সরকারি হাসপাতালের আলমারি বাড়িতে নিয়ে গেলেন ফিরোজা
jugantor
সরকারি হাসপাতালের আলমারি বাড়িতে নিয়ে গেলেন ফিরোজা

  ফরিদপুর ব্যুরো  

১২ অক্টোবর ২০২১, ২০:৩৬:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি আলমারি নিজের বাড়িতে নিয়ে গেছেন সেখানকার আয়া ফিরোজা বেগম। হাসপাতালের তিনতলা থেকে রোগী বহনের ট্রলিতে করে নিচে নামিয়ে সরকারি আলমারিটি অটোরিকশায় করে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে যান।

মঙ্গলবার দুপুরে সবার সামনেই এ ঘটনা ঘটলেও এ সময় হাসপাতালের কেউ তাকে বাধা দেননি। এ ঘটনায় অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফিরোজা বেগম আয়া পদে চাকরি করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। বর্তমানে হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডের তৃতীয় তলার এক নম্বর ইউনিটিতে তিনি কর্মরত। হাসপাতালের চিকিৎসকদের চেয়ার-টেবিল পরিষ্কার করাসহ চা-পানি-নাস্তা এগিয়ে দেওয়াই তার কাজ।

সরকারি আলমারিটি বহনকারী অটোরিকশাচালক মো. রায়হান বলেন, ফিরোজা বেগম হাসপাতালের আলমারিটি আমার অটোরিকশায় করে বাড়িতে নিয়ে গেছেন। হাসপাতাল থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে মুন্সিবাজারে তার বাড়িতে আলমারিটি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত আয়া ফিরোজা বেগমের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করে মোবাইলটি বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. সাইফুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারি হাসপাতালের আলমারি বাড়িতে নিয়ে গেলেন ফিরোজা

 ফরিদপুর ব্যুরো 
১২ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৩৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি আলমারি নিজের বাড়িতে নিয়ে গেছেন সেখানকার আয়া ফিরোজা বেগম। হাসপাতালের তিনতলা থেকে রোগী বহনের ট্রলিতে করে নিচে নামিয়ে সরকারি আলমারিটি অটোরিকশায় করে তার নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। 

মঙ্গলবার দুপুরে সবার সামনেই এ ঘটনা ঘটলেও এ সময় হাসপাতালের কেউ তাকে বাধা দেননি। এ ঘটনায় অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফিরোজা বেগম আয়া পদে চাকরি করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। বর্তমানে হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডের তৃতীয় তলার এক নম্বর ইউনিটিতে তিনি কর্মরত। হাসপাতালের চিকিৎসকদের চেয়ার-টেবিল পরিষ্কার করাসহ চা-পানি-নাস্তা এগিয়ে দেওয়াই তার কাজ। 

সরকারি আলমারিটি বহনকারী অটোরিকশাচালক মো. রায়হান বলেন, ফিরোজা বেগম হাসপাতালের আলমারিটি আমার অটোরিকশায় করে বাড়িতে নিয়ে গেছেন। হাসপাতাল থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে মুন্সিবাজারে তার বাড়িতে আলমারিটি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। 

এদিকে অভিযুক্ত আয়া ফিরোজা বেগমের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করে মোবাইলটি বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. সাইফুর রহমান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন