মামলার তদন্ত করতে গিয়ে ধরা খেলেন ভুয়া এএসআই, অতঃপর...
jugantor
মামলার তদন্ত করতে গিয়ে ধরা খেলেন ভুয়া এএসআই, অতঃপর...

  রংপুর ব্যুরো  

১২ অক্টোবর ২০২১, ০০:৩৯:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুর নগরীর হারাগাছ মেট্রোপলিটন এলাকায় মামলার তদন্ত করতে গিয়ে স্থানীয় জনতার হাতে আটক হয়েছেন মামুন মিয়া (১৯) নামে এক ভুয়া এএসআই। পরে গণধোলাই দিয়ে ওই যুবককে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

আটক মামুন মিয়া কাউনিয়া উপজেলার সারাই উদয় নারায়ণ মাছহাড়ি গ্রামের মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।

সোমবার দুপুরে হারাগাছ মেট্রোপলিটন থানার বাহারকাছনা বাংগীটারী গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হারাগাছ মেট্রোপলিটন পুলিশের এসআই আবু সায়েম জানান, গত শুক্রবার রংপুর মহানগরীর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বধুকমলা গ্রামে দুইপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। মারামারির ঘটনায় ওই গ্রামের এক নারী হারাগাছ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

তিনি জানান, সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে ওই অভিযোগের একটি ফটোকপি নিয়ে তদন্তে যান মামুন মিয়া। সেখানে তিনি নিজেকে পুলিশের এএসআই পরিচয় দেন। কিন্তু তার কথাবার্তায় সন্দেহ হলে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করেন।

পরে পুলিশের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখেছিল। পরে খবর পেয়ে হারাগাছ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মামুন মিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে মামুন পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

এ ব্যাপারে হারাগাছ মেট্রোপলিটন থানার ওসি শওকত আলী জানান, আটক মামুনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখান থেকে আনার পর তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলার তদন্ত করতে গিয়ে ধরা খেলেন ভুয়া এএসআই, অতঃপর...

 রংপুর ব্যুরো 
১২ অক্টোবর ২০২১, ১২:৩৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুর নগরীর হারাগাছ মেট্রোপলিটন এলাকায় মামলার তদন্ত করতে গিয়ে স্থানীয় জনতার হাতে আটক হয়েছেন মামুন মিয়া (১৯) নামে এক ভুয়া এএসআই। পরে গণধোলাই দিয়ে ওই যুবককে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

আটক মামুন মিয়া কাউনিয়া উপজেলার সারাই উদয় নারায়ণ মাছহাড়ি গ্রামের মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।

সোমবার দুপুরে হারাগাছ মেট্রোপলিটন থানার বাহারকাছনা বাংগীটারী গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হারাগাছ মেট্রোপলিটন পুলিশের এসআই আবু সায়েম জানান, গত শুক্রবার রংপুর মহানগরীর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বধুকমলা গ্রামে দুইপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। মারামারির ঘটনায় ওই গ্রামের এক নারী হারাগাছ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

তিনি জানান, সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে ওই অভিযোগের একটি ফটোকপি নিয়ে তদন্তে যান মামুন মিয়া। সেখানে তিনি নিজেকে পুলিশের এএসআই পরিচয় দেন। কিন্তু তার কথাবার্তায় সন্দেহ হলে স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করেন। 

পরে পুলিশের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখেছিল। পরে খবর পেয়ে হারাগাছ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মামুন মিয়াকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে মামুন পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

এ ব্যাপারে হারাগাছ মেট্রোপলিটন থানার ওসি শওকত আলী জানান, আটক মামুনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখান থেকে আনার পর তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন