ষ আহমদ উল্লাহ খন্দকারের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা মিলে সাপটি নিধন করেন।

সোমবার দুপুরে আবারো কলেজ ছাত্রাবাসে কাজের বুয়া ছাত্রবাসের খাবারের রুমে একটি সাপ দেখতে পান। পরে বিষয়টি কলেজ অধ্যক্ষের কাছে অবগতি করলে কলেজ অধ্যক্ষ কুমিল্লা থেকে সাপুড়িয়ার একটি দল এনে সাপ ধরার প্রক্রিয়ার শুরু করেন।

এর কিছুক্ষণ পরই ধাপে ধাপে ডিমসহ ৪টি ভিন্ন প্রজাতির সাপ উদ্ধার করেন সাপুরিয়া দল। তবে সাপগুলো উদ্ধার করা হলেও কলেজের ছাত্রাবাসে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

তবে সাপুড়িয়ারা বলছেন, ভিতরে আর কোনো সাপ থাকার সম্ভাবনা নেই। তবে থাকলেও কলেজের সীমানার বাইরে থাকতে পারে।

ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আহমদ উল্লাহ খন্দকার জানান, সাপুড়িয়া দলের সাহায্যে আমরা কলেজ ছাত্রাবাস থেকে ৪টি ভিন্ন প্রজাতির বিষধর সাপ উদ্ধার করি। বর্তমানে ছাত্রবাস থেকে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আশুগঞ্জ উপজেলায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

কলেজ ছাত্রাবাসে ৪টি বিষধর সাপ

 আশুগঞ্জ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি 
০৫ অক্টোবর ২০২১, ১২:৪০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রাবাস থেকে আরও ৪টি ভিন্ন প্রজাতির বিষধর সাপ উদ্ধার করেছে সাপুড়িয়া দল। সোমবার বিকালে কলেজের ছাত্রাবাস থেকে কুমিল্লা থেকে আগত একটি সাপুড়িয়া দল ৪টি ভিন্ন প্রজাতির সাপ উদ্ধার করে।

সাপুড়িয়া দলের সরদার কামালের ভাষ্যমতে সাপগুলো হলো- কালি ফানুস, ঢ্যাড়াস, ভিঙ্গরাজ ও কোবরা।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে কলেজ ছাত্রাবাসে একটি বিষধর গোখরা সাপের চলাচল করতে দেখেন ছাত্রাবাসে থাকা শিক্ষার্থীরা। পরে কলেজ অধ্যক্ষ আহমদ উল্লাহ খন্দকারের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা মিলে সাপটি নিধন করেন।

সোমবার দুপুরে আবারো কলেজ ছাত্রাবাসে কাজের বুয়া ছাত্রবাসের খাবারের রুমে একটি সাপ দেখতে পান। পরে বিষয়টি কলেজ অধ্যক্ষের কাছে অবগতি করলে কলেজ অধ্যক্ষ কুমিল্লা থেকে সাপুড়িয়ার একটি দল এনে সাপ ধরার প্রক্রিয়ার শুরু করেন।

এর কিছুক্ষণ পরই ধাপে ধাপে ডিমসহ ৪টি ভিন্ন প্রজাতির সাপ উদ্ধার করেন সাপুরিয়া দল। তবে সাপগুলো উদ্ধার করা হলেও কলেজের ছাত্রাবাসে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

তবে সাপুড়িয়ারা বলছেন, ভিতরে আর কোনো সাপ থাকার সম্ভাবনা নেই। তবে থাকলেও কলেজের সীমানার বাইরে থাকতে পারে।

ফিরোজ মিয়া সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আহমদ উল্লাহ খন্দকার জানান, সাপুড়িয়া দলের সাহায্যে আমরা কলেজ ছাত্রাবাস থেকে ৪টি ভিন্ন প্রজাতির বিষধর সাপ উদ্ধার করি। বর্তমানে ছাত্রবাস থেকে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আশুগঞ্জ উপজেলায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন