‘প্রেমের’ কারণে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা, মামলা
jugantor
‘প্রেমের’ কারণে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা, মামলা

  দৌলতখান (ভোলা) প্রতিনিধি  

১৩ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৫৭:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

আত্মহত্যা

ভোলার দৌলতখানে এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

সূত্র জানায়, স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির স্কুলছাত্রী খাদিজা মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টায় নিজ বসতঘর সংলগ্ন রান্নাঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। সে মৎস্যজীবী সবুজের মেয়ে।

সুরতহাল শেষে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ভোলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

দৌলতখান থানার উপ-পরিদর্শক বায়েজিদ নেওয়াজ জানান, ৯৯৯ নাম্বারে কল পেয়ে উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সবুজের রান্নাঘর থেকে ঝুলন্ত লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক মাস আগে থেকেই খাদিজার সঙ্গে একই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মোসনবাজার সংলগ্ন কামালের ছেলে কলেজছাত্র আল আমিনের (১৯) প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। আল আমিন মেয়েটিকে প্ররোচিত করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যেত। গত সপ্তাহে আল আমিন তাকে ঢাকায় নিয়ে যায়। শুক্রবার তারা কামরাঙ্গীর চরে বসবাসকারী আল আমিনের প্রতিবেশী মুকুলের বাসায় ওঠে। ঘটনা টের পেয়ে স্থানীয় ক্লাবের সদস্যরা আল আমিনকে আটক করলে মোটা অর্থের বিনিময়ে তাকে ছাড়িয়ে আনা হয়।

এ ঘটনার পর আল আমিন নিরুদ্দেশ হলে মঙ্গলবার রাতে ওই ছাত্রী আত্মহত্যা করে।

আল আমিনের পিতা মো. কামাল জানান, ছেলের এসব কাহিনী কিছুই জানতেন না তিনি। নিহতের স্বজনদের দাবি, আল আমিন তাকে বিয়ে না করে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেছে।

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলার রহমান বলেন, ঘটনাটি প্রেমঘটিত আত্মহত্যা। এ ব্যাপারে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে।

‘প্রেমের’ কারণে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা, মামলা

 দৌলতখান (ভোলা) প্রতিনিধি 
১৩ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আত্মহত্যা
প্রতীকী ছবি

ভোলার দৌলতখানে এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

সূত্র জানায়, স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির স্কুলছাত্রী খাদিজা মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টায় নিজ বসতঘর সংলগ্ন রান্নাঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। সে মৎস্যজীবী সবুজের মেয়ে।

সুরতহাল শেষে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ভোলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। 

দৌলতখান থানার উপ-পরিদর্শক বায়েজিদ নেওয়াজ জানান, ৯৯৯ নাম্বারে কল পেয়ে উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের সবুজের রান্নাঘর থেকে ঝুলন্ত লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক মাস আগে থেকেই খাদিজার সঙ্গে একই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মোসনবাজার সংলগ্ন কামালের ছেলে কলেজছাত্র আল আমিনের (১৯) প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। আল আমিন মেয়েটিকে প্ররোচিত করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যেত। গত সপ্তাহে আল আমিন তাকে ঢাকায় নিয়ে যায়। শুক্রবার তারা কামরাঙ্গীর চরে বসবাসকারী আল আমিনের প্রতিবেশী মুকুলের বাসায় ওঠে। ঘটনা টের পেয়ে স্থানীয় ক্লাবের সদস্যরা আল আমিনকে আটক করলে মোটা অর্থের বিনিময়ে তাকে ছাড়িয়ে আনা হয়।

এ ঘটনার পর আল আমিন নিরুদ্দেশ হলে মঙ্গলবার রাতে ওই ছাত্রী আত্মহত্যা করে। 

আল আমিনের পিতা মো. কামাল জানান, ছেলের এসব কাহিনী কিছুই জানতেন না তিনি। নিহতের স্বজনদের দাবি, আল আমিন তাকে বিয়ে না করে আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেছে।

দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলার রহমান বলেন, ঘটনাটি প্রেমঘটিত আত্মহত্যা। এ ব্যাপারে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন