তিন বছরের সাজা থেকে বাঁচতে ১৭ বছর আত্মগোপনে, অতঃপর...
jugantor
তিন বছরের সাজা থেকে বাঁচতে ১৭ বছর আত্মগোপনে, অতঃপর...

  ফরিদপুর ব্যুরো  

১৪ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৪৫:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

১৭ বছর আত্মগোপনে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না। ফরিদপুরের মধুখালীতে সাড়ে তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি ১৭ বছর আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে গ্রেফতার হয়েছেন।

মঙ্গলবার রাতে রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার বড় পাতুরিয়া গ্রামে শ্বশুর এমদাদুল খানের বাড়ি থেকে আসামি মো. শফিকুল ইসলামকে (৬৬) গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনি ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ডুমাইন গ্রামের মৃত শেখ মোকাদ্দেস হোসেনের ছেলে। বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মধুখালী থানার এসআই মো. আলমগীর হোসেন মোল্যা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামির শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে মধুখালী থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, মধুখালী সিআর মামলা নং ৫১/২০০৪ প্রতারণা মামলায় আদালত শফিকুল ইসলামকে ৩ বছরের সাজা দেন এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাসের সাজা দেওয়া হয়। ২০০৫ সালের ২২ জানুয়ারি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

তিনি আরও বলেন, ১৭ বছর আগে মামলার রায় ঘোষণার পর শফিকুল ইসলাম আত্মগোপনে চলে যান। এরপর তাকে গ্রেফতার করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়।

তিন বছরের সাজা থেকে বাঁচতে ১৭ বছর আত্মগোপনে, অতঃপর...

 ফরিদপুর ব্যুরো 
১৪ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

১৭ বছর আত্মগোপনে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না। ফরিদপুরের মধুখালীতে সাড়ে তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি ১৭ বছর আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে গ্রেফতার হয়েছেন। 

মঙ্গলবার রাতে রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার বড় পাতুরিয়া গ্রামে শ্বশুর এমদাদুল খানের বাড়ি থেকে আসামি মো. শফিকুল ইসলামকে (৬৬) গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনি ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ডুমাইন গ্রামের মৃত শেখ মোকাদ্দেস হোসেনের ছেলে। বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মধুখালী থানার এসআই মো. আলমগীর হোসেন মোল্যা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামির শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। 

এ বিষয়ে মধুখালী থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, মধুখালী সিআর মামলা নং ৫১/২০০৪ প্রতারণা মামলায় আদালত শফিকুল ইসলামকে ৩ বছরের সাজা দেন এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাসের সাজা দেওয়া হয়। ২০০৫ সালের ২২ জানুয়ারি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। 

তিনি আরও বলেন, ১৭ বছর আগে মামলার রায় ঘোষণার পর শফিকুল ইসলাম আত্মগোপনে চলে যান। এরপর তাকে গ্রেফতার করতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন