রাস্তায় গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি যুবলীগ নেতার
jugantor
রাস্তায় গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি যুবলীগ নেতার

  রাজশাহী ব্যুরো  

১২ অক্টোবর ২০২১, ২২:৫১:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার হামিরকৎসা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শাহ রেজা আলম ওরফে ইমনের বিরুদ্ধে রাস্তার উপর এক গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের (আরইউজে) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। এ নিয়ে থানা পুলিশ অভিযোগ নেয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি কাঠ এবং ক্যাবল নেটওয়ার্কের ব্যবসা করেন। আলোকনগর বাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়। কয়েক দিন আগে তিনি অসুস্থ ছিলেন। তাই গত ৬ অক্টোবর তার স্ত্রী এবং দুই ছেলে ব্যবসার কাজে এলাকায় যান। কার্যালয়ে তিনি না থাকার সুযোগে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি দখলে নেওয়ার জন্য হামলা চালায় যুবলীগ নেতা শাহ রেজা ও তার ক্যাডাররা। তারা চাইনিজ কুড়াল, হাঁসুয়া, লোহার রডসহ তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে এবং দুই ছেলেকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়।

এরপর ব্যবসায়ীর স্ত্রী তার ছেলেদের নিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। তখন বাগমারার পলাশী নামক জায়গায় শাহ রেজা ও তার বাহিনী আবারো আক্রমণ চালায়। ওই সময় রাস্তার উপর ব্যবসায়ীর স্ত্রীর শ্লীলতাহানি করা হয়। এ নিয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী থানায় অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ তা না নিয়ে উল্টো তাদের সঙ্গে আপস করতে বলে অভিযোগ করেন এই ব্যবসায়ী।

তিনি বলেন, এখন একের পর এক হত্যার হুমকি পাচ্ছি। এ অবস্থায় আমি এবং আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি। আমি যেন আমার পরিবার নিয়ে নিরাপদে থাকতে পারি এবং ব্যবসা ভালোভাবে পরিচালনা করতে পারি সেজন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করি। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর স্ত্রী এবং দুই ছেলেও উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা শাহ রেজা বলেন, দীর্ঘ সাত মাস ধরে আমিও ক্যাবল নেটওয়ার্কের ব্যবসায় নেমেছি। সংযোগ দেওয়া নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শ্লীলতাহানির অভিযোগ ভিত্তিহীন। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছিল। তখন ওই ব্যবসায়ীর স্ত্রী সামনে এসেছিল। তাই হয়তো দুই-একটা চড় লেগেছে। তবে যেদিন এ ঘটনা ঘটে, সেদিন আমি ছিলাম না।

থানায় অভিযোগ না নেওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাগমারা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আফজাল হোসেন বলেন, ওসি স্যার বাইরে আছেন। এ ধরনের ঘটনার কথা আমি কিছু জানি না।

রাস্তায় গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি যুবলীগ নেতার

 রাজশাহী ব্যুরো 
১২ অক্টোবর ২০২১, ১০:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার হামিরকৎসা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শাহ রেজা আলম ওরফে ইমনের বিরুদ্ধে রাস্তার উপর এক গৃহবধূকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠেছে। 

ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের (আরইউজে) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। এ নিয়ে থানা পুলিশ অভিযোগ নেয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী নারীর স্বামী জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি কাঠ এবং ক্যাবল নেটওয়ার্কের ব্যবসা করেন। আলোকনগর বাজারে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়। কয়েক দিন আগে তিনি অসুস্থ ছিলেন। তাই গত ৬ অক্টোবর তার স্ত্রী এবং দুই ছেলে ব্যবসার কাজে এলাকায় যান। কার্যালয়ে তিনি না থাকার সুযোগে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি দখলে নেওয়ার জন্য হামলা চালায় যুবলীগ নেতা শাহ রেজা ও তার ক্যাডাররা। তারা চাইনিজ কুড়াল, হাঁসুয়া, লোহার রডসহ তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে এবং দুই ছেলেকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়।

এরপর ব্যবসায়ীর স্ত্রী তার ছেলেদের নিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছিলেন। তখন বাগমারার পলাশী নামক জায়গায় শাহ রেজা ও তার বাহিনী আবারো আক্রমণ চালায়। ওই সময় রাস্তার উপর ব্যবসায়ীর স্ত্রীর শ্লীলতাহানি করা হয়। এ নিয়ে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী থানায় অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ তা না নিয়ে উল্টো তাদের সঙ্গে আপস করতে বলে অভিযোগ করেন এই ব্যবসায়ী।

তিনি বলেন, এখন একের পর এক হত্যার হুমকি পাচ্ছি। এ অবস্থায় আমি এবং আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় আছি। আমি যেন আমার পরিবার নিয়ে নিরাপদে থাকতে পারি এবং ব্যবসা ভালোভাবে পরিচালনা করতে পারি সেজন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করি। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর স্ত্রী এবং দুই ছেলেও উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা শাহ রেজা বলেন, দীর্ঘ সাত মাস ধরে আমিও ক্যাবল নেটওয়ার্কের ব্যবসায় নেমেছি। সংযোগ দেওয়া নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শ্লীলতাহানির অভিযোগ ভিত্তিহীন। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছিল। তখন ওই ব্যবসায়ীর স্ত্রী সামনে এসেছিল। তাই হয়তো দুই-একটা চড় লেগেছে। তবে যেদিন এ ঘটনা ঘটে, সেদিন আমি ছিলাম না।

থানায় অভিযোগ না নেওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাগমারা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আফজাল হোসেন বলেন, ওসি স্যার বাইরে আছেন। এ ধরনের ঘটনার কথা আমি কিছু জানি না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন