শরীয়তপুরে বোমা হামলা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর
jugantor
শরীয়তপুরে বোমা হামলা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর

  শরীয়তপুর প্রতিনিধি  

১৪ অক্টোবর ২০২১, ২০:৩০:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবাদ করায় সন্ত্রাসীরা বোমা হামলা চালিয়ে ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। এতে অন্তত ৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

বুধবার রাতে শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়নের দপ্তরিপাড়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে বলে ব্যবসায়ী বজলুর রহমান চৌধুরী জানান।

গোসাইরহাট থানার এসআই মতিউর রহমান ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে শরীয়তপুর-গোসাইরহাট সড়কের নাগেরপাড়া দপ্তরিবাড়ী মোড় এলাকায় আটোচালক রাকিব মিয়া তার গাড়ি দিয়ে স্থানীয় সামসুল হক সরদারকে চাপা দিলে তিনি মারাত্মক আহত হন।

দপ্তরিপাড়া এলাকার ব্যবসায়ীরা এর প্রতিবাদ করেন। অটোচালক রাকিব ক্ষিপ্ত হয়ে আবুল সরদারের ছেলে আফজাল ও মাসুদসহ ২০-২৫ সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, হাতবোমা নিয়ে ব্যবসায়ী বজলুর রহমান চৌধুরী, জহিরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম মুন্সি ও শওকত হোসেনের ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে ১০-১২টি বোমা ফাটিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে।

এ সময় তারা হাফেজ খাঁ (৫০), আক্তার মুন্সি (৪০), আয়েশা বেগমসহ (২০) পাঁচজনকে মারাত্মক আহত করে। আহতদের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

প্রায় ২ ঘণ্টা তাণ্ডব চালিয়ে তারা স্থানীয় মোস্তফা সরদারের বাড়ি, শামসুল সরদারের বাড়ি ও মিন্টু সরদারের বাড়িতে চামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। হামলার স্থান থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে গোসাইরহাট থানা পুলিশ লাল স্কচটেপ মোড়ানো একটি বোমা উদ্ধার করেছে।

ব্যবসায়ী বজলুর রহমান চৌধুরী ও মোস্তফা সরদার দাবি করেন, এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য মেছবাহ উদ্দিন মৃধার ছেলে রাশেদ, মাসুদ, আবুল সরদারের ছেলে আফজাল, ওয়াহাব নকতীর ছেলে আহাম্মদ আলী নকতী, আবুল কালাম সরদারের ছেলে মিজু সরদারসহ ২০-২৫ জন এসে বোমা হামলা চালিয়ে আমাদের দোকানপাটে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে এবং বাড়িঘর ভাংচুর করেছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই।

অটোচালক রাকিব মিয়া ও মাসুদকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।

গোসাইরহাট থানার এসআই মতিউর রহমান বলেন, হামলার কথা শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাল স্কচটেপ মোড়ানো একটি বোমা উদ্ধার করেছি।

গোসাইরহাট থানার ওসি (তদন্ত) আবু বকর মাতুব্বর বলেন, বোমা হামলার ঘটনায় ব্যবসায়ীরা থানায় মামলা করতে আসেন। তখন আমি থানার বাইরে ছিলাম। সন্ধ্যার পর আমি থানায় গিয়ে মামলা নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

শরীয়তপুরে বোমা হামলা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর

 শরীয়তপুর প্রতিনিধি 
১৪ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবাদ করায় সন্ত্রাসীরা বোমা হামলা চালিয়ে ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। এতে অন্তত ৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। 

বুধবার রাতে শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়া ইউনিয়নের দপ্তরিপাড়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে বলে ব্যবসায়ী বজলুর রহমান চৌধুরী জানান। 

গোসাইরহাট থানার এসআই মতিউর রহমান ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে শরীয়তপুর-গোসাইরহাট সড়কের নাগেরপাড়া দপ্তরিবাড়ী মোড় এলাকায় আটোচালক রাকিব মিয়া তার গাড়ি দিয়ে স্থানীয় সামসুল হক সরদারকে চাপা দিলে তিনি মারাত্মক আহত হন।

দপ্তরিপাড়া এলাকার ব্যবসায়ীরা এর প্রতিবাদ করেন। অটোচালক রাকিব ক্ষিপ্ত হয়ে আবুল সরদারের ছেলে আফজাল ও মাসুদসহ ২০-২৫ সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, হাতবোমা নিয়ে ব্যবসায়ী বজলুর রহমান চৌধুরী, জহিরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম মুন্সি ও শওকত হোসেনের ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে ১০-১২টি বোমা ফাটিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে।

এ সময় তারা হাফেজ খাঁ (৫০), আক্তার মুন্সি (৪০), আয়েশা বেগমসহ (২০) পাঁচজনকে মারাত্মক আহত করে। আহতদের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। 

প্রায় ২ ঘণ্টা তাণ্ডব চালিয়ে তারা স্থানীয় মোস্তফা সরদারের বাড়ি, শামসুল সরদারের বাড়ি ও মিন্টু সরদারের বাড়িতে চামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। হামলার স্থান থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে গোসাইরহাট থানা পুলিশ লাল স্কচটেপ মোড়ানো একটি বোমা উদ্ধার করেছে।

ব্যবসায়ী বজলুর রহমান চৌধুরী ও মোস্তফা সরদার দাবি করেন, এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য মেছবাহ উদ্দিন মৃধার ছেলে রাশেদ, মাসুদ, আবুল সরদারের ছেলে আফজাল, ওয়াহাব নকতীর ছেলে আহাম্মদ আলী নকতী, আবুল কালাম সরদারের ছেলে মিজু সরদারসহ ২০-২৫ জন এসে বোমা হামলা চালিয়ে আমাদের দোকানপাটে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে এবং বাড়িঘর ভাংচুর করেছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই। 

অটোচালক রাকিব মিয়া ও মাসুদকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।

গোসাইরহাট থানার এসআই মতিউর রহমান বলেন, হামলার কথা শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাল স্কচটেপ মোড়ানো একটি বোমা উদ্ধার করেছি।

গোসাইরহাট থানার ওসি (তদন্ত) আবু বকর মাতুব্বর বলেন, বোমা হামলার ঘটনায় ব্যবসায়ীরা থানায় মামলা করতে আসেন। তখন আমি থানার বাইরে ছিলাম। সন্ধ্যার পর আমি থানায় গিয়ে মামলা নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন