ভেজাল খেজুরের গুড়ে সয়লাব সৈয়দপুরের বাজার
jugantor
ভেজাল খেজুরের গুড়ে সয়লাব সৈয়দপুরের বাজার

  সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি  

১৭ অক্টোবর ২০২১, ১৫:৩৭:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ভেজাল খেজুরের গুড়ে সয়লাব সৈয়দপুরের বাজার

শীতের দেখা এখনও মেলেনি পুরোপুরি। ইতোমধ্যে ভেজাল পাটালি ও খেজুরের গুড়ে সয়লাব হয়েছে নীলফামারীর সৈয়দপুর বাজার। বিভিন্ন জেলা থেকে এসব গুড় এনে বাজারজাত করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মৌসুমের আগেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে শীতের পিঠা বিক্রি। এর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে পাটালি ও খেজুরের গুড়ের চাহিদাও। উপজেলাতে গুড় ব্যবসায়ী রয়েছে প্রায় ২১ জন। বেশি লাভের জন্য শীত মৌসুমের আগেই নাটোর ও রাজশাহী থেকে ভেজাল পাটালি এবং খেজুর গুড় কিনে আনছেন তারা।

নিম্নমানের ঝোলা ও নরম গুড় গলিয়ে তাতে চিনি, রঙ, হাইড্রোজ, সোডা, ফিটকিরি, পাথুরে চুন এবং বিশেষ গাছের ছালের গুঁড়া দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে এসব গুড়। গুড়ের চাহিদা ও উৎপাদন খরচ পুষিয়ে নিতে প্রতি ১০ লিটার রসে দুই কেজি চিনি মেশানো হচ্ছে।

গুড়ের রঙ ফর্সা ও গুড় শক্ত করতেই চিনি মেশানো হয়। কিন্তু এই গুড়ে প্রকৃত স্বাদ-গন্ধ থাকে না। এসব ভেজাল গুড় প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শহীদ ডা. জিকরুল হক রোডের গুড় ব্যবসায়ী সিয়াম আহমেদ জানান, তারা বাইরে থেকে পাইকারি দরে গুড় কিনে এনে বিক্রি করছেন। ভেজালের বিষয়টি তিনি জানেন না।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিব) সৈয়দপুর সাংগঠনিক জেলা কমিটির সভাপতি ডা. শেখ নজরুল ইসলাম বলেন, এসব গুড়ে ক্ষতিকারক কেমিক্যাল মেশানোর কারণে তা হার্ট, কিডনিসহ স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতি করে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নীলফামারীর সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দীন বলেন, বাজারে অভিযান পরিচালনা করে ভেজাল গুড় বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভেজাল খেজুরের গুড়ে সয়লাব সৈয়দপুরের বাজার

 সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি 
১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ভেজাল খেজুরের গুড়ে সয়লাব সৈয়দপুরের বাজার
ছবি: যুগান্তর

শীতের দেখা এখনও মেলেনি পুরোপুরি। ইতোমধ্যে ভেজাল পাটালি ও খেজুরের গুড়ে সয়লাব হয়েছে নীলফামারীর সৈয়দপুর বাজার। বিভিন্ন জেলা থেকে এসব গুড় এনে বাজারজাত করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, মৌসুমের আগেই শহরের বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে শীতের পিঠা বিক্রি। এর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে পাটালি ও খেজুরের গুড়ের চাহিদাও। উপজেলাতে গুড় ব্যবসায়ী রয়েছে প্রায় ২১ জন। বেশি লাভের জন্য শীত মৌসুমের আগেই নাটোর ও রাজশাহী থেকে ভেজাল পাটালি এবং খেজুর গুড় কিনে আনছেন তারা।

নিম্নমানের ঝোলা ও নরম গুড় গলিয়ে তাতে চিনি, রঙ, হাইড্রোজ, সোডা, ফিটকিরি, পাথুরে চুন এবং বিশেষ গাছের ছালের গুঁড়া দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে এসব গুড়। গুড়ের চাহিদা ও উৎপাদন খরচ পুষিয়ে নিতে প্রতি ১০ লিটার রসে দুই কেজি চিনি মেশানো হচ্ছে।

গুড়ের রঙ ফর্সা ও গুড় শক্ত করতেই চিনি মেশানো হয়। কিন্তু এই গুড়ে প্রকৃত স্বাদ-গন্ধ থাকে না। এসব ভেজাল গুড় প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শহীদ ডা. জিকরুল হক রোডের গুড় ব্যবসায়ী সিয়াম আহমেদ জানান, তারা বাইরে থেকে পাইকারি দরে গুড় কিনে এনে বিক্রি করছেন। ভেজালের বিষয়টি তিনি জানেন না।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিব) সৈয়দপুর সাংগঠনিক জেলা কমিটির সভাপতি ডা. শেখ নজরুল ইসলাম বলেন, এসব গুড়ে ক্ষতিকারক কেমিক্যাল মেশানোর কারণে তা হার্ট, কিডনিসহ স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতি করে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নীলফামারীর সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দীন বলেন, বাজারে অভিযান পরিচালনা করে ভেজাল গুড় বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন