ভুল তথ্যে ভোটার হতে গিয়ে সাকিবসহ আটক ৭
jugantor
ভুল তথ্যে ভোটার হতে গিয়ে সাকিবসহ আটক ৭

  লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

০৫ অক্টোবর ২০২১, ২২:১৮:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে ভুয়া ঠিকানা ও চেয়ারম্যানের জাল স্বাক্ষরের জন্মনিবন্ধন নিয়ে ভোটার তালিকাভুক্ত হওয়ার চেষ্টাকালে সাত যুবককে আটক করা হয়েছে।

সোমবার বিকালে উপজেলা নির্বাচন অফিসে সনদপত্র জমা দিতে এসে কর্মকর্তাদের হাতে আটক হন তারা।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজির হোসেন বাদী হয়ে সোমবার রাতে ভুয়া জন্মনিবন্ধন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মনোহরগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

মঙ্গলবার পুলিশ আটককৃত ব্যক্তিদের কুমিল্লা আদালতে প্রেরণ করেন। আটক ব্যক্তিরা হলেন- চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল গ্রামের আবদুল রশিদের ছেলে সাব্বির হোসেন (২১), বসন্তপুর গ্রামের সাদেক হোসেনের ছেলে ইমান হোসেন (২০), মোহনপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে সাকিব হাসান (২০), মহিচাইল গ্রামের দিদার হোসেনের ছেলে সোহাগ (১৯), বসন্তপুর গ্রামের জামাল মিয়ার ছেলে শামীম হোসেন (২০), মোহনপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে বায়েজিদ হোসেন (২০) ও কংগাইয়ের আল আমিন (২৪)।

অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চান্দিনা উপজেলা থেকে সাতজনকে এনআইডি কার্ড করার জন্য একই উপজেলার সোহেল নামে এক ব্যক্তি তাদের মনোহরগঞ্জ উপজেলা পরিষদে নিয়ে আসেন। ভুয়া জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি ও ঠিকানা ব্যবহার করে তারা নির্বাচন অফিসে ভোটার হতে আসেন।

তারা মনোহরগঞ্জ উপজেলা সদরের খিলা ইউনিয়ন পরিষদের জন্মনিবন্ধন সনদ ও ইউপি চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর হুবহু নকল করেন। বর্তমান ঠিকানা হিসেবে উপজেলা সদরের দিশাবন্দ ও স্থায়ী ঠিকানা চান্দিনা উপজেলার বিভিন্ন স্থান উল্লেখ করেন।

উপজেলা নির্বাচন অফিসে ফাইল জমা দেওয়ার পর কাগজপত্র যাচাইকালে মূল কাগজপত্র দেখাতে না পারায় কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। তখন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা সনদসহ কাগজপত্র জালিয়াতি ও ভুয়া ঠিকানা ব্যবহারের কথা স্বীকার করেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজির হোসেন মিয়া জানান, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে খিলা ইউপি চেয়ারম্যান, সচিব ও কম্পিউটার অপারেটর সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এতে ইউনিয়ন পরিষদ ও চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার আছে কিনা তদন্ত করে বলা যাবে।

মনোহরগঞ্জ থানার পরিদর্শক মাহাবুল কবির জানান, এ ঘটনায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন ২০১০ এর ১৪ ধারায় মামলা হয়েছে। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ভুল তথ্যে ভোটার হতে গিয়ে সাকিবসহ আটক ৭

 লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
০৫ অক্টোবর ২০২১, ১০:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে ভুয়া ঠিকানা ও চেয়ারম্যানের জাল স্বাক্ষরের জন্মনিবন্ধন নিয়ে ভোটার তালিকাভুক্ত হওয়ার চেষ্টাকালে সাত যুবককে আটক করা হয়েছে। 

সোমবার বিকালে উপজেলা নির্বাচন অফিসে সনদপত্র জমা দিতে এসে কর্মকর্তাদের হাতে আটক হন তারা।
 
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজির হোসেন বাদী হয়ে সোমবার রাতে ভুয়া জন্মনিবন্ধন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মনোহরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। 

মঙ্গলবার পুলিশ আটককৃত ব্যক্তিদের কুমিল্লা আদালতে প্রেরণ করেন। আটক ব্যক্তিরা হলেন- চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল গ্রামের আবদুল রশিদের ছেলে সাব্বির হোসেন (২১), বসন্তপুর গ্রামের সাদেক হোসেনের ছেলে ইমান হোসেন (২০), মোহনপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে সাকিব হাসান (২০), মহিচাইল গ্রামের দিদার হোসেনের ছেলে সোহাগ (১৯), বসন্তপুর গ্রামের জামাল মিয়ার ছেলে শামীম হোসেন (২০), মোহনপুর গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে বায়েজিদ হোসেন (২০) ও কংগাইয়ের আল আমিন (২৪)।

অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চান্দিনা উপজেলা থেকে সাতজনকে এনআইডি কার্ড করার জন্য একই উপজেলার সোহেল নামে এক ব্যক্তি তাদের মনোহরগঞ্জ উপজেলা পরিষদে নিয়ে আসেন। ভুয়া জন্মনিবন্ধন সনদ তৈরি ও ঠিকানা ব্যবহার করে তারা নির্বাচন অফিসে ভোটার হতে আসেন। 

তারা মনোহরগঞ্জ উপজেলা সদরের খিলা ইউনিয়ন পরিষদের জন্মনিবন্ধন সনদ ও ইউপি চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর হুবহু নকল করেন। বর্তমান ঠিকানা হিসেবে উপজেলা সদরের দিশাবন্দ ও স্থায়ী ঠিকানা চান্দিনা উপজেলার বিভিন্ন স্থান উল্লেখ করেন। 

উপজেলা নির্বাচন অফিসে ফাইল জমা দেওয়ার পর কাগজপত্র যাচাইকালে মূল কাগজপত্র দেখাতে না পারায় কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। তখন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা সনদসহ কাগজপত্র জালিয়াতি ও ভুয়া ঠিকানা ব্যবহারের কথা স্বীকার করেন।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজির হোসেন মিয়া জানান, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে খিলা ইউপি চেয়ারম্যান, সচিব ও কম্পিউটার অপারেটর সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এতে ইউনিয়ন পরিষদ ও চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার আছে কিনা তদন্ত করে বলা যাবে। 

মনোহরগঞ্জ থানার পরিদর্শক মাহাবুল কবির জানান, এ ঘটনায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন ২০১০ এর ১৪ ধারায় মামলা হয়েছে। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন