প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে গৃহবধূ নিজেই জেলে
jugantor
প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে গৃহবধূ নিজেই জেলে

  মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

০৬ অক্টোবর ২০২১, ১৯:১৪:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার মদনে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে দ্রুতবিচার আইনে মিথ্যা মামলা করায় বাদী নিলিমা আক্তার নামে এক গৃহবধূ নিজেই জেলে গেছেন। মঙ্গলবার রাতে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

নিলিমা আক্তার ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর পূর্বপাড়া গ্রামের শাহীন মিয়ার স্ত্রী। বুধবার তাকে নেত্রকোনা জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

থানা সূত্রে জানা যায়, নিলিমা আক্তার গত ১৭ জুন মদন থানায় ৪ জনকে আসামি করে দ্রুতবিচার আইনে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মদন থানার এসআই মোশাররফ হোসেন মামলাটি তদন্ত করে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় ২৭ জুন এর ফাইনাল রিপোর্ট কোর্টে প্রেরণ করেন।

পরে আদালত বাদীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার নিলিমা আক্তারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার তাকে নেত্রকোনা কোর্টহাজতে প্রেরণ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মদন থানার ওসি মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম জানান, ফতেপুর গ্রামের নিলিমা আক্তারের দায়েরকৃত দ্রুত আইনের মামলাটি তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আদালতের নির্দেশে তাকে মঙ্গলবার গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার তাকে কোর্টহাজতে প্রেরণ করা হয়।

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গিয়ে গৃহবধূ নিজেই জেলে

 মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
০৬ অক্টোবর ২০২১, ০৭:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার মদনে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে দ্রুতবিচার আইনে মিথ্যা মামলা করায় বাদী নিলিমা আক্তার নামে এক গৃহবধূ নিজেই জেলে গেছেন। মঙ্গলবার রাতে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

নিলিমা আক্তার ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর পূর্বপাড়া গ্রামের শাহীন মিয়ার স্ত্রী। বুধবার তাকে নেত্রকোনা জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

থানা সূত্রে জানা যায়, নিলিমা আক্তার গত ১৭ জুন মদন থানায় ৪ জনকে আসামি করে দ্রুতবিচার আইনে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মদন থানার এসআই মোশাররফ হোসেন মামলাটি তদন্ত করে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় ২৭ জুন এর ফাইনাল রিপোর্ট কোর্টে প্রেরণ করেন।

পরে আদালত বাদীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার নিলিমা আক্তারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার তাকে নেত্রকোনা কোর্টহাজতে প্রেরণ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মদন থানার ওসি মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম জানান, ফতেপুর গ্রামের নিলিমা আক্তারের দায়েরকৃত দ্রুত আইনের মামলাটি তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আদালতের নির্দেশে তাকে মঙ্গলবার গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার তাকে কোর্টহাজতে প্রেরণ করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন