সুদখোরের নির্যাতন সইতে না পেরে আত্মহত্যা
jugantor
সুদখোরের নির্যাতন সইতে না পেরে আত্মহত্যা

  যুগান্তর প্রতিবেদন, নবাবগঞ্জ  

০৯ অক্টোবর ২০২১, ২১:৩৭:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার নবাবগঞ্জের জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সোনাবাজু এলাকায় আনোয়ারা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধা স্থানীয় সুদখোর মহাজন আক্কাসের নির্যাতন সইতে না পেরে শনিবার ভোরে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।

নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ, সুদখোর মহাজন আক্কাস আলীর বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শনিবার দুপুরে আনোয়ারা বেগমের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। আনোয়ারা ওই এলাকা মৃত বাহাদুরের স্ত্রী।

এ ঘটনায় মৃত আনোয়ারার ছেলে আশ্রাফ আলী জানিয়েছেন, তার মা তাকে বিদেশে পাঠানোর জন্য স্থানীয় আক্কাস আলীর কাছ থেকে চড়া সুদে ৭০ হাজার টাকা নেন। ইতোমধ্যে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হলেও আক্কাস মায়ের কাছে আরও ৭০ হাজার টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে এলাকায় একটি সালিশ হয়। সালিশে আক্কাসের ৭০ হাজার টাকা দেওয়ার পক্ষে রায় দেয়।

এ সময় মা বসতবাড়ি বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করবেন বলে সালিশে জানান। কিন্তু বাড়ি বিক্রির টাকা সময়মতো না পাওয়ায় ওই ৭০ হাজার টাকা যথাসময়ে দিতে পারেননি। কিন্তু আক্কাস আলী আমার মাকে ধরে নিয়ে তার গোয়াল ঘরে আটকে রেখে মারধর করে। মা অত্যাচার সইতে না পেরে ওই গোয়াল ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে শনিবার ভোরে।

নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের ঢাকায় প্রেরণ করেছে।

সুদখোরের নির্যাতন সইতে না পেরে আত্মহত্যা

 যুগান্তর প্রতিবেদন, নবাবগঞ্জ 
০৯ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার নবাবগঞ্জের জয়কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের সোনাবাজু এলাকায় আনোয়ারা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধা স্থানীয় সুদখোর মহাজন আক্কাসের নির্যাতন সইতে না পেরে শনিবার ভোরে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা। 

নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ, সুদখোর মহাজন আক্কাস আলীর বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শনিবার দুপুরে আনোয়ারা বেগমের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে। আনোয়ারা ওই এলাকা মৃত বাহাদুরের স্ত্রী।

এ ঘটনায় মৃত আনোয়ারার ছেলে আশ্রাফ আলী জানিয়েছেন, তার মা তাকে বিদেশে পাঠানোর জন্য স্থানীয় আক্কাস আলীর কাছ থেকে চড়া সুদে ৭০ হাজার টাকা নেন। ইতোমধ্যে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হলেও আক্কাস মায়ের কাছে আরও ৭০ হাজার টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে এলাকায় একটি সালিশ হয়। সালিশে আক্কাসের ৭০ হাজার টাকা দেওয়ার পক্ষে রায় দেয়।
 
এ সময় মা বসতবাড়ি বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করবেন বলে সালিশে জানান। কিন্তু বাড়ি বিক্রির টাকা সময়মতো না পাওয়ায় ওই ৭০ হাজার টাকা যথাসময়ে দিতে পারেননি। কিন্তু আক্কাস আলী আমার মাকে ধরে নিয়ে তার গোয়াল ঘরে আটকে রেখে মারধর করে। মা অত্যাচার সইতে না পেরে ওই  গোয়াল ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে শনিবার ভোরে।

নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়নাতদন্তের ঢাকায় প্রেরণ করেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন