ইলিশের লোভে ছিনতাই চক্রের ফাঁদে দুই যুবক
jugantor
ইলিশের লোভে ছিনতাই চক্রের ফাঁদে দুই যুবক

  চরফ্যাশন দক্ষিণ (ভোলা) প্রতিনিধি  

১৭ অক্টোবর ২০২১, ২০:১১:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

রাতের আঁধারে ইলিশ মাছ দেওয়ার ফাঁদে ফেলে বোরহানউদ্দিন উপজেলার রফিক ও আল আমিন নামের দুই যুবকের নগদ টাকা, সোনার চেইন, আংটি ও মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে চরফ্যাশন থানায় অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে বেতুয়া বেড়িবাঁধ এলাকার নির্জন স্থানে নিয়ে ওই দুই যুবককে আটকে রেখে মারধর করে এ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় টাকা দিতে অস্বীকার করলে স্থানীয় ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা একত্রিত হয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এ ঘটনায় শনিবার সন্ধ্যায় মারধরের শিকার রফিক বাদী হয়ে চরফ্যাশন থানায় একটি এজাহারনামায় তিন ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যসহ অজ্ঞাত আসামি করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ঘটনায় জড়িত থাকা ছিনতাই চক্রের সদস্য মোরশেদ নামের একজনকে আটক করেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

ছিনতাই ও মারধরের শিকার যুবক রফিক জানান, আসলামপুর ইউনিয়নের পূর্বপরিচিত মোরশেদ ছিনতাই চক্রের মূলহোতা শাখাওয়াতকে আমার ফোন নাম্বার দিয়ে সুলভমূল্যে ইলিশ মাছ কিনে দেবেন বলে প্রলোভন দেখিয়ে মোবাইল ফোনে তাকে বেতুয়া এলাকায় ডেকে নেন। শনিবার সন্ধ্যায় তিনি বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়ন থেকে বেতুয়ায় গেলে মোরশেদের সঙ্গী ছিনতাই চক্রের সদস্য নাঈম, শাখাওয়াত, মিঠু ও আকতারসহ কয়েকজন মিলে যুবক রফিককে মাছ কিনে দেবেন বলে ওই যুবকের সঙ্গে আসা মোটরসাইকেলচালক আল আমিনকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরাতে থাকেন।

পরে রাত ১১টার দিকে ওই ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা তাদের দুইজনকে বেতুয়া বেড়িবাঁধ এলাকায় নিয়ে যান এবং তাদের বেড়িবাঁধের নির্জন স্থানে নিয়ে আটকে রেখে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এ সময় রফিকের কাছে থাকা নগদ ৩০ হাজার টাকা ও মোটরসাইকেল, সোনার চেইন ও আংটি ছিনিয়ে নেয়। এতেও ক্ষান্ত হয়নি ওই চক্রের সদস্যরা। ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে আরও ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রের সদস্যরা। পরে আল আমিন পালিয়ে আত্মরক্ষা পান।

স্থানীয়রা জানান, আসলামপুর ইউনিয়নের সুদের ব্যবসায়ী নাঈম, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সুদ ব্যবসার পাশাপাশি মাদক, জুয়া ও নারী কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত রয়েছে এবং তার সহযোগী শাখাওয়াত, মিঠু, আকতার ও মোরশেদ তার সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছেন।

চরফ্যাশন থানার ওসি মো. মনির হোসেন মিয়া জানান, ছিনতাইয়ের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে থানায় আনা হয়েছে।

ইলিশের লোভে ছিনতাই চক্রের ফাঁদে দুই যুবক

 চরফ্যাশন দক্ষিণ (ভোলা) প্রতিনিধি 
১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৮:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাতের আঁধারে ইলিশ মাছ দেওয়ার ফাঁদে ফেলে বোরহানউদ্দিন উপজেলার রফিক ও আল আমিন নামের দুই যুবকের নগদ টাকা, সোনার চেইন, আংটি ও মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে চরফ্যাশন থানায় অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে বেতুয়া বেড়িবাঁধ এলাকার নির্জন স্থানে নিয়ে ওই দুই যুবককে আটকে রেখে মারধর করে এ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় টাকা দিতে অস্বীকার করলে স্থানীয় ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা একত্রিত হয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এ ঘটনায় শনিবার সন্ধ্যায় মারধরের শিকার রফিক বাদী হয়ে চরফ্যাশন থানায় একটি এজাহারনামায় তিন ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যসহ অজ্ঞাত আসামি করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

ঘটনায় জড়িত থাকা ছিনতাই চক্রের সদস্য মোরশেদ নামের একজনকে আটক করেছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

ছিনতাই ও মারধরের শিকার যুবক রফিক জানান, আসলামপুর ইউনিয়নের পূর্বপরিচিত মোরশেদ ছিনতাই চক্রের মূলহোতা শাখাওয়াতকে আমার ফোন নাম্বার দিয়ে সুলভমূল্যে ইলিশ মাছ কিনে দেবেন বলে প্রলোভন দেখিয়ে মোবাইল ফোনে তাকে বেতুয়া এলাকায় ডেকে নেন। শনিবার সন্ধ্যায় তিনি বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়ন থেকে বেতুয়ায় গেলে মোরশেদের সঙ্গী ছিনতাই চক্রের সদস্য নাঈম, শাখাওয়াত, মিঠু ও আকতারসহ কয়েকজন মিলে যুবক রফিককে মাছ কিনে দেবেন বলে ওই যুবকের সঙ্গে আসা মোটরসাইকেলচালক আল আমিনকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরাতে থাকেন।

পরে রাত ১১টার দিকে ওই ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা তাদের দুইজনকে বেতুয়া বেড়িবাঁধ এলাকায় নিয়ে যান এবং তাদের বেড়িবাঁধের নির্জন স্থানে নিয়ে আটকে রেখে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এ সময় রফিকের কাছে থাকা নগদ ৩০ হাজার টাকা ও মোটরসাইকেল, সোনার চেইন ও আংটি ছিনিয়ে নেয়। এতেও ক্ষান্ত হয়নি ওই চক্রের সদস্যরা। ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে আরও ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রের সদস্যরা। পরে আল আমিন পালিয়ে আত্মরক্ষা পান।

স্থানীয়রা জানান, আসলামপুর ইউনিয়নের সুদের ব্যবসায়ী নাঈম, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সুদ ব্যবসার পাশাপাশি মাদক, জুয়া ও নারী কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত রয়েছে এবং তার সহযোগী শাখাওয়াত, মিঠু, আকতার ও মোরশেদ তার সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছেন।

চরফ্যাশন থানার ওসি মো. মনির হোসেন মিয়া জানান, ছিনতাইয়ের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে থানায় আনা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন