একসঙ্গে ৩৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে শোকজ
jugantor
একসঙ্গে ৩৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে শোকজ

  তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি  

০৫ অক্টোবর ২০২১, ২০:৩০:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় দায়িত্বে অবহেলার কারণে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৩৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও মাদ্রাসার সুপারকে শোকজের নোটিশ দিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সিদ্দিকুর রহমান।

সম্প্রতি তিনি উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-মাদ্রাসায় আকস্মিক পরিদর্শনে গেলে ওই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের কর্মস্থলে অনুপস্থিত ও ক্লাসরুমসহ প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণ অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও জেলা শিক্ষা অফিসারের জুম মিটিংয়ে অংশগ্রহণ না করার প্রেক্ষিতেই তাদের এ শোকজ করা হয়েছে।

বেশ কয়েক দিনের ধারাবাহিকতায় সোমবার উপজেলার পারিশো দাখিল মাদ্রাসা পরিদর্শনে গিয়ে বন্ধ পেয়ে মঙ্গলবার সুপারকে ৩ দিনের মধ্যে শোকজ নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে মোবাইলে তিনি এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তানোর উপজেলায় ১২৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬১টি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৮টি মাদ্রাসা, ১৪টি কলেজ ও ১টি কৃষি ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট রয়েছে। এছাড়াও ৩টি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ রয়েছে।

সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কলেজগুলোতে সব শিক্ষক-কর্মচারী উপস্থিত থাকবেন। মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৯টা থেকে ৩টা পর্যন্ত এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পাঠদানসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

তবে ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল খোলার পর থেকেই তানোর উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনে গিয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের দায়িত্বে অবহেলা দেখতে পান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সিদ্দিকুর। এমনকি উপজেলার বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষা অফিসে যাওয়ার নামে নিজেদের কর্মস্থলে অধিকাংশ দিনই অনুপস্থিত থাকেন বলেও পরিদর্শনকালে জানতে পারেন তিনি।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সিদ্দিকুর রহমান যুগান্তরের প্রতিবেদককে বলেন, বেশ কিছু দিন ধরে উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আকস্মিক পরিদর্শন করা হচ্ছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, গুরুত্বপূর্ণ জুম মিটিংয়ে অংশগ্রহণ না করাসহ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া প্রধান শিক্ষক ও সুপারের অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

তিনি আরও বলেন, গত মাসের ৯, ১০ ও ২৭ এবং চলতি অক্টোবর মাসের ৪ ও আজ ৫ তারিখে পরিদর্শনে গেলে ধারাবাহিকভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রধানদের দায়িত্ব অবহেলা পাওয়ায় ৩৬ জন প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে শোকজ করা হয়েছে। এদের ৩ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দেওয়ার জন্য যথাযথভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশে এসব শিক্ষকদের বলা হয়েছিল। প্রায় সবাই লিখিত জবাব দিয়েছেন। এখন এসব জবাবের সত্যতা যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে।

একসঙ্গে ৩৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে শোকজ

 তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি 
০৫ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় দায়িত্বে অবহেলার কারণে মাধ্যমিক পর্যায়ের ৩৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও মাদ্রাসার সুপারকে শোকজের নোটিশ দিয়েছেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সিদ্দিকুর রহমান।

সম্প্রতি তিনি উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-মাদ্রাসায় আকস্মিক পরিদর্শনে গেলে ওই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের কর্মস্থলে অনুপস্থিত ও ক্লাসরুমসহ প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণ অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও জেলা শিক্ষা অফিসারের জুম মিটিংয়ে অংশগ্রহণ না করার প্রেক্ষিতেই তাদের এ শোকজ করা হয়েছে।

বেশ কয়েক দিনের ধারাবাহিকতায় সোমবার উপজেলার পারিশো দাখিল মাদ্রাসা পরিদর্শনে গিয়ে বন্ধ পেয়ে মঙ্গলবার সুপারকে ৩ দিনের মধ্যে শোকজ নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে মোবাইলে তিনি এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, তানোর উপজেলায় ১২৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬১টি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২৮টি মাদ্রাসা, ১৪টি কলেজ ও ১টি কৃষি ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট রয়েছে। এছাড়াও ৩টি কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ রয়েছে।

সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কলেজগুলোতে সব শিক্ষক-কর্মচারী উপস্থিত থাকবেন। মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৯টা থেকে ৩টা পর্যন্ত এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত পাঠদানসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

তবে ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল খোলার পর থেকেই তানোর উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনে গিয়ে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের দায়িত্বে অবহেলা দেখতে পান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সিদ্দিকুর। এমনকি উপজেলার বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষা অফিসে যাওয়ার নামে নিজেদের কর্মস্থলে অধিকাংশ দিনই অনুপস্থিত থাকেন বলেও পরিদর্শনকালে জানতে পারেন তিনি।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সিদ্দিকুর রহমান যুগান্তরের প্রতিবেদককে বলেন, বেশ কিছু দিন ধরে উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আকস্মিক পরিদর্শন করা হচ্ছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, গুরুত্বপূর্ণ জুম মিটিংয়ে অংশগ্রহণ না করাসহ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া প্রধান শিক্ষক ও সুপারের অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

তিনি আরও বলেন, গত মাসের ৯, ১০ ও ২৭ এবং চলতি অক্টোবর মাসের ৪ ও আজ ৫ তারিখে পরিদর্শনে গেলে ধারাবাহিকভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রধানদের দায়িত্ব অবহেলা পাওয়ায় ৩৬ জন প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে শোকজ করা হয়েছে। এদের ৩ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব দেওয়ার জন্য যথাযথভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশে এসব শিক্ষকদের বলা হয়েছিল। প্রায় সবাই লিখিত জবাব দিয়েছেন। এখন এসব জবাবের সত্যতা যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন