মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ইজিবাইকচালককে গলা কেটে হত্যা
jugantor
মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ইজিবাইকচালককে গলা কেটে হত্যা

  ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৬ অক্টোবর ২০২১, ১০:৪৪:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ইজিবাইকচালককে গলা কেটে হত্যা

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে এক ইজিবাইকচালককে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ফতুল্লার মুসলিমনগর নয়াবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত চালকের নাম সুজন ফকির (৪২)। তিনি নাটোরের ভুলুদাসপুর থানার রামাগাড়ি এলাকার আমজাদ হোসেন টগরের ছেলে। সুজন ফতুল্লার নবীনগর এলাকায় শাহ আলমের বাসায় ভাড়ায় স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন।

নিহতের স্ত্রী মর্জিনা বেগম জানান, স্বামী স্ত্রী ও এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে আমাদের পরিবার। স্বামীর উপার্জনে আমাদের সংসার চলে। সুজন ফকির বিসিক রহনা নামে একটি গার্মেন্টে কাজ করতেন। এরমধ্যে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করা হয়েছে। এজন্য কয়েকদিন আগে গার্মেন্টের কাজ ছেড়ে দিয়ে ইজিবাইক ভাড়ায় চালানো শুরু করেন।

তিনি আরও বলেন, সকাল সাড়ে ৭টায় মোবাইল ফোনে কল করে সুজন ফকিরকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায় অজ্ঞাত লোকজন। সকাল ৮টায় খবর পেয়েছি, তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমি হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, ধারণা করা হচ্ছে পরিকল্পিতভাবে সুজন ফকিরকে হত্যা করা হয়েছে। সুজনসহ চারজন একটি ইজিবাইকে হয়তো কোথাও যাচ্ছিল। যাওয়ার পথে নয়াবাজার এলাকায় সড়কে ইজিবাইক রেখে সুজনের ওপর তিনজন ফুসে ওঠে। এক পর্যায়ে সুজনের গলায় ছুরিকাঘাত করে তারা। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। হত্যাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে।

ওসি বলেন, চেষ্টা করছি তাদের খুঁজে দ্রুত গ্রেফতার করার। লাশ ময়না তদন্তের জন্য শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ইজিবাইকচালককে গলা কেটে হত্যা

 ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৬ অক্টোবর ২০২১, ১০:৪৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে ইজিবাইকচালককে গলা কেটে হত্যা
ছবি: যুগান্তর

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে এক ইজিবাইকচালককে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ফতুল্লার মুসলিমনগর নয়াবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত চালকের নাম সুজন ফকির (৪২)। তিনি নাটোরের ভুলুদাসপুর থানার রামাগাড়ি এলাকার আমজাদ হোসেন টগরের ছেলে। সুজন ফতুল্লার নবীনগর এলাকায় শাহ আলমের বাসায় ভাড়ায় স্ত্রী সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন।

নিহতের স্ত্রী মর্জিনা বেগম জানান, স্বামী স্ত্রী ও এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে আমাদের পরিবার। স্বামীর উপার্জনে আমাদের সংসার চলে। সুজন ফকির বিসিক রহনা নামে একটি গার্মেন্টে কাজ করতেন। এরমধ্যে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করা হয়েছে। এজন্য কয়েকদিন আগে গার্মেন্টের কাজ ছেড়ে দিয়ে ইজিবাইক ভাড়ায় চালানো শুরু করেন।

তিনি আরও বলেন, সকাল সাড়ে ৭টায় মোবাইল ফোনে কল করে সুজন ফকিরকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায় অজ্ঞাত লোকজন। সকাল ৮টায় খবর পেয়েছি, তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমি হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, ধারণা করা হচ্ছে পরিকল্পিতভাবে সুজন ফকিরকে হত্যা করা হয়েছে। সুজনসহ চারজন একটি ইজিবাইকে হয়তো কোথাও যাচ্ছিল। যাওয়ার পথে নয়াবাজার এলাকায় সড়কে ইজিবাইক রেখে সুজনের ওপর তিনজন ফুসে ওঠে। এক পর্যায়ে সুজনের গলায় ছুরিকাঘাত করে তারা। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। হত্যাকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে।

ওসি বলেন, চেষ্টা করছি তাদের খুঁজে দ্রুত গ্রেফতার করার। লাশ ময়না তদন্তের জন্য শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন