‘আমার বিরুদ্ধে লিখলে কিছুই হবে না’ 
jugantor
‘আমার বিরুদ্ধে লিখলে কিছুই হবে না’ 

  হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

১৫ অক্টোবর ২০২১, ১৩:০২:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

হোমনা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিল্লাল মেহেদী

কুমিল্লার হোমনা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিল্লাল মেহেদীর বিরুদ্ধে ভোটার হালনাগাদ, স্থানান্তর ও সংশোধনী ও ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও স্থানান্তর নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতিসহ স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ রয়েছে।

এমনকি অফিসে সাধারণ লোকজন, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম ও সাংবাদিদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন তিনি।

এসব অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে গতকাল বৃহস্পতিবার তার অফিসে গেলে বিল্লাল মেহেদী এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে লিখলে কিছুই হবে না।’

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জনবল সংকটের অজুহাত দেখিয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিল্লাল মেহেদী অফিসে কোনো আবেদন গ্রহণ না করে তথ্যসেবাকেন্দ্রে পাঠান। নতুন ভোটার হালনাগাদ, ভোটার স্থানান্তর ও ভুল সংশোধনের আবেদন করে হার্ডকপি জমা দিতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

নতুন ভোটকেন্দ্র স্থাপন, ভোটকেন্দ্র স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও রয়েছে অনিয়মের অভিযোগ। তিনি সরেজমিন না গিয়ে অফিসে বসে প্রতিবেদন পাঠান।

২নং ঘাগুটিয়া ইউনিয়নের কাউয়ারটেক গ্রামের আ. রহিম যুগান্তরকে জানান, আমার ছেলের নতুন এনআইডি কার্ড করতে বাইরে থেকে আবেদন করে হার্ডকপি জমা দিতে যাই। কিন্তু অফিসার আবেদন জমা না রেখে বারান্দায় জমা দিতে বলেন। সেখানে টাকা ছাড়া জমা নিচ্ছে না। বিষয়টি তাকে জানালে তিনি আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করে অফিস থেকে বের করে দেন।

হোমনা উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন হাফেজ আ. কুদ্দুস জানান, কিছু দিন আগে আমার এক আত্মীয়ের ভোটার সংশোধনের বিষয়ে কথা বলতে গেলে তিনি আমার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং আবেদন ছুড়ে ফেলে দেন।

এ ছাড়া চান্দেরচর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার মোকবুল হোসেন জানান, আমার স্বাুযক্ষর জাল করে কে বা কারা শোভারামপুর-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভোটকেন্দ্র স্থাপনের আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে জানতে অফিসে গেলে তিনি আমার সঙ্গে বাজে আচরণ করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিল্লাল মেহেদী বলেন, অফিসে লোকবল সংকট। তাই জনগণের কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছি না।

আবেদন জমা দিতে টাকা নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি কোনো টাকা পয়সা নিই না। খরচবাবদ অন্য কেউ নিতে পারে। আপনি যত পারেন লেখেন। আমার বিরুদ্ধে লিখে কিছুই করতে পারবেন না।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমন দে যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। প্রয়োজনে তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব।

‘আমার বিরুদ্ধে লিখলে কিছুই হবে না’ 

 হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
১৫ অক্টোবর ২০২১, ০১:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
হোমনা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিল্লাল মেহেদী
হোমনা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিল্লাল মেহেদী। ছবি-যুগান্তর

কুমিল্লার হোমনা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিল্লাল মেহেদীর বিরুদ্ধে ভোটার হালনাগাদ, স্থানান্তর ও সংশোধনী ও ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও স্থানান্তর নিয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতিসহ স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ রয়েছে। 

এমনকি অফিসে সাধারণ লোকজন, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম ও সাংবাদিদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন তিনি।    

এসব অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে গতকাল বৃহস্পতিবার তার অফিসে গেলে বিল্লাল মেহেদী এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে লিখলে কিছুই হবে না।’

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জনবল সংকটের অজুহাত দেখিয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিল্লাল মেহেদী অফিসে কোনো আবেদন গ্রহণ না করে তথ্যসেবাকেন্দ্রে পাঠান। নতুন ভোটার হালনাগাদ, ভোটার স্থানান্তর ও ভুল সংশোধনের আবেদন করে হার্ডকপি জমা দিতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়। 

নতুন ভোটকেন্দ্র স্থাপন, ভোটকেন্দ্র স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও রয়েছে অনিয়মের অভিযোগ। তিনি সরেজমিন না গিয়ে অফিসে বসে প্রতিবেদন পাঠান। 

২নং ঘাগুটিয়া ইউনিয়নের কাউয়ারটেক গ্রামের আ. রহিম যুগান্তরকে জানান, আমার ছেলের নতুন এনআইডি কার্ড করতে বাইরে থেকে আবেদন করে হার্ডকপি জমা দিতে যাই। কিন্তু অফিসার আবেদন জমা না রেখে বারান্দায় জমা দিতে বলেন। সেখানে টাকা ছাড়া জমা নিচ্ছে না। বিষয়টি  তাকে জানালে তিনি আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করে অফিস থেকে বের করে দেন।

হোমনা উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন হাফেজ আ. কুদ্দুস জানান, কিছু দিন আগে আমার এক আত্মীয়ের ভোটার সংশোধনের বিষয়ে কথা বলতে গেলে তিনি আমার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং আবেদন ছুড়ে ফেলে দেন। 

এ ছাড়া চান্দেরচর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার মোকবুল হোসেন জানান, আমার স্বাুযক্ষর জাল করে কে বা কারা শোভারামপুর-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ভোটকেন্দ্র স্থাপনের আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে জানতে অফিসে গেলে তিনি আমার সঙ্গে বাজে আচরণ করেন।
 
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিল্লাল মেহেদী বলেন, অফিসে লোকবল সংকট। তাই জনগণের কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছি না।  

আবেদন জমা দিতে টাকা নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি কোনো টাকা পয়সা নিই না। খরচবাবদ অন্য কেউ নিতে পারে। আপনি যত পারেন লেখেন। আমার বিরুদ্ধে লিখে কিছুই করতে পারবেন না।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমন দে যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। প্রয়োজনে তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন