এবার সাবেক এমপির পালটা আলটিমেটাম
jugantor
এবার সাবেক এমপির পালটা আলটিমেটাম

  ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি  

০৯ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৪২:৫৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনের বর্তমান এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমদের সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া আলটিমেটামের প্রতিবাদে পালটা সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ মালেক।

শনিবার বেলা ১১টায় নিজবাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন সাবেক এই সংসদ সদস্য।

এর আগে গত বুধবার বর্তমান সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমদ সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ মালেকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে তাকে তিন দিনের আলটিমেটাম দেন।

শনিবার সংবাদ সম্মেলনে এমএ মালেক বলেন, তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়ে ও অপপ্রচার চালিয়ে ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমান সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমদ, ধামরাই পৌর মেয়র গোলাম কবীর মোল্লা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাখাওয়াত হোসেন সাকু তার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন।

এমএ মালেক বলেন, বুধবার ধামরাইয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আমার বিরুদ্ধে তাদের দেওয়া মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য প্রত্যাহার করা না হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, ২০১০ সালে শিবির নেতা মো. তৌহিদুল ইসলাম গংরা বেনজীর আহমদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করে উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের মাখুলিয়া, মামুরা সাচনা, কুশিয়রা ও শিতি এলাকাসহ ৭টি এলাকার কৃষকের ফসলি জমির ওপর ‘আকসিরনগর’ নামে একটি আবাসন প্রকল্পের কাজ শুরু করে। এলাকার মানুষ এ সিন্ডিকেটের জুলুম নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। আমি এমপি থাকাবস্থায় ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এর কার্যক্রম বন্ধ থাকে।

সাবেক সংসদ সদস্য এমএ মালেক বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমদ ফের এমপি হলে এর কার্যক্রম শুরু করা হয়। ভুক্তভোগী কৃষকরা এমপির সাহায্য চাইলেও তিনি এলাকাবাসীকে সাহায্য না করে জামায়াত-শিবিরদের সহায়তা করেন। তার লোক দিয়ে এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও বাড়িঘরে হামলা চালান। এর প্রতিবাদে এলাকাবাসী ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে বর্তমান এমপি বেনজীর আহমদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাখাওয়াত হোসেন সাকুর পদত্যাগ ও কাইজেন গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলামের বিচার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

কিন্তু বীর মুক্তিযাদ্ধা বেনজীর আহমদ ধামরাইয়ে এক সংবাদ সম্মেলনেমানববন্ধন কর্মসূচির জন্য আমাকে দোষারোপ ও তাকে বিএনপি-জামায়াতের পৃষ্ঠপোষক আখ্যা দেওয়ার জন্য দায়ী করেন। তিনি আমাকে দোষ স্বীকার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার জন্য তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়েছেন। অপরদিকে হাইব্রিড নেতা ও ধামরাই পৌর মেয়র গোলাম কবীর মোল্লা একটি ভুয়া বানোয়াট ভিডিও ক্লিপ প্রদর্শন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে। ওই ভিডিওটিতে আমার কোনো উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে দোষারোপ করে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে এ মিথ্যা বানোয়াট বক্তব্য ও অপপ্রচার প্রত্যাহার করা না হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এবার সাবেক এমপির পালটা আলটিমেটাম

 ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি 
০৯ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৪২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনের বর্তমান এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমদের সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া আলটিমেটামের প্রতিবাদে পালটা সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ মালেক।

শনিবার বেলা ১১টায় নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন সাবেক এই সংসদ সদস্য।

এর আগে গত বুধবার বর্তমান সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমদ সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ মালেকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে তাকে তিন দিনের আলটিমেটাম দেন।

শনিবার সংবাদ সম্মেলনে এমএ মালেক বলেন, তার বিরুদ্ধে কুৎসা রটিয়ে ও অপপ্রচার চালিয়ে ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমান সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমদ, ধামরাই পৌর মেয়র গোলাম কবীর মোল্লা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাখাওয়াত হোসেন সাকু তার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। 

এমএ মালেক বলেন, বুধবার ধামরাইয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আমার বিরুদ্ধে তাদের দেওয়া মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য প্রত্যাহার করা না হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, ২০১০ সালে শিবির নেতা মো. তৌহিদুল ইসলাম গংরা বেনজীর আহমদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করে উপজেলার কুল্লা ইউনিয়নের মাখুলিয়া, মামুরা সাচনা, কুশিয়রা ও শিতি এলাকাসহ ৭টি এলাকার কৃষকের ফসলি জমির ওপর ‘আকসিরনগর’ নামে একটি আবাসন প্রকল্পের কাজ শুরু করে। এলাকার মানুষ এ সিন্ডিকেটের জুলুম নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। আমি এমপি থাকাবস্থায় ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এর কার্যক্রম বন্ধ থাকে।

সাবেক সংসদ সদস্য এমএ মালেক বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেনজীর আহমদ ফের এমপি হলে এর কার্যক্রম শুরু করা হয়। ভুক্তভোগী কৃষকরা এমপির সাহায্য চাইলেও তিনি এলাকাবাসীকে সাহায্য না করে জামায়াত-শিবিরদের সহায়তা করেন। তার লোক দিয়ে এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও বাড়িঘরে হামলা চালান। এর প্রতিবাদে এলাকাবাসী ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে বর্তমান এমপি বেনজীর আহমদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা সাখাওয়াত হোসেন সাকুর পদত্যাগ ও কাইজেন গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. তৌহিদুল ইসলামের বিচার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

কিন্তু বীর মুক্তিযাদ্ধা বেনজীর আহমদ ধামরাইয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মানববন্ধন কর্মসূচির জন্য আমাকে দোষারোপ ও তাকে বিএনপি-জামায়াতের পৃষ্ঠপোষক আখ্যা দেওয়ার জন্য দায়ী করেন। তিনি আমাকে দোষ স্বীকার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার জন্য তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়েছেন। অপরদিকে হাইব্রিড নেতা ও ধামরাই পৌর মেয়র গোলাম কবীর মোল্লা একটি ভুয়া বানোয়াট ভিডিও ক্লিপ প্রদর্শন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে। ওই ভিডিওটিতে আমার কোনো উপস্থিতি না থাকলেও আমাকে দোষারোপ করে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে এ মিথ্যা বানোয়াট বক্তব্য ও অপপ্রচার প্রত্যাহার করা না হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন