চট্টগ্রামে একই পরিবারের ৩ জনকে গলা কেটে হত্যা
jugantor
চট্টগ্রামে একই পরিবারের ৩ জনকে গলা কেটে হত্যা

  মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  

১৪ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৫৮:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

হত্যা

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় একই পরিবারের তিনজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার ওই বাড়ি থেকে নিহত তিনজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতরা হলেন— বাবা একই এলাকার মোস্তফা (৫৮), তার স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম (৫০) ও ছোট ছেলে আহমদ হোসেন (২২)। নিহত মোস্তফা পেশায় মুদি দোকানদার।

এ ঘটনায় নিহত মোস্তফার বড় ছেলেসাদ্দামকে (২৬) আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে বড় ছেলেসাদ্দামের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাদের বাসায় যান। সেখানে ঘরে বাবা-মা ও ছেলের গলাকাটা রক্তাক্ত মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেন।

ওই সময় বাড়িতে ছিলেন মোস্তফার বড় ছেলে সাদ্দাম ও তার স্ত্রী আইনুন নাহার। সাদ্দামের শরীরে রক্তের দাগ থাকলেও কোনো জখম ছিল না। তাকে পুলিশ থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

জোরারগঞ্জ থানার ওসি মো. নুর হোসেন মামুন জানান, ভোর ৪টার দিকে নিহত তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়েছে।

তবে বুধবার গভীর রাতে পারিবারিক সম্পত্তির বিরোধে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে পুলিশের তদন্ত চলছে বলে জানান ওসি।

চট্টগ্রামে একই পরিবারের ৩ জনকে গলা কেটে হত্যা

 মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 
১৪ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৫৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হত্যা
ফাইল ছবি

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় একই পরিবারের তিনজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার ওই বাড়ি থেকে নিহত তিনজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। 

নিহতরা হলেন— বাবা একই এলাকার মোস্তফা (৫৮), তার স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম (৫০) ও ছোট ছেলে আহমদ হোসেন (২২)। নিহত মোস্তফা পেশায় মুদি দোকানদার।

এ ঘটনায় নিহত মোস্তফার বড় ছেলে সাদ্দামকে (২৬) আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে বড় ছেলে সাদ্দামের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাদের বাসায় যান। সেখানে ঘরে বাবা-মা ও ছেলের গলাকাটা রক্তাক্ত মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেন।

ওই সময় বাড়িতে ছিলেন মোস্তফার বড় ছেলে সাদ্দাম ও তার স্ত্রী আইনুন নাহার। সাদ্দামের শরীরে রক্তের দাগ থাকলেও কোনো জখম ছিল না। তাকে পুলিশ থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। 

জোরারগঞ্জ থানার ওসি মো. নুর হোসেন মামুন জানান, ভোর ৪টার দিকে নিহত তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়েছে।

 তবে বুধবার গভীর রাতে পারিবারিক সম্পত্তির বিরোধে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে পুলিশের তদন্ত চলছে বলে জানান ওসি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন