অন্ধ পিতার কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১
jugantor
অন্ধ পিতার কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১

  ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

১১ অক্টোবর ২০২১, ২২:২৬:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার তামাট গ্রামে এক অন্ধ পিতার কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে সোমবার থানায় একটি মামলা করেছেন। ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরীর অন্ধ পিতা উপজেলার তামাট গ্রামের বাসিন্দা। মামলার বাদী অন্ধ স্বামীকে বাড়িতে রেখে রাস্তায় কার্পেটিংয়ের কাজ করতেন। আর অন্ধ পিতাকে দেখাশুনার জন্য তার কিশোরী কন্যাকে বাড়িতে রেখে যেতেন। দিনে মা বাড়িতে না থাকার সুযোগে রিপন মিয়া (২৭) প্রায় সময় আসা যাওয়া করতো। সেই সুবাদে দুজনের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিভিন্ন সময় প্ররোচনা ও প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীর সঙ্গে রিপন শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে।

শনিবার কিশোরী তামাট বাজারে যাওয়ার পথে এ্যাডওয়ার্ডের মার্কেটের সামনে পৌঁছামাত্রই উপজেলার তামাট গ্রামের আ. রহমান খার ছেলে উসমান খা (৩৪), ওই গ্রামের আব্দুল মাজিদ খার ছেলে এ্যাডওয়ার্ড খান মনিরের সহযোগিতায় রিপন মিয়া কিশোরীকে সিএনজিতে উঠিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরদিন রোববার দুপুরে তামাট বাজারে কিশোরীকে পাওয়া যায়।

রিপন গফরগাঁও উপজেলার বরাইল গ্রামের রতন মিয়ার ছেলে। সে মামলার দুই নাম্বার আসামি উসমান খার বাড়িতে ভাড়া থাকত। এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে ভালুকা মডেল থানায় একটি মামলা করেন।

ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম জানান, ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার আভিযোগে প্রধান আসামি রিপনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদেরকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অন্ধ পিতার কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১

 ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
১১ অক্টোবর ২০২১, ১০:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার তামাট গ্রামে এক অন্ধ পিতার কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে সোমবার থানায় একটি মামলা করেছেন। ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরীর অন্ধ পিতা উপজেলার তামাট গ্রামের বাসিন্দা। মামলার বাদী অন্ধ স্বামীকে বাড়িতে রেখে রাস্তায় কার্পেটিংয়ের কাজ করতেন। আর অন্ধ পিতাকে দেখাশুনার জন্য তার কিশোরী কন্যাকে বাড়িতে রেখে যেতেন। দিনে মা বাড়িতে না থাকার সুযোগে রিপন মিয়া (২৭) প্রায় সময় আসা যাওয়া করতো। সেই সুবাদে দুজনের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিভিন্ন সময় প্ররোচনা ও প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীর সঙ্গে রিপন শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে।

শনিবার কিশোরী তামাট বাজারে যাওয়ার পথে এ্যাডওয়ার্ডের মার্কেটের সামনে পৌঁছামাত্রই উপজেলার তামাট গ্রামের আ. রহমান খার ছেলে উসমান খা (৩৪), ওই গ্রামের আব্দুল মাজিদ খার ছেলে এ্যাডওয়ার্ড খান মনিরের সহযোগিতায় রিপন মিয়া কিশোরীকে সিএনজিতে উঠিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরদিন রোববার দুপুরে তামাট বাজারে কিশোরীকে পাওয়া যায়।

রিপন গফরগাঁও উপজেলার বরাইল গ্রামের রতন মিয়ার ছেলে। সে মামলার দুই নাম্বার আসামি উসমান খার বাড়িতে ভাড়া থাকত। এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে ভালুকা মডেল থানায় একটি মামলা করেন।

ভালুকা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম জানান, ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার আভিযোগে প্রধান আসামি রিপনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদেরকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন