গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশকে আঁচলে বেঁধে রাখবেন: কাদের মির্জা
jugantor
গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশকে আঁচলে বেঁধে রাখবেন: কাদের মির্জা

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

০৯ অক্টোবর ২০২১, ২০:৪৮:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশকে আঁচলে বেঁধে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

শনিবার বিকালে বসুরহাট জিরো পয়েন্টে বঙ্গবন্ধু চত্বরে উপজেলা ও পৌর মহিলা আওয়ামী লীগের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ নির্দেশ দেন।

কাদের মির্জা অভিযোগ করে বলেন, নোয়াখালীর কুত্তা (কুকুর) এসপি, ইউএনও, ওসিসহ একজোট হয়ে প্রশাসন এখানে ত্রাস ও অত্যাচার চালাচ্ছে। ভূমিদস্যুদের হাতে কোটি-কোটি টাকা মূল্যের সরকারি খাস জায়গার দখলদারিত্ব দিচ্ছে। ঠোলারা (পুলিশ) ঘরে-ঘরে গিয়ে মিথ্যা মামলায় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করতে না পেরে মা-বোনদের ওপর অত্যাচার, নির্যাতন, অশ্লীল আচরণ করছে। এ অবস্থা আর চলতে দেয়া যায় না।

কাদের মির্জা সমাবেশে উপস্থিত মহিলা আওয়ামী লীগের কর্মীদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, ঠোলারা (পুলিশ) গ্রেফতার করতে গেলে দরজা খুলবেন না। বেশি বাড়াবাড়ি করলে কাপড়ের আঁচল দিয়ে পেঁচিয়ে বেঁধে রাখবেন। পুলিশের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির মামলা করা হবে। আর কাউকে গ্রেফতার করলে লুটেরা পুলিশকে প্রতিহত করতে লাঠিসোটা নিয়ে সম্মিলিতভাবে নারী-পুরুষ ঠোলাদের (পুলিশ) প্রতিরোধ করবেন। এ সময় তিনি খালের জায়গা জবরদখল করে রাখা এবং উন্নয়ন কাজে বাধা দেয়ায় মন্ত্রীর ভাগিনা রাহাত, বিএনপি নেতা সেলিম, তার ভাই স্বপন এবং পলাশকে বসুরহাটে অবাঞ্ছিত ঘোঘণা করেন।

কাদের মির্জা আরও বলেন, আমরা নিয়মতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করার পরও আমাদের বিরুদ্ধে পুলিশ এসল্ট মামলা হয়। পুলিশ আমার গায়ে হাত দেয়। এরশাদের জাপা, খালেদার বিএনপি সরকারের আমলেও এরকম ঘটনা ঘটেনি।

গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশকে আঁচলে বেঁধে রাখবেন: কাদের মির্জা

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
০৯ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৪৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশকে আঁচলে বেঁধে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা।

শনিবার বিকালে বসুরহাট জিরো পয়েন্টে বঙ্গবন্ধু চত্বরে উপজেলা ও পৌর মহিলা আওয়ামী লীগের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ নির্দেশ দেন। 

কাদের মির্জা অভিযোগ করে বলেন, নোয়াখালীর কুত্তা (কুকুর) এসপি, ইউএনও, ওসিসহ একজোট হয়ে প্রশাসন এখানে ত্রাস ও অত্যাচার চালাচ্ছে। ভূমিদস্যুদের হাতে কোটি-কোটি টাকা মূল্যের সরকারি খাস জায়গার দখলদারিত্ব দিচ্ছে। ঠোলারা (পুলিশ) ঘরে-ঘরে গিয়ে মিথ্যা মামলায় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করতে না পেরে মা-বোনদের ওপর অত্যাচার, নির্যাতন, অশ্লীল আচরণ করছে। এ অবস্থা আর চলতে দেয়া যায় না। 

কাদের মির্জা সমাবেশে উপস্থিত মহিলা আওয়ামী লীগের কর্মীদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, ঠোলারা (পুলিশ) গ্রেফতার করতে গেলে দরজা খুলবেন না। বেশি বাড়াবাড়ি করলে কাপড়ের আঁচল দিয়ে পেঁচিয়ে বেঁধে রাখবেন। পুলিশের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির মামলা করা হবে। আর কাউকে গ্রেফতার করলে লুটেরা পুলিশকে প্রতিহত করতে লাঠিসোটা নিয়ে সম্মিলিতভাবে নারী-পুরুষ ঠোলাদের (পুলিশ) প্রতিরোধ করবেন। এ সময় তিনি খালের জায়গা জবরদখল করে রাখা এবং উন্নয়ন কাজে বাধা দেয়ায় মন্ত্রীর ভাগিনা রাহাত, বিএনপি নেতা সেলিম, তার ভাই স্বপন এবং পলাশকে বসুরহাটে অবাঞ্ছিত ঘোঘণা করেন। 

কাদের মির্জা আরও বলেন, আমরা নিয়মতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করার পরও আমাদের বিরুদ্ধে পুলিশ এসল্ট মামলা হয়। পুলিশ আমার গায়ে হাত দেয়। এরশাদের জাপা, খালেদার বিএনপি সরকারের আমলেও এরকম ঘটনা ঘটেনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : আবদুল কাদের মির্জা

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন