মৃত চেয়ারম্যানের সই জালিয়াতি করে জন্মসনদ বিক্রি!
jugantor
মৃত চেয়ারম্যানের সই জালিয়াতি করে জন্মসনদ বিক্রি!

  লালমাই কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

০৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:৩৯:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের মৃত ইউপি চেয়ারম্যান আবু তাহেরের সই ও সিল জালিয়াতি করে জন্মনিবন্ধন সনদ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।

২০১৭ সালে মারা যান আবু তাহের। কিন্তু এখনও তার সই করা জন্মসনদ দিয়ে বাল্যবিয়ে, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, স্কুল ও মাদ্রাসায় ভর্তি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

আর এ ঘটনার সঙ্গে ভারপাপ্ত চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, উদ্যোক্তা এবং একশ্রেণির দালালচক্র জড়িত।

সূত্রে জানা গেছে, ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকায় বাল্যবিয়ে এবং বিদেশে ও স্কুল-মাদ্রাসায় ভর্তির ক্ষেত্রে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকায় জন্মসনদ দেওয়া হয়।

এসব জন্মসনদে ব্যবহার করা সিরিয়াল নম্বর অনলাইনে প্রদর্শিত হয় না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লোকমান কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

তবে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সীমা আশ্চর্য যুগান্তরকে বলেন, এসব অভিযোগ সঠিক নয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া আফরোজ যুগান্তরকে বলেন, লালমাই থানার ওসিকে এ বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে আইনিব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মৃত চেয়ারম্যানের সই জালিয়াতি করে জন্মসনদ বিক্রি!

 লালমাই কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
০৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের মৃত ইউপি চেয়ারম্যান আবু তাহেরের সই ও সিল জালিয়াতি করে জন্মনিবন্ধন সনদ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।  

২০১৭ সালে মারা যান আবু তাহের। কিন্তু এখনও তার সই করা জন্মসনদ দিয়ে বাল্যবিয়ে, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, স্কুল ও মাদ্রাসায় ভর্তি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

আর এ ঘটনার সঙ্গে ভারপাপ্ত চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, উদ্যোক্তা এবং একশ্রেণির দালালচক্র জড়িত। 

সূত্রে জানা গেছে, ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকায় বাল্যবিয়ে এবং বিদেশে ও  স্কুল-মাদ্রাসায় ভর্তির ক্ষেত্রে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকায় জন্মসনদ দেওয়া হয়। 

এসব জন্মসনদে ব্যবহার করা সিরিয়াল নম্বর অনলাইনে প্রদর্শিত হয় না। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান লোকমান কোনো কথা বলতে রাজি হননি। 

তবে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সীমা আশ্চর্য যুগান্তরকে বলেন, এসব অভিযোগ সঠিক নয়। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া আফরোজ যুগান্তরকে বলেন, লালমাই থানার ওসিকে এ বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে আইনিব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন